ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

বিভিন্ন রোগমুক্তিতে পেয়ারার গুণাগুণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩
  • ১৯৩ বার

বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পেয়ারা ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত। দেশীয় এ ফলটি আমাদের দেশে সারাবছরই পাওয়া যায় এবং দামেও সহজলভ্য। অন্যান্য ফলের তুলনায় এর পুষ্টিগুণও অনেক বেশি। এছাড়াও পেয়ারায় রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিভিন্ন রোগমুক্তিতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে পেয়ারা।

পেয়ারায় ভিটামিন সি, লাইকোপিন, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইত্যাদির মতো অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এ পুষ্টি উপাদানগুলো হজম ঠিক রাখার পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, মানসিক সমস্যাসহ হার্টের বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দূর করতে উপকারী ভূমিকা পালন করে। এছাড়া অনেকে ডায়রিয়া নিরাময়ে পেয়ারা পাতাও ব্যবহার করে থাকে। পেয়ারা খেলে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য ঠিক থাকে, যার কারণে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ পেয়ারা এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এতে কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে বাধা দেয়। এর পাশাপাশি এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

পেয়ারা খেলে মানসিক চাপ প্রতিরোধ করা যায়। এ ফলটিতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম মাংসপেশিকে শিথিল করে এবং মনকে শান্ত করে।

এছাড়া পেয়ারা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এতে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি হওয়ায় ক্ষুধা কমে যায় এবং মেটাবলিজম বাড়ে।

নিয়মিত পেয়ারা খেলে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যাও দূর হয়। এছাড়া কচি পেয়ারা পাতা পানিতে ফুটিয়ে খেলেও সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকা যায়।

গর্ভাবস্থায় খাদ্যতালিকায় পেয়ারা রাখলে অত্যন্ত উপকার পাওয়া যায়। এতে অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এতে উপস্থিত ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি ৯ শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে উপকারী এবং স্নায়বিক রোগ প্রতিরোধ করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

বিভিন্ন রোগমুক্তিতে পেয়ারার গুণাগুণ

আপডেট টাইম : ১০:৪২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩

বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পেয়ারা ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত। দেশীয় এ ফলটি আমাদের দেশে সারাবছরই পাওয়া যায় এবং দামেও সহজলভ্য। অন্যান্য ফলের তুলনায় এর পুষ্টিগুণও অনেক বেশি। এছাড়াও পেয়ারায় রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিভিন্ন রোগমুক্তিতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে পেয়ারা।

পেয়ারায় ভিটামিন সি, লাইকোপিন, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইত্যাদির মতো অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এ পুষ্টি উপাদানগুলো হজম ঠিক রাখার পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, মানসিক সমস্যাসহ হার্টের বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দূর করতে উপকারী ভূমিকা পালন করে। এছাড়া অনেকে ডায়রিয়া নিরাময়ে পেয়ারা পাতাও ব্যবহার করে থাকে। পেয়ারা খেলে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য ঠিক থাকে, যার কারণে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ পেয়ারা এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এতে কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে বাধা দেয়। এর পাশাপাশি এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

পেয়ারা খেলে মানসিক চাপ প্রতিরোধ করা যায়। এ ফলটিতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম মাংসপেশিকে শিথিল করে এবং মনকে শান্ত করে।

এছাড়া পেয়ারা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এতে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি হওয়ায় ক্ষুধা কমে যায় এবং মেটাবলিজম বাড়ে।

নিয়মিত পেয়ারা খেলে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যাও দূর হয়। এছাড়া কচি পেয়ারা পাতা পানিতে ফুটিয়ে খেলেও সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকা যায়।

গর্ভাবস্থায় খাদ্যতালিকায় পেয়ারা রাখলে অত্যন্ত উপকার পাওয়া যায়। এতে অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এতে উপস্থিত ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি ৯ শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে উপকারী এবং স্নায়বিক রোগ প্রতিরোধ করে।