ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল

চাঞ্চল্যকর তথ্য, গুলশানে জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র তৈরি হয় ভারতে: এনআইএ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৬
  • ৩৪৫ বার

রাজধানী ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অ্যাসল্ট রাইফেল ভারতে তৈরি হয় বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা- এনআইএ। ভারতের গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া শনিবার এ খবর দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ১ জুলাই গুলশান হামলার অস্ত্র তৈরি হয় বলে তথ্য দিয়েছে খাগড়াগড় বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে আটকদের একজন।

গত সেপ্টেম্বরে খাগড়াগড় বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করে কলকাতা পুলিশ।

গুলশানের ওই সন্ত্রাসী হামলায় ভারতীয়

নাগরিক তারিশাই জেনসহ ২০ বিদেশী নিহত হয়। পরে অভিযানে আরও ৫ সন্ত্রাসী নিহত হয়।

কলকাতা পুলিশের হাতে আটক ওই সন্ত্রাসী জানান, পাকিস্তানের উপজাতি বন্দুকনির্মাতারা গোপনে বিহারের মুনগের শহর থেকে মালদা আসে। তারাই একে-২২ অ্যাসল্ট রাইফেল তৈরি করে। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত হয়ে ওই অস্ত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

এনআইএ’র ধারণা, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ওই বন্দুকনির্মাতারা পাকিস্তানের দারা আদম খেল সম্প্রদায়ের লোক।

আধুনিক অস্ত্রকে নকল করতে পারদর্শী এই জনগোষ্ঠীর সদস্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন তালেবানকে সমর্থনের অভিযোগ রয়েছে। পেশোয়ার ও কোহাটের মধ্যবর্তী এলাকায় এদের বসবাস।

এদিকে গুলশান হামলার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুরুতেই অভিযোগ ওঠে এতে ব্যবহৃত অস্ত্র পার্শ্ববর্তী দেশ থেকেই প্রবেশ করে। পরবর্তী সময়ে হামলায় সুনিশ্চিতভাবে মুঙ্গের সংযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন বাংলাদেশের কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ভারতের বিহার পুলিশ। -যুগান্তর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

চাঞ্চল্যকর তথ্য, গুলশানে জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র তৈরি হয় ভারতে: এনআইএ

আপডেট টাইম : ০১:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৬

রাজধানী ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অ্যাসল্ট রাইফেল ভারতে তৈরি হয় বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা- এনআইএ। ভারতের গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া শনিবার এ খবর দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ১ জুলাই গুলশান হামলার অস্ত্র তৈরি হয় বলে তথ্য দিয়েছে খাগড়াগড় বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে আটকদের একজন।

গত সেপ্টেম্বরে খাগড়াগড় বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করে কলকাতা পুলিশ।

গুলশানের ওই সন্ত্রাসী হামলায় ভারতীয়

নাগরিক তারিশাই জেনসহ ২০ বিদেশী নিহত হয়। পরে অভিযানে আরও ৫ সন্ত্রাসী নিহত হয়।

কলকাতা পুলিশের হাতে আটক ওই সন্ত্রাসী জানান, পাকিস্তানের উপজাতি বন্দুকনির্মাতারা গোপনে বিহারের মুনগের শহর থেকে মালদা আসে। তারাই একে-২২ অ্যাসল্ট রাইফেল তৈরি করে। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত হয়ে ওই অস্ত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

এনআইএ’র ধারণা, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ওই বন্দুকনির্মাতারা পাকিস্তানের দারা আদম খেল সম্প্রদায়ের লোক।

আধুনিক অস্ত্রকে নকল করতে পারদর্শী এই জনগোষ্ঠীর সদস্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন তালেবানকে সমর্থনের অভিযোগ রয়েছে। পেশোয়ার ও কোহাটের মধ্যবর্তী এলাকায় এদের বসবাস।

এদিকে গুলশান হামলার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুরুতেই অভিযোগ ওঠে এতে ব্যবহৃত অস্ত্র পার্শ্ববর্তী দেশ থেকেই প্রবেশ করে। পরবর্তী সময়ে হামলায় সুনিশ্চিতভাবে মুঙ্গের সংযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন বাংলাদেশের কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ভারতের বিহার পুলিশ। -যুগান্তর।