ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

খোঁয়াড়ে থাকি তাই ওজন এক কেজি বেড়েছে: রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০১৬
  • ৩৯৮ বার

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, যখন স্পিকার ছিলাম তখন ওজন ছিল ৬৮ কেজি। আর এই কয়েক বছরে এক কেজি বেড়েছে। কারণ খোঁয়াড়ের মধ্যে (নিরাপত্তা বলয়ে) থাকি তো।

তিনি নিজেকে এখনও এনালগ দাবি করে বলেন, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এগুলো বুঝতেই পারি না। এগুলো এখনও আমার কাছে ‘আন নোয়িং’ (অপরিচিত)। প্যান্টের পকেট থেকে নিজের মোবাইল ফোন সেট বের করে তিনি দেখান। বলেন, ‘আমার মোবাইলটাও এনালগ। স্মার্টফোন না। স্মার্ট ফোন একটা টিপলে আর একটা আহে’। সাংবাদিকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ভালোবাসা বেশ পুরনো। যখন তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন তখন থেকেই সাংবাদিকদের প্রতি হৃদ্যতার ছাপ দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সংসদের ৬ষ্ঠ তলায় সংবাদিক লাউঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে আসেন এবং কিছু সময় অবস্থান করে তাদের খোঁজখবর নেন। কিছু সময় অবস্থান করে ৪টা ৪০ মিনিটে বেরিয়ে যান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড আমি বুঝি না। আমি টেহাও জমা দেই চেকের মাধ্যমে।’ এ সময় একজন সাংবাদিক বলেন, ‘স্যার সরকার তো ডিজিটাল।’ জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো বাবা ডিজিটাল না, এনালগ।’ রাষ্ট্রপতি কুশলাদি বিনিময় করার সময় একজন সাংবাদিক তার জীবনী লেখার কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার আগে জিল্লুর সাহেব শেষ করতে পারেন নাই, মারা গেছেন। আমি শুরু করেছি, মরার আগে করতে পারব কিনা দেখি।’

এ সময় তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সাংবাদিকের কুশল জানতে চান। সাংবাদিকরাও রাষ্ট্রপতিকে কাছে পেয়ে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এখান থেকে যাই, তখন ছিলাম ৬৮ কেজি, এখন ৬৯ কেজি।’ এই কয়েক বছরে এক কেজি বাড়ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই এক কেজি বাড়ছে খোঁয়াড়ের (নিরাপত্তা বলয়) মধ্যে থাকি তো। খোঁয়াড়ের মধ্যে থাকলে ওজন বাড়ে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

খোঁয়াড়ে থাকি তাই ওজন এক কেজি বেড়েছে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ০৮:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০১৬

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, যখন স্পিকার ছিলাম তখন ওজন ছিল ৬৮ কেজি। আর এই কয়েক বছরে এক কেজি বেড়েছে। কারণ খোঁয়াড়ের মধ্যে (নিরাপত্তা বলয়ে) থাকি তো।

তিনি নিজেকে এখনও এনালগ দাবি করে বলেন, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এগুলো বুঝতেই পারি না। এগুলো এখনও আমার কাছে ‘আন নোয়িং’ (অপরিচিত)। প্যান্টের পকেট থেকে নিজের মোবাইল ফোন সেট বের করে তিনি দেখান। বলেন, ‘আমার মোবাইলটাও এনালগ। স্মার্টফোন না। স্মার্ট ফোন একটা টিপলে আর একটা আহে’। সাংবাদিকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ভালোবাসা বেশ পুরনো। যখন তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন তখন থেকেই সাংবাদিকদের প্রতি হৃদ্যতার ছাপ দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সংসদের ৬ষ্ঠ তলায় সংবাদিক লাউঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে আসেন এবং কিছু সময় অবস্থান করে তাদের খোঁজখবর নেন। কিছু সময় অবস্থান করে ৪টা ৪০ মিনিটে বেরিয়ে যান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড আমি বুঝি না। আমি টেহাও জমা দেই চেকের মাধ্যমে।’ এ সময় একজন সাংবাদিক বলেন, ‘স্যার সরকার তো ডিজিটাল।’ জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো বাবা ডিজিটাল না, এনালগ।’ রাষ্ট্রপতি কুশলাদি বিনিময় করার সময় একজন সাংবাদিক তার জীবনী লেখার কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার আগে জিল্লুর সাহেব শেষ করতে পারেন নাই, মারা গেছেন। আমি শুরু করেছি, মরার আগে করতে পারব কিনা দেখি।’

এ সময় তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সাংবাদিকের কুশল জানতে চান। সাংবাদিকরাও রাষ্ট্রপতিকে কাছে পেয়ে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এখান থেকে যাই, তখন ছিলাম ৬৮ কেজি, এখন ৬৯ কেজি।’ এই কয়েক বছরে এক কেজি বাড়ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই এক কেজি বাড়ছে খোঁয়াড়ের (নিরাপত্তা বলয়) মধ্যে থাকি তো। খোঁয়াড়ের মধ্যে থাকলে ওজন বাড়ে।’