ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

বাজারে নেই চিনি, তেল নিয়ে তেলেসমাতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩
  • ১৭৪ বার

বাজার থেকে হঠাৎই যেন উধাও হয়ে গেছে চিনি। একদফা বাড়িয়ে দাম পুনর্নির্ধারণের পর ভোজ্যতল নিয়েও চলছে তেলেসমাতি। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, চিনির ডিলাররা বাড়তি দামের কোনো ক্যাশ মেমো না দেয়ায় বাজারে আনছেন না তারা। সব ধরনের সবজি ও মাছ-মাংসের দামও চড়া।

ঈদের দুই সপ্তাহ পরও বাজারে ক্রেতাদের ভিড় তুলনামূলক কম।

তবে আলু থেকে শসাসহ সব সবজিতে কেজিপ্রতি বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। বেড়েছে আদার ঝাঁঝও।

দেশি ছোট-বড় সব মাছের দামও বাড়তি। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম।

মাংসের চড়া দাম ঈদের আগে থেকেই। ব্রয়লার মুরগি ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে কিনতে গিয়ে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

দাম পুনর্নির্ধারণের পর থেকেই সয়াবিন তেলের পাশাপাশি চিনিও খুঁজে পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কৃত্রিম সংকটে দাম বাড়াতেই এ কারসাজি- বলছেন তারা। তবে ভিন্ন অজুহাত বিক্রেতাদের।

চড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি নেই কোনো সরকারি সংস্থারই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

বাজারে নেই চিনি, তেল নিয়ে তেলেসমাতি

আপডেট টাইম : ১২:৩০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩

বাজার থেকে হঠাৎই যেন উধাও হয়ে গেছে চিনি। একদফা বাড়িয়ে দাম পুনর্নির্ধারণের পর ভোজ্যতল নিয়েও চলছে তেলেসমাতি। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, চিনির ডিলাররা বাড়তি দামের কোনো ক্যাশ মেমো না দেয়ায় বাজারে আনছেন না তারা। সব ধরনের সবজি ও মাছ-মাংসের দামও চড়া।

ঈদের দুই সপ্তাহ পরও বাজারে ক্রেতাদের ভিড় তুলনামূলক কম।

তবে আলু থেকে শসাসহ সব সবজিতে কেজিপ্রতি বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। বেড়েছে আদার ঝাঁঝও।

দেশি ছোট-বড় সব মাছের দামও বাড়তি। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম।

মাংসের চড়া দাম ঈদের আগে থেকেই। ব্রয়লার মুরগি ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে কিনতে গিয়ে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

দাম পুনর্নির্ধারণের পর থেকেই সয়াবিন তেলের পাশাপাশি চিনিও খুঁজে পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কৃত্রিম সংকটে দাম বাড়াতেই এ কারসাজি- বলছেন তারা। তবে ভিন্ন অজুহাত বিক্রেতাদের।

চড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি নেই কোনো সরকারি সংস্থারই।