ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা ‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’, আলোচিত বিআরটিএ কর্মকর্তা এবার ঢাকায় বদলি

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারীর সাক্ষাৎ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১০০ বার

প্রায় এক দশক পর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী।

শনিবার  রাতে রাজধানীর গুলশানে বেগম জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’তে দেখা করেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে মুশফিকুল ফজল আনসারী সাংবাদিকদের বলেন, বেগম খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, আমি উনার সঙ্গে কাজ করতাম (খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেস সচিব ছিলেন)। আমি ব্যক্তিগতভাবে উনাকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলাম। উনি অসুস্থ্য, তারপরও উনার মনোবল অনেক শক্ত দেখতে পেয়েছি। মানুষের প্রতি যে উনার মমত্ববোধ-ভালোবাসা, সেটা আজকের আলোচনায়ও ফুটে উঠেছে। নিশ্চয়ই বাংলাদেশের মানুষ তার জন্য দোয়া করবেন, তিনি সেরে উঠবেন।

তিনি আরও বলেন, বিদেশে বেগম খালেদা জিয়ার অনেক বন্ধু-শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছেন। কংগ্রেসম্যান, সিনেটর তথা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন ধরে জড়িত, তারা প্রায়ই উনার খবর রাখেন, উনার স্বাস্থ্যের কী অবস্থা। সে সুবাদে আমি জেনে গেলাম। তাদেরও উনার ব্যাপারে বলতে আমার সুবিধা হবে।

মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, সরকারে এবং বিরোধী দলে থেকেও বেগম খালেদা জিয়া মানুষের জন্য রাজনীতি করতেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট সর্বশেষ যে মানবাধিকার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে বলেছে- রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চক্রান্ত করেই বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ম্যাডামের শারীরিক বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে উনাকে আমার মানসিকভাবে শক্ত মনে হয়েছে। উনি এটা আমাকে বলেছেন যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মানুষের খুব কষ্ট হয়েছে। অনেক মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছে, গুম হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারীর সাক্ষাৎ

আপডেট টাইম : ১০:০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

প্রায় এক দশক পর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী।

শনিবার  রাতে রাজধানীর গুলশানে বেগম জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’তে দেখা করেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে মুশফিকুল ফজল আনসারী সাংবাদিকদের বলেন, বেগম খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, আমি উনার সঙ্গে কাজ করতাম (খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেস সচিব ছিলেন)। আমি ব্যক্তিগতভাবে উনাকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলাম। উনি অসুস্থ্য, তারপরও উনার মনোবল অনেক শক্ত দেখতে পেয়েছি। মানুষের প্রতি যে উনার মমত্ববোধ-ভালোবাসা, সেটা আজকের আলোচনায়ও ফুটে উঠেছে। নিশ্চয়ই বাংলাদেশের মানুষ তার জন্য দোয়া করবেন, তিনি সেরে উঠবেন।

তিনি আরও বলেন, বিদেশে বেগম খালেদা জিয়ার অনেক বন্ধু-শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছেন। কংগ্রেসম্যান, সিনেটর তথা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন ধরে জড়িত, তারা প্রায়ই উনার খবর রাখেন, উনার স্বাস্থ্যের কী অবস্থা। সে সুবাদে আমি জেনে গেলাম। তাদেরও উনার ব্যাপারে বলতে আমার সুবিধা হবে।

মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, সরকারে এবং বিরোধী দলে থেকেও বেগম খালেদা জিয়া মানুষের জন্য রাজনীতি করতেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট সর্বশেষ যে মানবাধিকার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে বলেছে- রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চক্রান্ত করেই বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ম্যাডামের শারীরিক বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে উনাকে আমার মানসিকভাবে শক্ত মনে হয়েছে। উনি এটা আমাকে বলেছেন যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মানুষের খুব কষ্ট হয়েছে। অনেক মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছে, গুম হয়েছে।