ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

খোঁয়াড়ে থাকি তাই ওজন এক কেজি বেড়েছে: রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০১৬
  • ৩৮৭ বার

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, যখন স্পিকার ছিলাম তখন ওজন ছিল ৬৮ কেজি। আর এই কয়েক বছরে এক কেজি বেড়েছে। কারণ খোঁয়াড়ের মধ্যে (নিরাপত্তা বলয়ে) থাকি তো।

তিনি নিজেকে এখনও এনালগ দাবি করে বলেন, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এগুলো বুঝতেই পারি না। এগুলো এখনও আমার কাছে ‘আন নোয়িং’ (অপরিচিত)। প্যান্টের পকেট থেকে নিজের মোবাইল ফোন সেট বের করে তিনি দেখান। বলেন, ‘আমার মোবাইলটাও এনালগ। স্মার্টফোন না। স্মার্ট ফোন একটা টিপলে আর একটা আহে’। সাংবাদিকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ভালোবাসা বেশ পুরনো। যখন তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন তখন থেকেই সাংবাদিকদের প্রতি হৃদ্যতার ছাপ দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সংসদের ৬ষ্ঠ তলায় সংবাদিক লাউঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে আসেন এবং কিছু সময় অবস্থান করে তাদের খোঁজখবর নেন। কিছু সময় অবস্থান করে ৪টা ৪০ মিনিটে বেরিয়ে যান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড আমি বুঝি না। আমি টেহাও জমা দেই চেকের মাধ্যমে।’ এ সময় একজন সাংবাদিক বলেন, ‘স্যার সরকার তো ডিজিটাল।’ জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো বাবা ডিজিটাল না, এনালগ।’ রাষ্ট্রপতি কুশলাদি বিনিময় করার সময় একজন সাংবাদিক তার জীবনী লেখার কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার আগে জিল্লুর সাহেব শেষ করতে পারেন নাই, মারা গেছেন। আমি শুরু করেছি, মরার আগে করতে পারব কিনা দেখি।’

এ সময় তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সাংবাদিকের কুশল জানতে চান। সাংবাদিকরাও রাষ্ট্রপতিকে কাছে পেয়ে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এখান থেকে যাই, তখন ছিলাম ৬৮ কেজি, এখন ৬৯ কেজি।’ এই কয়েক বছরে এক কেজি বাড়ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই এক কেজি বাড়ছে খোঁয়াড়ের (নিরাপত্তা বলয়) মধ্যে থাকি তো। খোঁয়াড়ের মধ্যে থাকলে ওজন বাড়ে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

খোঁয়াড়ে থাকি তাই ওজন এক কেজি বেড়েছে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ০৮:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০১৬

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, যখন স্পিকার ছিলাম তখন ওজন ছিল ৬৮ কেজি। আর এই কয়েক বছরে এক কেজি বেড়েছে। কারণ খোঁয়াড়ের মধ্যে (নিরাপত্তা বলয়ে) থাকি তো।

তিনি নিজেকে এখনও এনালগ দাবি করে বলেন, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এগুলো বুঝতেই পারি না। এগুলো এখনও আমার কাছে ‘আন নোয়িং’ (অপরিচিত)। প্যান্টের পকেট থেকে নিজের মোবাইল ফোন সেট বের করে তিনি দেখান। বলেন, ‘আমার মোবাইলটাও এনালগ। স্মার্টফোন না। স্মার্ট ফোন একটা টিপলে আর একটা আহে’। সাংবাদিকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ভালোবাসা বেশ পুরনো। যখন তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন তখন থেকেই সাংবাদিকদের প্রতি হৃদ্যতার ছাপ দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সংসদের ৬ষ্ঠ তলায় সংবাদিক লাউঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে আসেন এবং কিছু সময় অবস্থান করে তাদের খোঁজখবর নেন। কিছু সময় অবস্থান করে ৪টা ৪০ মিনিটে বেরিয়ে যান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড আমি বুঝি না। আমি টেহাও জমা দেই চেকের মাধ্যমে।’ এ সময় একজন সাংবাদিক বলেন, ‘স্যার সরকার তো ডিজিটাল।’ জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো বাবা ডিজিটাল না, এনালগ।’ রাষ্ট্রপতি কুশলাদি বিনিময় করার সময় একজন সাংবাদিক তার জীবনী লেখার কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার আগে জিল্লুর সাহেব শেষ করতে পারেন নাই, মারা গেছেন। আমি শুরু করেছি, মরার আগে করতে পারব কিনা দেখি।’

এ সময় তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সাংবাদিকের কুশল জানতে চান। সাংবাদিকরাও রাষ্ট্রপতিকে কাছে পেয়ে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এখান থেকে যাই, তখন ছিলাম ৬৮ কেজি, এখন ৬৯ কেজি।’ এই কয়েক বছরে এক কেজি বাড়ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই এক কেজি বাড়ছে খোঁয়াড়ের (নিরাপত্তা বলয়) মধ্যে থাকি তো। খোঁয়াড়ের মধ্যে থাকলে ওজন বাড়ে।’