ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধা রতন: স্বদেশপ্রেমে কেঁদেছিল যাঁর মন শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রেরও প্রতিযোগিতা আমি নিজের সঙ্গেই করি : অপু বিশ্বাস ফ্যাসিবাদী আ. লীগের এ দেশে আর রাজনীতির সুযোগ হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আমির হামজার ‘নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও’ পাওয়ার দাবি রাশেদ খানের শান্তি ফিরেছে শিল্পাঞ্চলে, ছুটির দিনেও কর্মচাঞ্চল্য জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ আইজেনকোটকে ৬৭ এমপির সমর্থন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন নির্ধারণ রোববার মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা ও সততাই আইনজীবীর প্রধান শক্তি: আইনমন্ত্রী

মদনে স্কুল কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিপরীতে তদন্ত শুরু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩
  • ৪২৩ বার

মদন (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪ অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঐ প্রতিষ্ঠানেরই দুই সহকারী সিনিয়র শিক্ষক। ঐ দুই সিনিয়র শিক্ষক গত ১৯ অক্টোবর মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ১টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের বিষয়গুলো গণমাধ্যম কর্মীদের নজরে আসলে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হলে উপজেলা প্রশাসন গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

অভিযোগের ৪ বিষয় হলো- ১. ট্রলার ঘাটের ইজারার টাকা আত্মসাৎ, ২. ভাউচার বাণিজ্য, ৩. অফিস কক্ষকে বাসভবন হিসেবে ব্যবহার এবং ৪. নিয়োগ বাণিজ্য।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমান আকন্দ জানান, ট্রলার ঘাটের বিষয়টি সভাপতি সব জানেন আমি কিছু জানিনা। আমি কোনো মিথ্যা ভাউচার করি না। রেজুলেশনের মাধ্যমে কমিটির অনুমতিতে অফিস কক্ষের একপাশে থাকি (রাত্রিযাপন)। নিয়োগের বিষয়টি আপাতত স্থগিত আছে। আজ (৩০ অক্টোবর) তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করতে স্কুলে এসেছিলো।

সভাপতি মোঃ নিমন মিয়া জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট হতে ১ লক্ষ ২০ টাকার বিনিময়ে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে ট্রলার ঘাট এনেছি। এটা কোনো স্কুলের বিষয় না। প্রধান শিক্ষক স্কুলে থাকবে (রাত্রিযাপন), এমন কোনো রেজুলেশন হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

তদন্ত কর্মকর্তা একাডেমিক সুপারভাইজার জোছনা বেগম জানান, বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে সভাপতি নিমন সাহেব ট্রলার ঘাট নিজের নিয়ন্ত্রে নিয়ে গেছেন। যার আয়-ব্যয় বিদ্যালয় পায়নি। ভাউচার বিষয়ে এখনো ত্রুটি পাইনি তবে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অফিস কক্ষের একপাশে তিনি থাকেন (রাত্রিযাপন) করেন তা আমি দেখে এসেছি। আমার জানা মতে, এখনো চুড়ান্ত নিয়োগ সীটে স্বাক্ষর হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

মুক্তিযোদ্ধা রতন: স্বদেশপ্রেমে কেঁদেছিল যাঁর মন

মদনে স্কুল কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিপরীতে তদন্ত শুরু

আপডেট টাইম : ০৫:১৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩

মদন (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪ অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঐ প্রতিষ্ঠানেরই দুই সহকারী সিনিয়র শিক্ষক। ঐ দুই সিনিয়র শিক্ষক গত ১৯ অক্টোবর মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ১টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের বিষয়গুলো গণমাধ্যম কর্মীদের নজরে আসলে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হলে উপজেলা প্রশাসন গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

অভিযোগের ৪ বিষয় হলো- ১. ট্রলার ঘাটের ইজারার টাকা আত্মসাৎ, ২. ভাউচার বাণিজ্য, ৩. অফিস কক্ষকে বাসভবন হিসেবে ব্যবহার এবং ৪. নিয়োগ বাণিজ্য।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমান আকন্দ জানান, ট্রলার ঘাটের বিষয়টি সভাপতি সব জানেন আমি কিছু জানিনা। আমি কোনো মিথ্যা ভাউচার করি না। রেজুলেশনের মাধ্যমে কমিটির অনুমতিতে অফিস কক্ষের একপাশে থাকি (রাত্রিযাপন)। নিয়োগের বিষয়টি আপাতত স্থগিত আছে। আজ (৩০ অক্টোবর) তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করতে স্কুলে এসেছিলো।

সভাপতি মোঃ নিমন মিয়া জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট হতে ১ লক্ষ ২০ টাকার বিনিময়ে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে ট্রলার ঘাট এনেছি। এটা কোনো স্কুলের বিষয় না। প্রধান শিক্ষক স্কুলে থাকবে (রাত্রিযাপন), এমন কোনো রেজুলেশন হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

তদন্ত কর্মকর্তা একাডেমিক সুপারভাইজার জোছনা বেগম জানান, বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে সভাপতি নিমন সাহেব ট্রলার ঘাট নিজের নিয়ন্ত্রে নিয়ে গেছেন। যার আয়-ব্যয় বিদ্যালয় পায়নি। ভাউচার বিষয়ে এখনো ত্রুটি পাইনি তবে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অফিস কক্ষের একপাশে তিনি থাকেন (রাত্রিযাপন) করেন তা আমি দেখে এসেছি। আমার জানা মতে, এখনো চুড়ান্ত নিয়োগ সীটে স্বাক্ষর হয়নি।