ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প, ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা’ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য : এলজিআরডি মন্ত্রী ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১১ কর্মকর্তার পদোন্নতি ধর্ম যার যার এই বাংলাদেশ সবার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে : চিফ হুইপ নিষেধাজ্ঞার মাঝেও চলছে ইলিশ শিকার নতুন বাজেটে প্রবাসী শ্রমিকদের সুখবর দিল মালয়েশিয়া

কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হয়েছে ১০ ব্যাংক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০১৬
  • ৪৯৩ বার

গত এক বছরে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে দেশের ১০টি ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছয়টি সরকারি, তিনটি বেসরকারি ও একটি বিদেশি ব্যাংক। এসব ব্যাংক থেকে ৮৪২ কোটি টাকা কেটে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্র জানিয়েছে, সব ব্যাংক মিলে গত অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বেশি কৃষি ঋণ বিতরণ হয়েছে।

এতে বেশিরভাগ ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে। এজন্য সামগ্রিক পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি ব্যাংক। এ কারণে সামগ্রিক চিত্রে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ ব্যাংকগুলো হচ্ছে- সরকারি মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বিডিবিএল ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। এসব ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭০২ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম ঋণ বিতরণ করেছে।

বেসরকারি খাতের মধুমতি, এনআরবি গ্লোবাল ও ইউনিয়ন ব্যাংক কম দিয়েছে ৬৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আর বিদেশি মালিকানার ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এ খাতে এক টাকাও বিতরণ করেনি। অথচ ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিতরণ করা ঋণের ২ শতাংশ এবং নতুন ব্যাংকগুলোর ৫ শতাংশ হারে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকারি ব্যাংকগুলোকে এর তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে নেবে। আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এই ঋণ সক্ষম ব্যাংকগুলোতে বিতরণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প, ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা’ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন

কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হয়েছে ১০ ব্যাংক

আপডেট টাইম : ১২:১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০১৬

গত এক বছরে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে দেশের ১০টি ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছয়টি সরকারি, তিনটি বেসরকারি ও একটি বিদেশি ব্যাংক। এসব ব্যাংক থেকে ৮৪২ কোটি টাকা কেটে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্র জানিয়েছে, সব ব্যাংক মিলে গত অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বেশি কৃষি ঋণ বিতরণ হয়েছে।

এতে বেশিরভাগ ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে। এজন্য সামগ্রিক পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি ব্যাংক। এ কারণে সামগ্রিক চিত্রে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ ব্যাংকগুলো হচ্ছে- সরকারি মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বিডিবিএল ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। এসব ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭০২ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম ঋণ বিতরণ করেছে।

বেসরকারি খাতের মধুমতি, এনআরবি গ্লোবাল ও ইউনিয়ন ব্যাংক কম দিয়েছে ৬৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আর বিদেশি মালিকানার ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এ খাতে এক টাকাও বিতরণ করেনি। অথচ ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিতরণ করা ঋণের ২ শতাংশ এবং নতুন ব্যাংকগুলোর ৫ শতাংশ হারে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকারি ব্যাংকগুলোকে এর তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে নেবে। আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এই ঋণ সক্ষম ব্যাংকগুলোতে বিতরণ করা হবে।