ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০১৬
  • ৪৫৩ বার

বেসরকারি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম (আউটার ক্যাম্পাসসহ) বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। সোমবার এক আদেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধ ঘোষণা করে। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়।

একই আদেশে দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আউটার ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলা হলেও তারা কালক্ষেপণ করে আদালতের স্টে অর্ডার নিয়ে আউটার ক্যাম্পাস পরিচালনা করছিল। পরে আদালতের আদেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ নির্দেশ দেয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১৯৯৩ সালের ২৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বে ইউনিভার্সিটি চার ভাগ হয়েছে। সারা দেশে খোলা হয়েছে অনুমোদনহীন ১২০টিরও বেশি শাখা। টাকা দিলেই মেলে সনদ, এমন অভিযোগ প্রমাণও হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের তদন্তে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে মঞ্জুরি কমিশন। এর বিরুদ্ধে মালিকপক্ষ মামলা দেয়ার পর মঞ্জুরি কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত হয়ে যায়। এই সুযোগে ছাত্র ভর্তি করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা সংকট, অনিয়ম, দুর্নীতি ও আউটার ক্যাম্পাসের মাধ্যমে সনদ বাণিজ্য বন্ধসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ২০১০ সালের অক্টোবরে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হককে প্রধান করে এক সদস্যবিশিষ্ট বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়। ২০১২ সালের মার্চ মাসে বিচার বিভাগীয় কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা হয়, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধের সুপারিশ করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

আপডেট টাইম : ১০:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০১৬

বেসরকারি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম (আউটার ক্যাম্পাসসহ) বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। সোমবার এক আদেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধ ঘোষণা করে। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়।

একই আদেশে দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আউটার ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলা হলেও তারা কালক্ষেপণ করে আদালতের স্টে অর্ডার নিয়ে আউটার ক্যাম্পাস পরিচালনা করছিল। পরে আদালতের আদেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ নির্দেশ দেয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১৯৯৩ সালের ২৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বে ইউনিভার্সিটি চার ভাগ হয়েছে। সারা দেশে খোলা হয়েছে অনুমোদনহীন ১২০টিরও বেশি শাখা। টাকা দিলেই মেলে সনদ, এমন অভিযোগ প্রমাণও হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের তদন্তে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে মঞ্জুরি কমিশন। এর বিরুদ্ধে মালিকপক্ষ মামলা দেয়ার পর মঞ্জুরি কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত হয়ে যায়। এই সুযোগে ছাত্র ভর্তি করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা সংকট, অনিয়ম, দুর্নীতি ও আউটার ক্যাম্পাসের মাধ্যমে সনদ বাণিজ্য বন্ধসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ২০১০ সালের অক্টোবরে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হককে প্রধান করে এক সদস্যবিশিষ্ট বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়। ২০১২ সালের মার্চ মাসে বিচার বিভাগীয় কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা হয়, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধের সুপারিশ করা হয়।