ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
৩০০ কর্মকর্তার সমন্বয়ে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠন করল ইসি সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয় জানাল আইএসপিআর সুষ্ঠু ভোটে বড় চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেশেই আছেন ওসমান হাদির ওপর হামলাকারী মূল আসামি: ডিএমপি ‘মনে হলো মাথায় বাজ পড়েছে’, হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া সিইসি’র এবার রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন মেয়ের কথায় কীভাবে ১৮ কেজি কমালেন বাঁধন রাজাকারের ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ, লক্ষ্যভেদে মিলছে পুরস্কার ডিমের উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি, দামে পতন: লোকসান বাড়ছে খামারিদের মাঠের বাইরে আমি একজন অলস মানুষ

ফরিদপুরে বাঙ্গির বাম্পার ফলন, বাণিজ্যিক লক্ষ্য ৪৫ কোটি টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • ১০৮ বার

ফরিদপুরে এ বছর লালমির (বাঙ্গি) বাম্পার ফলন হয়েছে। সুস্বাদু এ লালমি দেখতে অনেকটা বাঙ্গির মতো হলেও স্বাদ ও ঘ্রাণে এটি ভিন্ন। পানির পরিমাণ বেশি থাকায় রোজাদারদের কাছে ফলটি বেশ প্রিয়। প্রতিবছরই রমজান মাসকে সামনে রেখে কৃষক এ ফলের চাষাবাদ করে থাকেন। এ বছর চাহিদা ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত লালমি যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। চলতি বছর ৪৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের আশা করছে কৃষি বিভাগ। কম খরচে লাভজনক হওয়ায় দিনদিন বাড়ছে লালমির চাষ। চলতি মৌসুমে একশ লালমি প্রকারভেদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন, প্রতি হাটে প্রায় চার লাখ টাকার লালমি বিক্রি হয়। দিন যত যাচ্ছে, বিক্রিও বাড়ছে।

চাষি খালেক, ছলেমান শেখ ও রিনা বেগম বলেন, আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় এবার লালমির ফলন ভালো হয়েছে, বিক্রি করে দামও ভালো পাচ্ছি। চার মাসের মধ্যেই লালমি বিক্রি করা যায়, খরচও কম, লাভ বেশি।

সরেজমিন সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক লালমি উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খেত থেকে লালমি তুলে পাশেই ধোয়া হচ্ছে। এরপর গাড়িতে করে পাঠানো হচ্ছে হাটে। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এতে শ্রম দিচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার দড়ি কৃষ্ণপুর এলাকায় গড়ে উঠেছে লালমির হাট। সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পাইকাররা এ হাট থেকে লালমি কিনে নিয়ে যান দেশের বিভিন্ন জেলায়। ফরমালিনমুক্ত হওয়ায় এখানকার লালমির চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে।

ফরিদপুর কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলায় ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে লালমি আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১১ হাজার ২৫০ টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. শাহাদুজ্জামান বলেন, এ বছর লালমির বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ভালো দামও পাচ্ছেন কৃষক। চাহিদা থাকায় জেলার লালমি দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৩০০ কর্মকর্তার সমন্বয়ে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠন করল ইসি

ফরিদপুরে বাঙ্গির বাম্পার ফলন, বাণিজ্যিক লক্ষ্য ৪৫ কোটি টাকা

আপডেট টাইম : ১০:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

ফরিদপুরে এ বছর লালমির (বাঙ্গি) বাম্পার ফলন হয়েছে। সুস্বাদু এ লালমি দেখতে অনেকটা বাঙ্গির মতো হলেও স্বাদ ও ঘ্রাণে এটি ভিন্ন। পানির পরিমাণ বেশি থাকায় রোজাদারদের কাছে ফলটি বেশ প্রিয়। প্রতিবছরই রমজান মাসকে সামনে রেখে কৃষক এ ফলের চাষাবাদ করে থাকেন। এ বছর চাহিদা ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত লালমি যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। চলতি বছর ৪৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের আশা করছে কৃষি বিভাগ। কম খরচে লাভজনক হওয়ায় দিনদিন বাড়ছে লালমির চাষ। চলতি মৌসুমে একশ লালমি প্রকারভেদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন, প্রতি হাটে প্রায় চার লাখ টাকার লালমি বিক্রি হয়। দিন যত যাচ্ছে, বিক্রিও বাড়ছে।

চাষি খালেক, ছলেমান শেখ ও রিনা বেগম বলেন, আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় এবার লালমির ফলন ভালো হয়েছে, বিক্রি করে দামও ভালো পাচ্ছি। চার মাসের মধ্যেই লালমি বিক্রি করা যায়, খরচও কম, লাভ বেশি।

সরেজমিন সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক লালমি উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খেত থেকে লালমি তুলে পাশেই ধোয়া হচ্ছে। এরপর গাড়িতে করে পাঠানো হচ্ছে হাটে। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এতে শ্রম দিচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার দড়ি কৃষ্ণপুর এলাকায় গড়ে উঠেছে লালমির হাট। সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পাইকাররা এ হাট থেকে লালমি কিনে নিয়ে যান দেশের বিভিন্ন জেলায়। ফরমালিনমুক্ত হওয়ায় এখানকার লালমির চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে।

ফরিদপুর কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলায় ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে লালমি আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১১ হাজার ২৫০ টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. শাহাদুজ্জামান বলেন, এ বছর লালমির বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ভালো দামও পাচ্ছেন কৃষক। চাহিদা থাকায় জেলার লালমি দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।