ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

মদনে বেরিবাঁধ কাটায় সময়ের আগে হাওর পানি শুকিয়ে গেছে, কৃষকেরা ক্ষুব্ধ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩
  • ২০৭ বার

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা মদন উপজেলার মদন ইউনিয়নে বৃ-বড়ি কান্দি গ্রামের সামনের হাওরে বেরিবাঁধ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক অশৃংখল, বেপরোয়া মহলের বিরুদ্ধে। সাধারণ কৃষক ক্ষুব্ধ।

বৃ-বড়ি কান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন কৃষক গ্রাম বাসির পক্ষে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, একই গ্রামের মৃত খুরশেদের ছেলে বাছির মিয়ার যোগসাজেসে গ্রামের একটি স্বার্থন্বেষী মহল বেরিবাঁধ কেটে মসজিদে নাম ভেঙ্গে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে একই গ্রামের কেছন মিয়া নামের এক ব্যাক্তিকে ইজারা দেয়। কেছন মিয়া ইজারা নিয়ে বেরিবাঁধ কেটে দেয় এবং সত্যজিত নামের এক ব্যাক্তির মাধ্যমে খরাজাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করে।

কৃষক শামীম মিয়া বলেন, বেরি বাঁধ দিয়ে এলাকার হাজার হাজার কৃষক গরু-ছাগল নিয়ে হাওরে যাতায়াত অসুবিধা হচ্ছে। বাঁধ কেটে ফেলায় কৃষি যন্ত্রতাংশ নিয়ে বেরি বাঁধ দিয়ে সাধারণ মানুষ চলাচল করতে পারছেনা। বিষয়টি সরেজমিন পরির্দশন করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করছি।

আরেক কৃষক হারুন অর রশিদ নিকো জানান, ইউএনও মহোদয়কে লিখিত ভাবে জানালেও এর কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে আমরা দেখিনি। বেরিবাঁধ কেটে ফেলায় নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পুরো হাওর শুখিয়ে গেছে। যথা সময়ে ব্যবস্থা নিলে কৃষকের এতো বড় ক্ষতি হতো না।

ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল ইসলাম আকন্দ জানান, বেরিবাঁধের কাটা অংশ মেরামত করে দিতে, আমি বাছিরকে ডেকে এনে বলে দিয়েছি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশে আমার অফিসের লোক দিয়ে তদন্ত করিয়েছি। বিস্তারিত জানতে ইউএনও মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করুণ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম মিয়া জানান, বেরিবাঁধটি সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

মদনে বেরিবাঁধ কাটায় সময়ের আগে হাওর পানি শুকিয়ে গেছে, কৃষকেরা ক্ষুব্ধ

আপডেট টাইম : ০৩:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা মদন উপজেলার মদন ইউনিয়নে বৃ-বড়ি কান্দি গ্রামের সামনের হাওরে বেরিবাঁধ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক অশৃংখল, বেপরোয়া মহলের বিরুদ্ধে। সাধারণ কৃষক ক্ষুব্ধ।

বৃ-বড়ি কান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন কৃষক গ্রাম বাসির পক্ষে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, একই গ্রামের মৃত খুরশেদের ছেলে বাছির মিয়ার যোগসাজেসে গ্রামের একটি স্বার্থন্বেষী মহল বেরিবাঁধ কেটে মসজিদে নাম ভেঙ্গে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে একই গ্রামের কেছন মিয়া নামের এক ব্যাক্তিকে ইজারা দেয়। কেছন মিয়া ইজারা নিয়ে বেরিবাঁধ কেটে দেয় এবং সত্যজিত নামের এক ব্যাক্তির মাধ্যমে খরাজাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করে।

কৃষক শামীম মিয়া বলেন, বেরি বাঁধ দিয়ে এলাকার হাজার হাজার কৃষক গরু-ছাগল নিয়ে হাওরে যাতায়াত অসুবিধা হচ্ছে। বাঁধ কেটে ফেলায় কৃষি যন্ত্রতাংশ নিয়ে বেরি বাঁধ দিয়ে সাধারণ মানুষ চলাচল করতে পারছেনা। বিষয়টি সরেজমিন পরির্দশন করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করছি।

আরেক কৃষক হারুন অর রশিদ নিকো জানান, ইউএনও মহোদয়কে লিখিত ভাবে জানালেও এর কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে আমরা দেখিনি। বেরিবাঁধ কেটে ফেলায় নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পুরো হাওর শুখিয়ে গেছে। যথা সময়ে ব্যবস্থা নিলে কৃষকের এতো বড় ক্ষতি হতো না।

ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল ইসলাম আকন্দ জানান, বেরিবাঁধের কাটা অংশ মেরামত করে দিতে, আমি বাছিরকে ডেকে এনে বলে দিয়েছি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশে আমার অফিসের লোক দিয়ে তদন্ত করিয়েছি। বিস্তারিত জানতে ইউএনও মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করুণ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম মিয়া জানান, বেরিবাঁধটি সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।