ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি ফুটবলে এবার ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’ সাত ইসলামী দলের ঐক্য গড়তে মতবিরোধ কমছে শ্রম আদালতের মামলাজট নিরসনে কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্পট পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি কোয়ার্টার তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রাক্তনকে ক্ষমা করতে চান না পরী জ্বালানি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: আইনমন্ত্রী অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, দিলেন যে ব্যাখ্যা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি: এক লাখ ৮০ হাজার জনের নাম চূড়ান্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ১০০ বার

২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ছয় ধাপে বাংলাদেশ এই তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করে।  আরও ৭০ হাজার রোহিঙ্গার নাম ও ছবি যাচাইয়ের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার।

এই তথ্য শুক্রবার ব্যাংককে বিমস্টেকের ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানকে জানিয়েছেন মিয়ানমারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউ থান শিউ।

এটি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রথমবারের মতো একটি নিশ্চিত তালিকা, যা দীর্ঘদিন ধরে চলা সংকট সমাধানের পথে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মিয়ানমার আরও জানিয়েছে, বাকি ৫ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।

সাক্ষাতে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে সরকার।

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও স্বেচ্ছামূলক সমাধানের জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছে।

বাংলাদেশের কক্সবাজার ও ভাসানচরে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে, যাদের অধিকাংশই ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসে।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশ বারবার বলেছে, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করাটা জরুরি।

এছাড়া, রোহিঙ্গা শরণার্থীরা নিজ দেশে ফেরত যেতে ইচ্ছুক হলেও তারা নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের নিশ্চয়তা দাবি করে আসছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরণের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে প্রত্যাবাসনের পথ উন্মুক্ত হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি: এক লাখ ৮০ হাজার জনের নাম চূড়ান্ত

আপডেট টাইম : ০৬:৪৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ছয় ধাপে বাংলাদেশ এই তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করে।  আরও ৭০ হাজার রোহিঙ্গার নাম ও ছবি যাচাইয়ের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার।

এই তথ্য শুক্রবার ব্যাংককে বিমস্টেকের ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানকে জানিয়েছেন মিয়ানমারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউ থান শিউ।

এটি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রথমবারের মতো একটি নিশ্চিত তালিকা, যা দীর্ঘদিন ধরে চলা সংকট সমাধানের পথে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মিয়ানমার আরও জানিয়েছে, বাকি ৫ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।

সাক্ষাতে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে সরকার।

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও স্বেচ্ছামূলক সমাধানের জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছে।

বাংলাদেশের কক্সবাজার ও ভাসানচরে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে, যাদের অধিকাংশই ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসে।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশ বারবার বলেছে, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করাটা জরুরি।

এছাড়া, রোহিঙ্গা শরণার্থীরা নিজ দেশে ফেরত যেতে ইচ্ছুক হলেও তারা নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের নিশ্চয়তা দাবি করে আসছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরণের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে প্রত্যাবাসনের পথ উন্মুক্ত হতে পারে।