ঢাকা ০৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
“ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন” মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ: রাজনীতি ও শিল্পে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস

লাদেন হত্যায় হাত ছিল ভারতেরও

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০১৬
  • ৪৮৪ বার

শুধু আমেরিকা বা তাদের নৌসেনার সিল টিম সিক্স নয়। আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করে হত্যা করতে ভারতও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক সাবেক প্রধানের বক্তব্যে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। ভারতের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান এস ডি প্রধান। পাশাপাশি, উপজাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবেও কাজ করেছেন। একটি সংবাদ চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে লাদেন হত্যায় ভারতের ভূমিকার ব্যাপারটা স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, অনেকদিন ধরেই গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করে ভারত ও আমেরিকার সংস্থাগুলি। যেমন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর এমন অনেক ষড়যন্ত্রের কথা আমেরিকা আগাম জানিয়েছে ভারতকে। ২০০৭ সালে সমঝোতা এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণের আগেও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ভারতকে সতর্ক করেছিল। একইভাবে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে ভারতও সাহায্য করেছিল আমেরিকাকে। যা লাদেন হত্যায় সহায়ক হয়েছিল।

কী ছিল সেই তথ্য? প্রধানের স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে ২০০৬-০৭ সালের সেই ঘটনাবলি। তাঁর দাবি, আল কায়েদা ও তালেবানের উপর নজর রাখার দায়িত্ব ছিল ভারতীয় গোয়েন্দাদের৷ চেষ্টা করা হত, এই দুই সংগঠনের শীর্ষনেতারা কোথায় কখন যাচ্ছেন, সে বিষয়ে খেয়াল রাখার। সেই সূত্রেই দেখা যায়, ওই বছর দু’বার পাক মাটিতে বৈঠক করেছেন আল কায়েদার তৎকালীন সেকেন্ড ইন কমান্ড আয়মান আল জাওয়াহিরি ও লাদেন ঘনিষ্ঠ তালেবান নেতা মোল্লা ওমর৷ দু’বারই বৈঠকের পর তাঁরা রাওয়ালপিন্ডি যান। সেখান থেকে উধাও হয়ে যান। ওই দুই জঙ্গি পাকিস্তানে থাকতেন না। সাধারণত তাঁরা আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আত্মগোপন করতেন। তাই ভারতীয় গোয়েন্দারা বুঝতে পারেন, রাওয়ালপিন্ডিতে কোনও শীর্ষনেতার সঙ্গে দেখা করতেই যান জঙ্গি নেতারা। তিনি নিঃসন্দেহে ওসামা বিন লাদেন। প্রধানের দাবি, এরপরই ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি, রাওয়ালপিন্ডি বা তার খুব কাছেই রয়েছে লাদেনের গোপন ডেরা। সেখানেই সন্ধান চালাতে হবে৷ তার জেরেই অ্যাবটাবাদে লাদেনের বাড়ি খুঁজে বের করে অভিযান চালায় আমেরিকা ও তাঁকে হত্যা করে।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

“ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন”

লাদেন হত্যায় হাত ছিল ভারতেরও

আপডেট টাইম : ১২:০৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০১৬

শুধু আমেরিকা বা তাদের নৌসেনার সিল টিম সিক্স নয়। আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করে হত্যা করতে ভারতও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক সাবেক প্রধানের বক্তব্যে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। ভারতের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান এস ডি প্রধান। পাশাপাশি, উপজাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবেও কাজ করেছেন। একটি সংবাদ চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে লাদেন হত্যায় ভারতের ভূমিকার ব্যাপারটা স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, অনেকদিন ধরেই গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করে ভারত ও আমেরিকার সংস্থাগুলি। যেমন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর এমন অনেক ষড়যন্ত্রের কথা আমেরিকা আগাম জানিয়েছে ভারতকে। ২০০৭ সালে সমঝোতা এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণের আগেও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ভারতকে সতর্ক করেছিল। একইভাবে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে ভারতও সাহায্য করেছিল আমেরিকাকে। যা লাদেন হত্যায় সহায়ক হয়েছিল।

কী ছিল সেই তথ্য? প্রধানের স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে ২০০৬-০৭ সালের সেই ঘটনাবলি। তাঁর দাবি, আল কায়েদা ও তালেবানের উপর নজর রাখার দায়িত্ব ছিল ভারতীয় গোয়েন্দাদের৷ চেষ্টা করা হত, এই দুই সংগঠনের শীর্ষনেতারা কোথায় কখন যাচ্ছেন, সে বিষয়ে খেয়াল রাখার। সেই সূত্রেই দেখা যায়, ওই বছর দু’বার পাক মাটিতে বৈঠক করেছেন আল কায়েদার তৎকালীন সেকেন্ড ইন কমান্ড আয়মান আল জাওয়াহিরি ও লাদেন ঘনিষ্ঠ তালেবান নেতা মোল্লা ওমর৷ দু’বারই বৈঠকের পর তাঁরা রাওয়ালপিন্ডি যান। সেখান থেকে উধাও হয়ে যান। ওই দুই জঙ্গি পাকিস্তানে থাকতেন না। সাধারণত তাঁরা আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আত্মগোপন করতেন। তাই ভারতীয় গোয়েন্দারা বুঝতে পারেন, রাওয়ালপিন্ডিতে কোনও শীর্ষনেতার সঙ্গে দেখা করতেই যান জঙ্গি নেতারা। তিনি নিঃসন্দেহে ওসামা বিন লাদেন। প্রধানের দাবি, এরপরই ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি, রাওয়ালপিন্ডি বা তার খুব কাছেই রয়েছে লাদেনের গোপন ডেরা। সেখানেই সন্ধান চালাতে হবে৷ তার জেরেই অ্যাবটাবাদে লাদেনের বাড়ি খুঁজে বের করে অভিযান চালায় আমেরিকা ও তাঁকে হত্যা করে।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন