ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সারারাত যমুনার সামনে অবস্থান, সকালেও কর্মসূচি অব্যাহত ইশরাক সমর্থকদের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • ৭৭ বার

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে শপথের পাশাপাশি সরকারের দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং মাহফুজ আলমের পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন অব্যাহত রেখেছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের সমর্থকরা।
গতকাল বুধবার রাতভর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনের সড়ক হেয়ার রোডে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পর আজও তা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত ইশরাক হোসেনের সমর্থকদের।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফুটতেই বাড়ছে নেতাকর্মীর সংখ্যা। বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং থানা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হচ্ছেন তারা।

এদিকে এরই মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাকরাইল থেকে মৎস্য ভবনের দিকে চলাচলের সড়ক। নেতাকর্মীরা দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন।

অপরদিকে যমুনার মুখে বাড়ানো হয়েছে পুলিশ উপস্থিতি। অবস্থান নিয়েছে সেনাবাহিনীও।এর আগে টানা সাত দিন নগর ভবনের সামনে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’ পালন করেন ইশরাক সমর্থকরা।

প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে হাজারো নেতাকর্মী ইশরাকের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান নেন। এর ফলে হেয়ার রোড, মৎস্য ভবনের মোড়, কাকরাইল ও সার্কিট হাউজ সড়কসহ আশপাশের সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পুরো এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

ইশরাকের সমর্থকরা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে এবং ইশরাকের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তারা জানান, বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতের রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত তারা যমুনার সামনে অবস্থান চালিয়ে যাবেন। যদি রায় তাদের বিপক্ষে যায়, তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সন্ধ্যার পর বিক্ষোভ আরও তীব্র রূপ নেয়। কয়েক হাজার নেতাকর্মী যমুনার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন, যার নেতৃত্বে ছিলেন ইশরাক হোসেন নিজেই। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, ‌‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত যমুনা ছাড়বেন না।’

ইশরাক বলেন, ‘আমাদের দাবি হচ্ছে, উপদেষ্টাদের মধ্যে যারা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদেরকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ করে তারা তাদের দলে গিয়ে রাজনীতি করুক, সংগঠন করুক, তাদেরকে স্বাগতম, কোনো সমস্যা নাই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

সারারাত যমুনার সামনে অবস্থান, সকালেও কর্মসূচি অব্যাহত ইশরাক সমর্থকদের

আপডেট টাইম : ১০:২৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে শপথের পাশাপাশি সরকারের দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং মাহফুজ আলমের পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন অব্যাহত রেখেছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের সমর্থকরা।
গতকাল বুধবার রাতভর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনের সড়ক হেয়ার রোডে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পর আজও তা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত ইশরাক হোসেনের সমর্থকদের।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফুটতেই বাড়ছে নেতাকর্মীর সংখ্যা। বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং থানা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হচ্ছেন তারা।

এদিকে এরই মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাকরাইল থেকে মৎস্য ভবনের দিকে চলাচলের সড়ক। নেতাকর্মীরা দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন।

অপরদিকে যমুনার মুখে বাড়ানো হয়েছে পুলিশ উপস্থিতি। অবস্থান নিয়েছে সেনাবাহিনীও।এর আগে টানা সাত দিন নগর ভবনের সামনে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’ পালন করেন ইশরাক সমর্থকরা।

প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে হাজারো নেতাকর্মী ইশরাকের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান নেন। এর ফলে হেয়ার রোড, মৎস্য ভবনের মোড়, কাকরাইল ও সার্কিট হাউজ সড়কসহ আশপাশের সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পুরো এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

ইশরাকের সমর্থকরা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে এবং ইশরাকের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তারা জানান, বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতের রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত তারা যমুনার সামনে অবস্থান চালিয়ে যাবেন। যদি রায় তাদের বিপক্ষে যায়, তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সন্ধ্যার পর বিক্ষোভ আরও তীব্র রূপ নেয়। কয়েক হাজার নেতাকর্মী যমুনার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন, যার নেতৃত্বে ছিলেন ইশরাক হোসেন নিজেই। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, ‌‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত যমুনা ছাড়বেন না।’

ইশরাক বলেন, ‘আমাদের দাবি হচ্ছে, উপদেষ্টাদের মধ্যে যারা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদেরকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ করে তারা তাদের দলে গিয়ে রাজনীতি করুক, সংগঠন করুক, তাদেরকে স্বাগতম, কোনো সমস্যা নাই।’