ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সমাজ পরিবর্তনের প্রধান রূপকার হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু সরাসরি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য সেই ভারতের হাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব : জুবাইদা রহমান জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

বাজারে নেই চিনি, তেল নিয়ে তেলেসমাতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩
  • ১৮০ বার

বাজার থেকে হঠাৎই যেন উধাও হয়ে গেছে চিনি। একদফা বাড়িয়ে দাম পুনর্নির্ধারণের পর ভোজ্যতল নিয়েও চলছে তেলেসমাতি। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, চিনির ডিলাররা বাড়তি দামের কোনো ক্যাশ মেমো না দেয়ায় বাজারে আনছেন না তারা। সব ধরনের সবজি ও মাছ-মাংসের দামও চড়া।

ঈদের দুই সপ্তাহ পরও বাজারে ক্রেতাদের ভিড় তুলনামূলক কম।

তবে আলু থেকে শসাসহ সব সবজিতে কেজিপ্রতি বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। বেড়েছে আদার ঝাঁঝও।

দেশি ছোট-বড় সব মাছের দামও বাড়তি। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম।

মাংসের চড়া দাম ঈদের আগে থেকেই। ব্রয়লার মুরগি ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে কিনতে গিয়ে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

দাম পুনর্নির্ধারণের পর থেকেই সয়াবিন তেলের পাশাপাশি চিনিও খুঁজে পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কৃত্রিম সংকটে দাম বাড়াতেই এ কারসাজি- বলছেন তারা। তবে ভিন্ন অজুহাত বিক্রেতাদের।

চড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি নেই কোনো সরকারি সংস্থারই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত

বাজারে নেই চিনি, তেল নিয়ে তেলেসমাতি

আপডেট টাইম : ১২:৩০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩

বাজার থেকে হঠাৎই যেন উধাও হয়ে গেছে চিনি। একদফা বাড়িয়ে দাম পুনর্নির্ধারণের পর ভোজ্যতল নিয়েও চলছে তেলেসমাতি। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, চিনির ডিলাররা বাড়তি দামের কোনো ক্যাশ মেমো না দেয়ায় বাজারে আনছেন না তারা। সব ধরনের সবজি ও মাছ-মাংসের দামও চড়া।

ঈদের দুই সপ্তাহ পরও বাজারে ক্রেতাদের ভিড় তুলনামূলক কম।

তবে আলু থেকে শসাসহ সব সবজিতে কেজিপ্রতি বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। বেড়েছে আদার ঝাঁঝও।

দেশি ছোট-বড় সব মাছের দামও বাড়তি। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম।

মাংসের চড়া দাম ঈদের আগে থেকেই। ব্রয়লার মুরগি ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে কিনতে গিয়ে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

দাম পুনর্নির্ধারণের পর থেকেই সয়াবিন তেলের পাশাপাশি চিনিও খুঁজে পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কৃত্রিম সংকটে দাম বাড়াতেই এ কারসাজি- বলছেন তারা। তবে ভিন্ন অজুহাত বিক্রেতাদের।

চড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি নেই কোনো সরকারি সংস্থারই।