ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হয়েছে ১০ ব্যাংক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০১৬
  • ৪৬৮ বার

গত এক বছরে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে দেশের ১০টি ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছয়টি সরকারি, তিনটি বেসরকারি ও একটি বিদেশি ব্যাংক। এসব ব্যাংক থেকে ৮৪২ কোটি টাকা কেটে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্র জানিয়েছে, সব ব্যাংক মিলে গত অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বেশি কৃষি ঋণ বিতরণ হয়েছে।

এতে বেশিরভাগ ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে। এজন্য সামগ্রিক পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি ব্যাংক। এ কারণে সামগ্রিক চিত্রে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ ব্যাংকগুলো হচ্ছে- সরকারি মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বিডিবিএল ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। এসব ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭০২ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম ঋণ বিতরণ করেছে।

বেসরকারি খাতের মধুমতি, এনআরবি গ্লোবাল ও ইউনিয়ন ব্যাংক কম দিয়েছে ৬৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আর বিদেশি মালিকানার ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এ খাতে এক টাকাও বিতরণ করেনি। অথচ ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিতরণ করা ঋণের ২ শতাংশ এবং নতুন ব্যাংকগুলোর ৫ শতাংশ হারে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকারি ব্যাংকগুলোকে এর তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে নেবে। আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এই ঋণ সক্ষম ব্যাংকগুলোতে বিতরণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হয়েছে ১০ ব্যাংক

আপডেট টাইম : ১২:১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০১৬

গত এক বছরে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে দেশের ১০টি ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছয়টি সরকারি, তিনটি বেসরকারি ও একটি বিদেশি ব্যাংক। এসব ব্যাংক থেকে ৮৪২ কোটি টাকা কেটে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্র জানিয়েছে, সব ব্যাংক মিলে গত অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বেশি কৃষি ঋণ বিতরণ হয়েছে।

এতে বেশিরভাগ ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে। এজন্য সামগ্রিক পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি ব্যাংক। এ কারণে সামগ্রিক চিত্রে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ ব্যাংকগুলো হচ্ছে- সরকারি মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বিডিবিএল ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। এসব ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭০২ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম ঋণ বিতরণ করেছে।

বেসরকারি খাতের মধুমতি, এনআরবি গ্লোবাল ও ইউনিয়ন ব্যাংক কম দিয়েছে ৬৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আর বিদেশি মালিকানার ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এ খাতে এক টাকাও বিতরণ করেনি। অথচ ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিতরণ করা ঋণের ২ শতাংশ এবং নতুন ব্যাংকগুলোর ৫ শতাংশ হারে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকারি ব্যাংকগুলোকে এর তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে নেবে। আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এই ঋণ সক্ষম ব্যাংকগুলোতে বিতরণ করা হবে।