ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

দুর্নীতিবাজ-লুটেরাদের বিচার হবে না

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ৩৩০ বার

পীর হাবিবুর রহমান

এই দুর্নীতিবাজদের বিচার হবে না? মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করেছেন। আত্মস্বীকৃত এসব খুনিকে সামরিক ও গণতান্ত্রিক সরকারগুলো রাষ্ট্রীয় পুরস্কার, রাজনীতির নামে দম্ভ, আস্ফালনের সুযোগ দিয়েছিল। আর ইনডেমনিটির দোহাই দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কাপুরুষোচিতভাবে নৃশংসতার সঙ্গে হত্যা করে যে খুনিরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলো তাদের রক্ষা করেছিলো। সেই হত্যাকাণ্ড ছিলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ফসল। সেই খুনিরা যারা কোনোদিন ভাবেনি তাদের গায়ে কেউ স্পর্শ করতে পারবে, তাদের বিচার করে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এমনকি তিনি দ্বিতীয় দফা ক্ষমতায় এসে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন।

এদের বাঁচাতে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এদের রক্ষা করতে বিশ্বমোড়লরা টেলিফোন করেছেন। এমনকি সর্বশেষ বর্বরবাহিনীর যে নেতা মীর কাসেম আলী ফাঁসিতে ঝুললেন, তিনি ছিলেন জামায়াতের অর্থ ও মিডিয়া মোড়ল। টাকার জোরে নিজের জীবন নয়, মানবতা বিরোধী অপরাধীদেরও রক্ষার চেষ্টা করেছেন। টাকা সব পানিতে গেছে। ফাঁসিতে গেছে তাদের জীবন। তবু শেষ রক্ষা হয়নি। সরকারের ভিতরেও অনেকে একদিন বিশ্বাস করতেন না, এদের এভাবে বিচার হবে এবং ফাঁসিতে ঝুলতে হবে। কিন্তু মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা তার সিদ্ধান্ত ও নীতিতে অটল ছিলেন। ৭১ নিয়ে জেগে উঠেছিলেন। তখন প্রজন্মের সামনে ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে যে ইস্যুটি নিয়ে এসেছিলেন তাতে দিনবদলের সনদে গণরায় অর্জন করেন। বহু আন্তর্জাতিক শক্তির চোখে রাঙ্গানি, তদবির উপেক্ষা করেই তিনি অবিচল ছিলেন মাথা উঁচু করে।

কিন্তু শেখ হাসিনা যখন বিশ্ব তোলপাড় করা আন্তর্জাতিক পরাজিত শক্তির দোসরদের এভাবে ফাঁসিতে ঝুলাতে পারেন, তিনি কেন দেশের জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের বিচার করতে পারবেন না? অবশ্যই পারবেন। তিনি না পারলে আর কেউ পারবেন না। মানুষের প্রত্যাশা তাকে পারতেই হবে। কারণ ৭১ ও ৭৫ এর খুনিদের নেপথ্যে আন্তর্জাতিক শক্তিধর রাষ্ট্রনায়করা ছিলেন। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরে যারা শেয়ার কেলেঙ্কারি করে গরীব মানুষের অর্থ লুট করে, ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। এই লাখো বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করে ২০১০ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারিতেই যারা ২০ হাজার কোটি টাকা লুট করে মানুষের আর্তনাদে দেশের বাতাস ভারি করেছে। যারা বিদেশ পালিয়েছে, যারা বহাল তবিয়তে দেশেই আছে এবং দেশের অর্থনীতির ব্যবসা বাণিজ্য আর শেয়ার বাজারে দাপটের সঙ্গেই চলছে, এরা অর্থনৈতিক দুর্বৃত্ত। এদের নাম শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারী, রাজনীতিবিদ, আমলা, গোয়েন্দা সংস্থা, গণমাধ্যমকর্মী, সিভিল সোসাইটিসহ সবাই জানেন। তবু আইনের ফাঁকফোকর গলে তারা বেরিয়ে যায়। নাহয় কোন এক অদৃশ্য শক্তির বলে এরা বহাল তবিয়তে দম্ভের সঙ্গে হেঁটে বেড়ায়। অর্থমন্ত্রী পর্যন্ত রাজসাক্ষীর মতোন অসহায়ভাবে সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, এদের হাত অনেক লম্বা। রাষ্ট্রায়ত্ব ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে লুটের পরিমাণ কম নয়। ১৫ হাজার কোটি টাকা সোনালী, বেসিকসহ নানা ব্যাংক থেকে লুট হয়েছে।

কারা এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, তাদের নাম সর্বত্র আলোচিত হয়। কারা লুটে নিয়ে, কারা কমিশন পেয়ে লুটপাটে দুহাতে সাহায্য করলো- সবার নামই আছে। একজনের বেলায় অর্থমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, আমাদের লোকজনের বাঁধার কারণে এদের ধরা যায়নি। কারা এরা? ব্যাংক কেলেঙ্কারির লুটেরাদের অবশ্যই ধরতে হবে।

শেয়ার ও ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত সবাইকে প্রাপ্য শাস্তি দিতে পারলে আর যাই হোক পুঁজিবাজার ও ব্যাংক পাড়ায় লাভ-লোকশান হতে পারে, লুটপাটের দুয়ারে তালা ঝুলবে। অর্থনীতিতে ফিরে আসবে শৃঙ্খলা। দুদক বহুদিন পর এবার নড়াচড়া শুরু করেছে। শুভ লক্ষ্মণ। ইঙ্গিতবহ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পারেন যেভাবে দেশজুড়ে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের সঙ্গে কেউ কেউ দুর্নীতিতে গা ভাসিয়েছেন তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে। অপরাধীর শাস্তি প্রাপ্য, এটা নিশ্চিত করাটাই এখন জরুরি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরই বলেন এবং এটি সত্য যে, তার বড় পরিচয় তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা। বঙ্গবন্ধু জীবনের শেষদিনও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেছেন। দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট করার ডাক দিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যে সাহস আর দৃঢ়তা নিয়ে ৭১ ও ৭৫ এর খুনিদের বিচার করেছেন, সেই সাহস নিয়েই দেশ ও মানুষের কল্যাণে দুর্নীতির লুটপাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন। শেয়ারবাজার ব্যাংক আর দেশজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সংঘঠিত দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন। পারেন অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

দুর্নীতিবাজ-লুটেরাদের বিচার হবে না

আপডেট টাইম : ১২:৩২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬

পীর হাবিবুর রহমান

এই দুর্নীতিবাজদের বিচার হবে না? মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করেছেন। আত্মস্বীকৃত এসব খুনিকে সামরিক ও গণতান্ত্রিক সরকারগুলো রাষ্ট্রীয় পুরস্কার, রাজনীতির নামে দম্ভ, আস্ফালনের সুযোগ দিয়েছিল। আর ইনডেমনিটির দোহাই দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কাপুরুষোচিতভাবে নৃশংসতার সঙ্গে হত্যা করে যে খুনিরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলো তাদের রক্ষা করেছিলো। সেই হত্যাকাণ্ড ছিলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ফসল। সেই খুনিরা যারা কোনোদিন ভাবেনি তাদের গায়ে কেউ স্পর্শ করতে পারবে, তাদের বিচার করে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এমনকি তিনি দ্বিতীয় দফা ক্ষমতায় এসে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন।

এদের বাঁচাতে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এদের রক্ষা করতে বিশ্বমোড়লরা টেলিফোন করেছেন। এমনকি সর্বশেষ বর্বরবাহিনীর যে নেতা মীর কাসেম আলী ফাঁসিতে ঝুললেন, তিনি ছিলেন জামায়াতের অর্থ ও মিডিয়া মোড়ল। টাকার জোরে নিজের জীবন নয়, মানবতা বিরোধী অপরাধীদেরও রক্ষার চেষ্টা করেছেন। টাকা সব পানিতে গেছে। ফাঁসিতে গেছে তাদের জীবন। তবু শেষ রক্ষা হয়নি। সরকারের ভিতরেও অনেকে একদিন বিশ্বাস করতেন না, এদের এভাবে বিচার হবে এবং ফাঁসিতে ঝুলতে হবে। কিন্তু মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা তার সিদ্ধান্ত ও নীতিতে অটল ছিলেন। ৭১ নিয়ে জেগে উঠেছিলেন। তখন প্রজন্মের সামনে ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে যে ইস্যুটি নিয়ে এসেছিলেন তাতে দিনবদলের সনদে গণরায় অর্জন করেন। বহু আন্তর্জাতিক শক্তির চোখে রাঙ্গানি, তদবির উপেক্ষা করেই তিনি অবিচল ছিলেন মাথা উঁচু করে।

কিন্তু শেখ হাসিনা যখন বিশ্ব তোলপাড় করা আন্তর্জাতিক পরাজিত শক্তির দোসরদের এভাবে ফাঁসিতে ঝুলাতে পারেন, তিনি কেন দেশের জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের বিচার করতে পারবেন না? অবশ্যই পারবেন। তিনি না পারলে আর কেউ পারবেন না। মানুষের প্রত্যাশা তাকে পারতেই হবে। কারণ ৭১ ও ৭৫ এর খুনিদের নেপথ্যে আন্তর্জাতিক শক্তিধর রাষ্ট্রনায়করা ছিলেন। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরে যারা শেয়ার কেলেঙ্কারি করে গরীব মানুষের অর্থ লুট করে, ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। এই লাখো বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করে ২০১০ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারিতেই যারা ২০ হাজার কোটি টাকা লুট করে মানুষের আর্তনাদে দেশের বাতাস ভারি করেছে। যারা বিদেশ পালিয়েছে, যারা বহাল তবিয়তে দেশেই আছে এবং দেশের অর্থনীতির ব্যবসা বাণিজ্য আর শেয়ার বাজারে দাপটের সঙ্গেই চলছে, এরা অর্থনৈতিক দুর্বৃত্ত। এদের নাম শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারী, রাজনীতিবিদ, আমলা, গোয়েন্দা সংস্থা, গণমাধ্যমকর্মী, সিভিল সোসাইটিসহ সবাই জানেন। তবু আইনের ফাঁকফোকর গলে তারা বেরিয়ে যায়। নাহয় কোন এক অদৃশ্য শক্তির বলে এরা বহাল তবিয়তে দম্ভের সঙ্গে হেঁটে বেড়ায়। অর্থমন্ত্রী পর্যন্ত রাজসাক্ষীর মতোন অসহায়ভাবে সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, এদের হাত অনেক লম্বা। রাষ্ট্রায়ত্ব ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে লুটের পরিমাণ কম নয়। ১৫ হাজার কোটি টাকা সোনালী, বেসিকসহ নানা ব্যাংক থেকে লুট হয়েছে।

কারা এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, তাদের নাম সর্বত্র আলোচিত হয়। কারা লুটে নিয়ে, কারা কমিশন পেয়ে লুটপাটে দুহাতে সাহায্য করলো- সবার নামই আছে। একজনের বেলায় অর্থমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, আমাদের লোকজনের বাঁধার কারণে এদের ধরা যায়নি। কারা এরা? ব্যাংক কেলেঙ্কারির লুটেরাদের অবশ্যই ধরতে হবে।

শেয়ার ও ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত সবাইকে প্রাপ্য শাস্তি দিতে পারলে আর যাই হোক পুঁজিবাজার ও ব্যাংক পাড়ায় লাভ-লোকশান হতে পারে, লুটপাটের দুয়ারে তালা ঝুলবে। অর্থনীতিতে ফিরে আসবে শৃঙ্খলা। দুদক বহুদিন পর এবার নড়াচড়া শুরু করেছে। শুভ লক্ষ্মণ। ইঙ্গিতবহ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পারেন যেভাবে দেশজুড়ে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের সঙ্গে কেউ কেউ দুর্নীতিতে গা ভাসিয়েছেন তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে। অপরাধীর শাস্তি প্রাপ্য, এটা নিশ্চিত করাটাই এখন জরুরি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরই বলেন এবং এটি সত্য যে, তার বড় পরিচয় তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা। বঙ্গবন্ধু জীবনের শেষদিনও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেছেন। দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট করার ডাক দিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যে সাহস আর দৃঢ়তা নিয়ে ৭১ ও ৭৫ এর খুনিদের বিচার করেছেন, সেই সাহস নিয়েই দেশ ও মানুষের কল্যাণে দুর্নীতির লুটপাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন। শেয়ারবাজার ব্যাংক আর দেশজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সংঘঠিত দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন। পারেন অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে।