ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা হঠাৎ যেন বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নতুন নাম দিলেন সোহেল তাজ বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া সরকার : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ সমর্থন করা সংবাদমাধ্যমকে বয়কট করতে বললেন তথ্যমন্ত্রী মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

মদনে কলা গাছের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:২১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৩৭ বার

জেলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ এ সব লিখলে কি হবে ? সরকার কি শুনবে ? ২১ বছর যাবৎ আমরা কলা গাছ, বাশঁ দিয়ে তৈরি করে শহীদ মিনারে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাই। এভাবেই আপেক্ষ করে বলেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান।

নেত্রকোনার মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের বাগজান কুঠুরিকোনা মডেল হাই স্কুল। হাওরাঞ্চল এলাকায় অবস্থিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই কোন শহীদ মিনার। ২০০৪ সালে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৪ সালে এমপিও পায়। হাওরাঞ্চলের এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থায়ী ভাবে শহীদ মিনার বানিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

বাগজান কুঠুরিকোনা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারী) সকালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোনো শহীদ মিনার নেই। ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহানাজ, লামিয়া, রিয়া মনি বলেন, শহীদ মিনার নেই তাতে কী ? তাই বলে কী ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবো না ? আমরা প্রতি বছর এভাবে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে সেখানে ফুল দেই।

ওই বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, টাকার অভাবে প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে কয়েক বার আবেদন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কোন বরাদ্দ পায়নি। তাই একুশে ফেব্রয়ারী এলে স্কুলের মাঠে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে আমরা শ্রদ্ধা নিবেদন করি।

বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক গোলাম রব্বানী বলেন, শহীদ মিনার নেই। তাই একুশে ফেব্রুয়ারীর আগের দিন বিদ্যালয়ের মাঠে কলাগাছের শহীদ মিনার বানানো হয়, তাতে কাগজ মুড়িয়ে সুন্দর করা হয়, শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল বারী জানান, যে সকল বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই সে সকল প্রধান শিক্ষককে বলেছি ইউএনও স্যারের বরাবর একটি করে আবেদন দেয়ার জন্য। স্যার বিষয়টি নজরে নিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অহনা জিন্নাত বলেন, যে সকল বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই তাদের তালিকা চেয়েছি। এভারেই বিদ্যালয় গুলোতে শহীদ মিনার তৈরি করে দেয়া হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

মদনে কলা গাছের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন

আপডেট টাইম : ০৬:২১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জেলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ এ সব লিখলে কি হবে ? সরকার কি শুনবে ? ২১ বছর যাবৎ আমরা কলা গাছ, বাশঁ দিয়ে তৈরি করে শহীদ মিনারে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাই। এভাবেই আপেক্ষ করে বলেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান।

নেত্রকোনার মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের বাগজান কুঠুরিকোনা মডেল হাই স্কুল। হাওরাঞ্চল এলাকায় অবস্থিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই কোন শহীদ মিনার। ২০০৪ সালে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৪ সালে এমপিও পায়। হাওরাঞ্চলের এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থায়ী ভাবে শহীদ মিনার বানিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

বাগজান কুঠুরিকোনা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারী) সকালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোনো শহীদ মিনার নেই। ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহানাজ, লামিয়া, রিয়া মনি বলেন, শহীদ মিনার নেই তাতে কী ? তাই বলে কী ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবো না ? আমরা প্রতি বছর এভাবে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে সেখানে ফুল দেই।

ওই বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, টাকার অভাবে প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে কয়েক বার আবেদন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কোন বরাদ্দ পায়নি। তাই একুশে ফেব্রয়ারী এলে স্কুলের মাঠে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে আমরা শ্রদ্ধা নিবেদন করি।

বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক গোলাম রব্বানী বলেন, শহীদ মিনার নেই। তাই একুশে ফেব্রুয়ারীর আগের দিন বিদ্যালয়ের মাঠে কলাগাছের শহীদ মিনার বানানো হয়, তাতে কাগজ মুড়িয়ে সুন্দর করা হয়, শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল বারী জানান, যে সকল বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই সে সকল প্রধান শিক্ষককে বলেছি ইউএনও স্যারের বরাবর একটি করে আবেদন দেয়ার জন্য। স্যার বিষয়টি নজরে নিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অহনা জিন্নাত বলেন, যে সকল বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই তাদের তালিকা চেয়েছি। এভারেই বিদ্যালয় গুলোতে শহীদ মিনার তৈরি করে দেয়া হবে।