ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হয়েছে ১০ ব্যাংক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০১৬
  • ৪৭২ বার

গত এক বছরে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে দেশের ১০টি ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছয়টি সরকারি, তিনটি বেসরকারি ও একটি বিদেশি ব্যাংক। এসব ব্যাংক থেকে ৮৪২ কোটি টাকা কেটে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্র জানিয়েছে, সব ব্যাংক মিলে গত অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বেশি কৃষি ঋণ বিতরণ হয়েছে।

এতে বেশিরভাগ ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে। এজন্য সামগ্রিক পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি ব্যাংক। এ কারণে সামগ্রিক চিত্রে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ ব্যাংকগুলো হচ্ছে- সরকারি মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বিডিবিএল ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। এসব ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭০২ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম ঋণ বিতরণ করেছে।

বেসরকারি খাতের মধুমতি, এনআরবি গ্লোবাল ও ইউনিয়ন ব্যাংক কম দিয়েছে ৬৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আর বিদেশি মালিকানার ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এ খাতে এক টাকাও বিতরণ করেনি। অথচ ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিতরণ করা ঋণের ২ শতাংশ এবং নতুন ব্যাংকগুলোর ৫ শতাংশ হারে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকারি ব্যাংকগুলোকে এর তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে নেবে। আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এই ঋণ সক্ষম ব্যাংকগুলোতে বিতরণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হয়েছে ১০ ব্যাংক

আপডেট টাইম : ১২:১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০১৬

গত এক বছরে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে দেশের ১০টি ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছয়টি সরকারি, তিনটি বেসরকারি ও একটি বিদেশি ব্যাংক। এসব ব্যাংক থেকে ৮৪২ কোটি টাকা কেটে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্র জানিয়েছে, সব ব্যাংক মিলে গত অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বেশি কৃষি ঋণ বিতরণ হয়েছে।

এতে বেশিরভাগ ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে। এজন্য সামগ্রিক পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি ব্যাংক। এ কারণে সামগ্রিক চিত্রে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ ব্যাংকগুলো হচ্ছে- সরকারি মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বিডিবিএল ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। এসব ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭০২ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম ঋণ বিতরণ করেছে।

বেসরকারি খাতের মধুমতি, এনআরবি গ্লোবাল ও ইউনিয়ন ব্যাংক কম দিয়েছে ৬৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আর বিদেশি মালিকানার ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এ খাতে এক টাকাও বিতরণ করেনি। অথচ ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিতরণ করা ঋণের ২ শতাংশ এবং নতুন ব্যাংকগুলোর ৫ শতাংশ হারে কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকারি ব্যাংকগুলোকে এর তুলনায় বেশি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী এ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কেটে নেবে। আগামী এক বছরের জন্য বিনা সুদে এই ঋণ সক্ষম ব্যাংকগুলোতে বিতরণ করা হবে।