ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

জন্মদিন নিয়ে মামলায় খালেদা জিয়াকে সমন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৬
  • ৪১৮ বার

ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মাজহারুল ইসলাম এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে সমনে আগামি ১৭ অক্টোবর আদালতে হাজির হওয়ার জন্য দিন ধার্য করা হয়।

এই দিন সকালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম দণ্ডবিধির ১৯৮/৪৬৯ ধারার অভিযোগ এনে এ নালিশী মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় বাদীর আইনজীবী দুলাল মিত্র জানান, মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৯৮ ধারায় ১৫ আগস্ট জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা জন্ম দিনকে সত্য বলে প্রচার করে তা পালন করা এবং ৪৬৯ ধারায় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সুনাম নষ্ট করার অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন মাধ্যমে খালেদা জিয়ার পাঁচটি জন্মদিন পাওয়া গেলেও কোথাও ১৫ আগস্ট পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় তিনি পাঁচটি জন্মদিনের একটিও পালন না করে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীর জাতীয় শোক দিবসে আনন্দ উৎসব করে জন্মদিন পালন করে আসছেন। শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য তিনি ওইদিন জন্মদিন পালন করেন।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার একাধিক জন্মদিন নিয়ে ১৯৯৭ সালে দুই জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিট অনুযায়ী জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। ১৯৯১ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একটি দৈনিকে তার জীবনী প্রকাশিত হয়। এতে দেখা যায় তার জন্মদিন ১৯ আগস্ট ১৯৪৫ সাল। তার বিয়ের কাবিননামায় জন্মদিন ৪ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। সর্বশেষ ২০০১ সালে মেশিন রিডেবল পার্সপোর্ট অনুযায়ী তার জন্মদিন ৫ আগস্ট ১৯৪৬ সাল।

মামলার বাদী একজন নাগরিক ও সচেতন সাংবাদিক হিসাবে জাতির পিতাকে অশ্রদ্ধা ও বর্ণনাকৃত অপরাধজনক কর্মকাণ্ড করায় মারাত্মক ভাবে সংক্ষুব্ধ হয়ে এ মামলা দায়ের করেন বলেও তার আইনজীবী আরও জানান।

চলতি বছর খালেদা জিয়া কেক না কাটলেও তার জন্মদিন পালন করতে মিলাদের আয়োজন করে বিএনপি।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্ট জন্মদিন হিসেবে পালন শুরু করেন খালেদা জিয়া। ওই বছরেই এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। কয়েক বছর পর থেকে কেক কেটে ঘটা করে এই দিনটিতে জন্মদিন উদযাপন শুরু করেন খালেদা জিয়া। আওয়ামী লীগের অভিযোগ, বঙ্গবন্ধু হত্যার দিনটিতে কর্মী সমর্থকদের উল্লাস প্রকাশের সুযোগ করে দেন খালেদা জিয়া। এ কারণেই মিথ্যা জন্মদিন উদযাপন করেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

জন্মদিন নিয়ে মামলায় খালেদা জিয়াকে সমন

আপডেট টাইম : ১১:১৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৬

ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মাজহারুল ইসলাম এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে সমনে আগামি ১৭ অক্টোবর আদালতে হাজির হওয়ার জন্য দিন ধার্য করা হয়।

এই দিন সকালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম দণ্ডবিধির ১৯৮/৪৬৯ ধারার অভিযোগ এনে এ নালিশী মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় বাদীর আইনজীবী দুলাল মিত্র জানান, মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৯৮ ধারায় ১৫ আগস্ট জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা জন্ম দিনকে সত্য বলে প্রচার করে তা পালন করা এবং ৪৬৯ ধারায় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সুনাম নষ্ট করার অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন মাধ্যমে খালেদা জিয়ার পাঁচটি জন্মদিন পাওয়া গেলেও কোথাও ১৫ আগস্ট পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় তিনি পাঁচটি জন্মদিনের একটিও পালন না করে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীর জাতীয় শোক দিবসে আনন্দ উৎসব করে জন্মদিন পালন করে আসছেন। শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য তিনি ওইদিন জন্মদিন পালন করেন।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার একাধিক জন্মদিন নিয়ে ১৯৯৭ সালে দুই জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিট অনুযায়ী জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। ১৯৯১ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একটি দৈনিকে তার জীবনী প্রকাশিত হয়। এতে দেখা যায় তার জন্মদিন ১৯ আগস্ট ১৯৪৫ সাল। তার বিয়ের কাবিননামায় জন্মদিন ৪ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। সর্বশেষ ২০০১ সালে মেশিন রিডেবল পার্সপোর্ট অনুযায়ী তার জন্মদিন ৫ আগস্ট ১৯৪৬ সাল।

মামলার বাদী একজন নাগরিক ও সচেতন সাংবাদিক হিসাবে জাতির পিতাকে অশ্রদ্ধা ও বর্ণনাকৃত অপরাধজনক কর্মকাণ্ড করায় মারাত্মক ভাবে সংক্ষুব্ধ হয়ে এ মামলা দায়ের করেন বলেও তার আইনজীবী আরও জানান।

চলতি বছর খালেদা জিয়া কেক না কাটলেও তার জন্মদিন পালন করতে মিলাদের আয়োজন করে বিএনপি।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্ট জন্মদিন হিসেবে পালন শুরু করেন খালেদা জিয়া। ওই বছরেই এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। কয়েক বছর পর থেকে কেক কেটে ঘটা করে এই দিনটিতে জন্মদিন উদযাপন শুরু করেন খালেদা জিয়া। আওয়ামী লীগের অভিযোগ, বঙ্গবন্ধু হত্যার দিনটিতে কর্মী সমর্থকদের উল্লাস প্রকাশের সুযোগ করে দেন খালেদা জিয়া। এ কারণেই মিথ্যা জন্মদিন উদযাপন করেন তিনি।