ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মায়েরও

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪
  • ১৩ বার

মনোহরদীতে বিদ্যুতায়িত ছেলের জীবন বাঁচাতে গিয়ে মায়েরও মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ছেলেও মারা যান। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের চরমান্দালিয়া গাঙ্কুলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন- ওই এলাকার আব্দুল মান্নানের স্ত্রী ওয়াহিদা খাতুন (৫৭) ও তার ছেলে ফারুক হোসেন (৩৬)। ফারুক পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুপুর ২টার দিকে বাজার থেকে মাছ বিক্রি শেষে বাড়িতে আসেন ফারুক। পরে গোসল করে উঠানে জিআই তারে লুঙ্গি টানাতে যান। এসময় তিনি বিদ্যুতায়িত হন। এ সময় পাশেই কাজ করছিলেন মা ওয়াহিদা। তিনি ফারুককে বাঁচাতে তার গায়ে হাত দিলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে দুজনেই মারা যান। পরে প্রতিবেশীরা এসে দুজনের লাশ উদ্ধার করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, কাপড় শুকানোর জন্য উঠানের ওপর দিয়ে এক ঘরের চাল থেকে অপর ঘরের চাল পর্যন্ত জিআই তার টানানো ছিল। ঘরে বিদ্যুতের তার ছিদ্র হয়ে আগেই পুরো ঘরসহ জিআই তারে বিদ্যুৎ সংযোগ লেগে যায়। পরে ভিজা কাপড় লাগামাত্রই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ফারুক।

রামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. ইউসুফ আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মায়েরও

আপডেট টাইম : ১০:২৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪

মনোহরদীতে বিদ্যুতায়িত ছেলের জীবন বাঁচাতে গিয়ে মায়েরও মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ছেলেও মারা যান। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের চরমান্দালিয়া গাঙ্কুলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন- ওই এলাকার আব্দুল মান্নানের স্ত্রী ওয়াহিদা খাতুন (৫৭) ও তার ছেলে ফারুক হোসেন (৩৬)। ফারুক পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুপুর ২টার দিকে বাজার থেকে মাছ বিক্রি শেষে বাড়িতে আসেন ফারুক। পরে গোসল করে উঠানে জিআই তারে লুঙ্গি টানাতে যান। এসময় তিনি বিদ্যুতায়িত হন। এ সময় পাশেই কাজ করছিলেন মা ওয়াহিদা। তিনি ফারুককে বাঁচাতে তার গায়ে হাত দিলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে দুজনেই মারা যান। পরে প্রতিবেশীরা এসে দুজনের লাশ উদ্ধার করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, কাপড় শুকানোর জন্য উঠানের ওপর দিয়ে এক ঘরের চাল থেকে অপর ঘরের চাল পর্যন্ত জিআই তার টানানো ছিল। ঘরে বিদ্যুতের তার ছিদ্র হয়ে আগেই পুরো ঘরসহ জিআই তারে বিদ্যুৎ সংযোগ লেগে যায়। পরে ভিজা কাপড় লাগামাত্রই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ফারুক।

রামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. ইউসুফ আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।