ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

পাথর উত্তোলন : সৌন্দর্য হারাচ্ছে প্রকৃতিকন্যা জাফলং

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৬
  • ৪২৫ বার

লন করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এতে পর্যটনকেন্দ্রটির সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি হুমকিতে পড়ছে পরিবেশও। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি জাফলংকে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। নিয়ম অনুযায়ী ইসিএ ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা। কিন্তু এ-বিষয়ক গেজেট প্রকাশের প্রায় ২০ মাস পরও সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে ইসিএ ঘোষণা থেকে গেছে কাগজে-কলমেই।

পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জাফলংকে ইসিএ ঘোষণার নির্দেশনা দেন আদালত। ওই নির্দেশনা অনুসারেই জাফলংকে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ হিসেবে ঘোষণা করে মন্ত্রণালয়। কিন্তু এ-বিষয়ক গেজেট প্রকাশের পর ২০ মাস পেরিয়ে গেলেও ইসিএ বাস্তবায়নে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এমনকি মন্ত্রণালয় থেকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে এ-বিষয়ক চিঠিটি পৌঁছাতেও সময় লেগেছে ১৬ মাস। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত গেজেটে বিভাগীয় কমিশনারকে আহ্বায়ক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে সদস্য সচিব করে ইসিএ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হলেও তা এখনো গঠিত হয়নি। ফলে পাথর উত্তোলনের মাধ্যমে জাফলংয়ে এখনো চলছে পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রম। এক্ষেত্রে পাথর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশেই ইসিএ বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

ভারতের পাহাড় থেকে নেমে আসা স্রোতস্বিনী পিয়াইন নদী জাফলংয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রধান অনুষঙ্গ। এ স্রোতের সঙ্গে পাহাড় থেকে নেমে আসে পাথরও। ফলে পিয়াইন নদী থেকে পাথর উত্তোলন চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। আর জাফলংও পরিচিতি পেয়েছে পাথর কোয়ারি হিসেবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে চাহিদার বিপরীতে নদীতে পাথরের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বিশেষ মেশিনের মাধ্যমে ভূ-অভ্যন্তর থেকে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। এসব মেশিন স্থানীয়ভাবে ‘বোমা মেশিন’ নামে পরিচিত। এ মেশিনের ব্যবহার শুরুর পর থেকে উচ্চ শব্দ ও ধুলার কারণে পর্যটকদের জন্য জাফলং রীতিমতো বিভীষিকায় পরিণত হয়। পাশাপাশি মেশিন দিয়ে নদীর তীর খুঁড়ে ফেলাসহ নানা কারণে বিনষ্ট হয় জাফলংয়ের পরিবেশও।

এ অবস্থায় বেলার করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত জাফলংয়ের নদীতে সব ধরনের মেশিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন। আদেশে জাফলংয়ে পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড রুখতে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রতি মাসে অন্তত একবার অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে জাফলংকে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণারও নির্দেশ দেয়া হয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি জাফলংকে ইসিএ ঘোষণা করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাফলংয়ের ১৪ দশমিক ৯৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের পাথর তোলা নিষিদ্ধ। কিন্তু এ নিষিধাজ্ঞা অমান্য করে ইসিএ এলাকার সবখানেই পাথর উত্তোলন চলছে। বন্ধ হয়নি ‘বোমা মেশিন’ও। পাথর ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য থেকে এমনকি বাদ যাচ্ছে না বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্টও।

পাথর উত্তোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারণেই ইসিএ বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ের সরকারদলীয় নেতা প্রভাবশালীদের পাথর উত্তোলনের সুযোগ দিতেই বাস্তবায়ন হচ্ছে না ইসিএ। এমনকি এ কারণেই গেজেটের চিঠি সিলেট আসতে প্রায় ১৬ মাস লেগেছে। জাফলং থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত পাথরের অর্থের ভাগ সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে শুরু করে স্থানীয় কর্মকর্তারাও পেয়ে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বেলা সিলেটের সমন্বয়ক শাহ শাহেদা আক্তার বলেন, গেজেট প্রকাশের ১৮ মাসেও ইসিএ বাস্তবায়ন হয়নি। এটি যাতে বাস্তবায়ন হয়, সেজন্য আমরা বিভিন্ন সরকারি অফিসে দৌড়ঝাঁপ করছি।

তিনি বলেন, পাথরখেকোদের সুযোগ করে দিতেই একটা বছর এ গেজেট লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে জানতেনই না। সম্প্রতি সিলেটের কর্মকর্তাদের কাছে এ ব্যাপারে চিঠি এসে পৌঁছেছে। তবে ইসিএ বাস্তবায়নের জন্য যে কমিটি গঠনের কথা ছিল, তা এখনো হয়নি।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের পরিচালক সালেহ উদ্দিন বলেন, ইসিএ বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা না হলেও আমরা জাফলংয়ের পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। এরই মধ্যে ‘বোমা মেশিন’ বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া গত ২৮ আগস্ট থেকে জাফলংয়ে একটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। সেখানে সার্বক্ষণিক একজন ম্যাজিস্ট্রেট থাকছেন। ফলে এখন জাফলংয়ের পরিবেশ অনেক ভালো।

ইসিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রায় ১৫ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাথর উত্তোলনের জন্য এ এলাকা অনেকেই সরকার থেকে ইজারা নিয়েছে। সরকারকে এ বাবদ রাজস্বও দিচ্ছে। তাই আমরা চাইলেই বন্ধ করতে পারি না। ইসিএ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের পর এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবে।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, ইসিএ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের। আমরা এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে তাগাদা দিচ্ছি। সরকারি কর্মকর্তাদের বাইরে সংশ্লিষ্ট কারা কমিটিতে থাকবেন, এ ব্যাপারেও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। আশা করছি, শিগগিরই কমিটি গঠন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন

পাথর উত্তোলন : সৌন্দর্য হারাচ্ছে প্রকৃতিকন্যা জাফলং

আপডেট টাইম : ১০:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৬

লন করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এতে পর্যটনকেন্দ্রটির সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি হুমকিতে পড়ছে পরিবেশও। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি জাফলংকে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। নিয়ম অনুযায়ী ইসিএ ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা। কিন্তু এ-বিষয়ক গেজেট প্রকাশের প্রায় ২০ মাস পরও সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে ইসিএ ঘোষণা থেকে গেছে কাগজে-কলমেই।

পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জাফলংকে ইসিএ ঘোষণার নির্দেশনা দেন আদালত। ওই নির্দেশনা অনুসারেই জাফলংকে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ হিসেবে ঘোষণা করে মন্ত্রণালয়। কিন্তু এ-বিষয়ক গেজেট প্রকাশের পর ২০ মাস পেরিয়ে গেলেও ইসিএ বাস্তবায়নে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এমনকি মন্ত্রণালয় থেকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে এ-বিষয়ক চিঠিটি পৌঁছাতেও সময় লেগেছে ১৬ মাস। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত গেজেটে বিভাগীয় কমিশনারকে আহ্বায়ক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে সদস্য সচিব করে ইসিএ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হলেও তা এখনো গঠিত হয়নি। ফলে পাথর উত্তোলনের মাধ্যমে জাফলংয়ে এখনো চলছে পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রম। এক্ষেত্রে পাথর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশেই ইসিএ বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

ভারতের পাহাড় থেকে নেমে আসা স্রোতস্বিনী পিয়াইন নদী জাফলংয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রধান অনুষঙ্গ। এ স্রোতের সঙ্গে পাহাড় থেকে নেমে আসে পাথরও। ফলে পিয়াইন নদী থেকে পাথর উত্তোলন চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। আর জাফলংও পরিচিতি পেয়েছে পাথর কোয়ারি হিসেবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে চাহিদার বিপরীতে নদীতে পাথরের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বিশেষ মেশিনের মাধ্যমে ভূ-অভ্যন্তর থেকে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। এসব মেশিন স্থানীয়ভাবে ‘বোমা মেশিন’ নামে পরিচিত। এ মেশিনের ব্যবহার শুরুর পর থেকে উচ্চ শব্দ ও ধুলার কারণে পর্যটকদের জন্য জাফলং রীতিমতো বিভীষিকায় পরিণত হয়। পাশাপাশি মেশিন দিয়ে নদীর তীর খুঁড়ে ফেলাসহ নানা কারণে বিনষ্ট হয় জাফলংয়ের পরিবেশও।

এ অবস্থায় বেলার করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত জাফলংয়ের নদীতে সব ধরনের মেশিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন। আদেশে জাফলংয়ে পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড রুখতে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রতি মাসে অন্তত একবার অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে জাফলংকে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণারও নির্দেশ দেয়া হয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি জাফলংকে ইসিএ ঘোষণা করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাফলংয়ের ১৪ দশমিক ৯৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের পাথর তোলা নিষিদ্ধ। কিন্তু এ নিষিধাজ্ঞা অমান্য করে ইসিএ এলাকার সবখানেই পাথর উত্তোলন চলছে। বন্ধ হয়নি ‘বোমা মেশিন’ও। পাথর ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য থেকে এমনকি বাদ যাচ্ছে না বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্টও।

পাথর উত্তোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারণেই ইসিএ বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ের সরকারদলীয় নেতা প্রভাবশালীদের পাথর উত্তোলনের সুযোগ দিতেই বাস্তবায়ন হচ্ছে না ইসিএ। এমনকি এ কারণেই গেজেটের চিঠি সিলেট আসতে প্রায় ১৬ মাস লেগেছে। জাফলং থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত পাথরের অর্থের ভাগ সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে শুরু করে স্থানীয় কর্মকর্তারাও পেয়ে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বেলা সিলেটের সমন্বয়ক শাহ শাহেদা আক্তার বলেন, গেজেট প্রকাশের ১৮ মাসেও ইসিএ বাস্তবায়ন হয়নি। এটি যাতে বাস্তবায়ন হয়, সেজন্য আমরা বিভিন্ন সরকারি অফিসে দৌড়ঝাঁপ করছি।

তিনি বলেন, পাথরখেকোদের সুযোগ করে দিতেই একটা বছর এ গেজেট লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে জানতেনই না। সম্প্রতি সিলেটের কর্মকর্তাদের কাছে এ ব্যাপারে চিঠি এসে পৌঁছেছে। তবে ইসিএ বাস্তবায়নের জন্য যে কমিটি গঠনের কথা ছিল, তা এখনো হয়নি।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের পরিচালক সালেহ উদ্দিন বলেন, ইসিএ বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা না হলেও আমরা জাফলংয়ের পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। এরই মধ্যে ‘বোমা মেশিন’ বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া গত ২৮ আগস্ট থেকে জাফলংয়ে একটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। সেখানে সার্বক্ষণিক একজন ম্যাজিস্ট্রেট থাকছেন। ফলে এখন জাফলংয়ের পরিবেশ অনেক ভালো।

ইসিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রায় ১৫ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাথর উত্তোলনের জন্য এ এলাকা অনেকেই সরকার থেকে ইজারা নিয়েছে। সরকারকে এ বাবদ রাজস্বও দিচ্ছে। তাই আমরা চাইলেই বন্ধ করতে পারি না। ইসিএ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের পর এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবে।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, ইসিএ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের। আমরা এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে তাগাদা দিচ্ছি। সরকারি কর্মকর্তাদের বাইরে সংশ্লিষ্ট কারা কমিটিতে থাকবেন, এ ব্যাপারেও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। আশা করছি, শিগগিরই কমিটি গঠন করা হবে।