ঢাকা ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

বাংলাদেশে তালাকের হার বেড়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩
  • ২২২ বার

দেশে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে তালাকের হার বেড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রাম এলাকায় এই তালাকের হার বেড়েছে। দেশে বর্তমানে তালাকের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪ শতাংশ, যা ২০২১ সালে ছিল ০.৭ শতাংশ।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জুন) পরিসংখ্যান ভবনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স-২০২২ এর ফলাফলে থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে। অনুষ্ঠানে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক আলমগীর হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. শামসুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিবিএস মহাপরিচালক (রু.দা) পরিমল চন্দ্র বসু।

প্রকল্প পরিচালক আলমগীর হোসেন জানান, ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে তালাকের হার বেড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রাম এলাকায় এই স্থূল তালাকের হার বেড়েছে। দেশে বর্তমানে তালাকের হার ১.৪ শতাংশ। যা ২০২১ সালে ছিল ০.৭ শতাংশ। এই তালাকের হার পল্লী এলাকায় ০.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪ শতাংশ এবং শহর এলাকায় ০.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে তালাকের হার দাঁড়িয়েছে ১ শতাংশ।

অনুষ্ঠানে আলমগীর হোসেন বলেন, জনতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ করার তিনটি পরিসংখ্যানিক স্বীকৃত পদ্ধতি হলো- শুমারি, নিবন্ধিকরণ ও নমুনা জরিপ। নিবন্ধিকরণ পদ্ধতি উন্নততর ও সুবিধাজনক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে ১৯৮০ সাল হতে দুটি জনশুমারির মধ্যবর্তী সময়ে নমুনাভিত্তিক নিবন্ধিকরণের

মাধ্যমে জনতাত্ত্বিক উপাত্তসমূহের প্রাক্কলন করা হয়ে থাকে। শুরুতে নমুনা এলাকা ছিল মাত্র ১০৩টি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জরিপের গুণগত পরিধি বৃত্তির সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানে নমুনা এলাকার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০১২টি। নমুনা থানার সংখ্যা তিন পাখের ওপরে। সারাদেশে প্রত্যেকটি নমুনা এলাকায় একজন করে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ স্থানীয় মহিলা রেজিস্টার প্রতি মাসে থানা ভিজিট করে নির্ধারিত তফসিল ব্যবহার করে নিয়মিতভাবে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।

তিনি আরও জানান, ডিসেম্বর ২০২১ সাল পর্যন্ত এ কার্যক্রমটির তথ্য উপাত্ত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয়। জানুয়ারি ২০২২ সাল থেকে বার্ষিক তফসিলসমূহ কম্পিউটার অ্যাসিসটেড পারসোনাল ইন্টারভিউয়িং পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হচ্ছে। একই সময় থেকে সিঙ্গেল রেকর্ডিং সিস্টেম অনুসরণ করে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম প্রবর্তন করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে তালাকের হার বেড়েছে

আপডেট টাইম : ১০:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩

দেশে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে তালাকের হার বেড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রাম এলাকায় এই তালাকের হার বেড়েছে। দেশে বর্তমানে তালাকের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪ শতাংশ, যা ২০২১ সালে ছিল ০.৭ শতাংশ।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জুন) পরিসংখ্যান ভবনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স-২০২২ এর ফলাফলে থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে। অনুষ্ঠানে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক আলমগীর হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. শামসুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিবিএস মহাপরিচালক (রু.দা) পরিমল চন্দ্র বসু।

প্রকল্প পরিচালক আলমগীর হোসেন জানান, ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে তালাকের হার বেড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রাম এলাকায় এই স্থূল তালাকের হার বেড়েছে। দেশে বর্তমানে তালাকের হার ১.৪ শতাংশ। যা ২০২১ সালে ছিল ০.৭ শতাংশ। এই তালাকের হার পল্লী এলাকায় ০.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪ শতাংশ এবং শহর এলাকায় ০.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে তালাকের হার দাঁড়িয়েছে ১ শতাংশ।

অনুষ্ঠানে আলমগীর হোসেন বলেন, জনতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ করার তিনটি পরিসংখ্যানিক স্বীকৃত পদ্ধতি হলো- শুমারি, নিবন্ধিকরণ ও নমুনা জরিপ। নিবন্ধিকরণ পদ্ধতি উন্নততর ও সুবিধাজনক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে ১৯৮০ সাল হতে দুটি জনশুমারির মধ্যবর্তী সময়ে নমুনাভিত্তিক নিবন্ধিকরণের

মাধ্যমে জনতাত্ত্বিক উপাত্তসমূহের প্রাক্কলন করা হয়ে থাকে। শুরুতে নমুনা এলাকা ছিল মাত্র ১০৩টি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জরিপের গুণগত পরিধি বৃত্তির সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানে নমুনা এলাকার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০১২টি। নমুনা থানার সংখ্যা তিন পাখের ওপরে। সারাদেশে প্রত্যেকটি নমুনা এলাকায় একজন করে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ স্থানীয় মহিলা রেজিস্টার প্রতি মাসে থানা ভিজিট করে নির্ধারিত তফসিল ব্যবহার করে নিয়মিতভাবে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।

তিনি আরও জানান, ডিসেম্বর ২০২১ সাল পর্যন্ত এ কার্যক্রমটির তথ্য উপাত্ত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয়। জানুয়ারি ২০২২ সাল থেকে বার্ষিক তফসিলসমূহ কম্পিউটার অ্যাসিসটেড পারসোনাল ইন্টারভিউয়িং পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হচ্ছে। একই সময় থেকে সিঙ্গেল রেকর্ডিং সিস্টেম অনুসরণ করে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম প্রবর্তন করা হয়েছে।