ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

আজ ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন: যোগ্য নেতৃত্ব চায় আওয়ামী লীগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩০:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২
  • ২০০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দুই বছর পরপর নিয়মিত সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের অভিষেক হওয়ার নিয়ম থাকলেও দীর্ঘ চার বছর পরে উপ-মহাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০তম এ জাতীয় সম্মেলন সকাল সাড়ে দশটায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হবে।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগে নতুন করে যোগ্য নেতৃত্ব আনতেই এই সম্মেলন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনকে ঘিরে উজ্জীবিত ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। সেই সঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শীর্ষ দুই পদে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন প্রায় চার শতাধিক পদপ্রত্যাশী।

জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নেতাকর্মীরা একদিকে যেমন উচ্ছ্বসিত, অন্যদিকে নেতৃত্বে আসতেও মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে নেতৃত্বে আসতে প্রত্যাশীদের মেলাতে হবে নানা অংক।

তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্লিন ইমেজ, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, সংকটে দলের পাশে থাকা, বিতর্কমুক্ত নেতাদের বিবেচনায় রাখছেন আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলে জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আলোচনায় যারা

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম শামীম, রাকিব হোসাইন, ইফতেখার আহমেদ. সজীব, সৈয়দ আরিফ হোসেন, নারী কোটায় ফরিদা পারভীন, তিলোত্তমা শিকদার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাহসান আহম্মেদ রাসেল, মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক বরিকুল ইসলাম বাঁধন, সাদ বিন কাদের চৌধুরী, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন, উপবিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক সবুর খান কলিন্স, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল আমীন সিদ্দিক সুজন, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক রনি মোহাম্মাদ, কর্মসংস্থান বিষয়ক উপ-সম্পাদক খাদিমুল বাশার জয়, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হায়দার মোহাম্মদ জিতু, আইন সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত, উপ-গণশিক্ষা সম্পাদক সোলায়মান ইসলাম মুন্না, আপ্যায়ন সম্পাদক আশরাফুল আলম ফাহাদ, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপ-সম্পাদক রাশিদ শাহরিয়ার উদয়, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, মুহসিন হল ছাত্রলীগের সভাপতি শহীদুল হক শিশির, অমর একুশে হলের সাধারণ সম্পাদক এহসান উল্লাহ পিয়াল।

আওয়ামী লীগ সূত্র জানা গেছে, গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে ১৮ জনের সংক্ষিপ্ত নামের তালিকা গেছে। এরমধ্যে সহ-সভাপতি ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী সজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী, বরিকুল ইসলাম বাঁধন,উপ-আইন সম্পাদক শাহেদ খান, হাজী মুহম্মদ মহসীন হলের সভাপতি শহীদুল হক শিশির, কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-সমাজসেবা সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক মেহেদি হাসান তাপস, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক শরীফ বায়েজীদ ইবনে মাহমুদ কোতোয়াল, উপ-বিজ্ঞান সম্পাদক খন্দকার আহসান হাবীব নাম।

আওয়ামী লীগ সূত্র বলছে, সামনে জাতীয় নির্বাচন। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ছাত্রলীগের কমিটিতে ত্যাগী এবং বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থী ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছেন এমন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও অবদান প্রভৃতি বিষয় মাথায় রেখে নতুন নেতৃত্ব বাছাই করা হবে। এর বাইরেও পদ প্রত্যাশীদের মেলাতে হবে বেশ কিছু সমীকরণ।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বলছেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি বিভাগ থেকেই বারবার নেতৃত্ব এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে বৃহত্তর ফরিদপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম, উত্তরবঙ্গ, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগ। তবে এবার ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, থেকে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে আসার সম্ভবনা বেশি।

এছাড়া গত ২ ও ৩ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসকল শাখার ছাত্রলীগের কোনো কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলন করে কমিটি ঘোষণার পরেই উত্তর ও দক্ষিণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেন জানা গেছে।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের মে মাসে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন হয়। একই বছরের ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরীকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে ঘোষণা করা হয় কেন্দ্রীয় কমিটি। উন্নয়ন প্রকল্প থেকে চাঁদা দাবিসহ নানা অভিযোগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে রেজওয়ানুল ও রাব্বানী ছাত্রলীগের পদ হারান।

তখন আল নাহিয়ানকে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তাদের ‘ভারমুক্ত’করে দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

তবে রেজওয়ানুল ও রাব্বানী মতোই জয়-লেখক বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠেছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচিত করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। যাকে যোগ্য মনে করবেন তাদের ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব প্রদান করবেন।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

আজ ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন: যোগ্য নেতৃত্ব চায় আওয়ামী লীগ

আপডেট টাইম : ০১:৩০:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দুই বছর পরপর নিয়মিত সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের অভিষেক হওয়ার নিয়ম থাকলেও দীর্ঘ চার বছর পরে উপ-মহাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০তম এ জাতীয় সম্মেলন সকাল সাড়ে দশটায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হবে।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগে নতুন করে যোগ্য নেতৃত্ব আনতেই এই সম্মেলন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনকে ঘিরে উজ্জীবিত ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। সেই সঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শীর্ষ দুই পদে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন প্রায় চার শতাধিক পদপ্রত্যাশী।

জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নেতাকর্মীরা একদিকে যেমন উচ্ছ্বসিত, অন্যদিকে নেতৃত্বে আসতেও মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে নেতৃত্বে আসতে প্রত্যাশীদের মেলাতে হবে নানা অংক।

তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্লিন ইমেজ, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, সংকটে দলের পাশে থাকা, বিতর্কমুক্ত নেতাদের বিবেচনায় রাখছেন আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলে জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আলোচনায় যারা

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম শামীম, রাকিব হোসাইন, ইফতেখার আহমেদ. সজীব, সৈয়দ আরিফ হোসেন, নারী কোটায় ফরিদা পারভীন, তিলোত্তমা শিকদার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাহসান আহম্মেদ রাসেল, মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক বরিকুল ইসলাম বাঁধন, সাদ বিন কাদের চৌধুরী, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন, উপবিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক সবুর খান কলিন্স, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল আমীন সিদ্দিক সুজন, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক রনি মোহাম্মাদ, কর্মসংস্থান বিষয়ক উপ-সম্পাদক খাদিমুল বাশার জয়, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হায়দার মোহাম্মদ জিতু, আইন সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত, উপ-গণশিক্ষা সম্পাদক সোলায়মান ইসলাম মুন্না, আপ্যায়ন সম্পাদক আশরাফুল আলম ফাহাদ, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপ-সম্পাদক রাশিদ শাহরিয়ার উদয়, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, মুহসিন হল ছাত্রলীগের সভাপতি শহীদুল হক শিশির, অমর একুশে হলের সাধারণ সম্পাদক এহসান উল্লাহ পিয়াল।

আওয়ামী লীগ সূত্র জানা গেছে, গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে ১৮ জনের সংক্ষিপ্ত নামের তালিকা গেছে। এরমধ্যে সহ-সভাপতি ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী সজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী, বরিকুল ইসলাম বাঁধন,উপ-আইন সম্পাদক শাহেদ খান, হাজী মুহম্মদ মহসীন হলের সভাপতি শহীদুল হক শিশির, কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-সমাজসেবা সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক মেহেদি হাসান তাপস, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক শরীফ বায়েজীদ ইবনে মাহমুদ কোতোয়াল, উপ-বিজ্ঞান সম্পাদক খন্দকার আহসান হাবীব নাম।

আওয়ামী লীগ সূত্র বলছে, সামনে জাতীয় নির্বাচন। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ছাত্রলীগের কমিটিতে ত্যাগী এবং বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থী ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছেন এমন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও অবদান প্রভৃতি বিষয় মাথায় রেখে নতুন নেতৃত্ব বাছাই করা হবে। এর বাইরেও পদ প্রত্যাশীদের মেলাতে হবে বেশ কিছু সমীকরণ।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বলছেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি বিভাগ থেকেই বারবার নেতৃত্ব এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে বৃহত্তর ফরিদপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম, উত্তরবঙ্গ, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগ। তবে এবার ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, থেকে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে আসার সম্ভবনা বেশি।

এছাড়া গত ২ ও ৩ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসকল শাখার ছাত্রলীগের কোনো কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলন করে কমিটি ঘোষণার পরেই উত্তর ও দক্ষিণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেন জানা গেছে।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের মে মাসে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন হয়। একই বছরের ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরীকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে ঘোষণা করা হয় কেন্দ্রীয় কমিটি। উন্নয়ন প্রকল্প থেকে চাঁদা দাবিসহ নানা অভিযোগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে রেজওয়ানুল ও রাব্বানী ছাত্রলীগের পদ হারান।

তখন আল নাহিয়ানকে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তাদের ‘ভারমুক্ত’করে দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

তবে রেজওয়ানুল ও রাব্বানী মতোই জয়-লেখক বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠেছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচিত করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। যাকে যোগ্য মনে করবেন তাদের ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব প্রদান করবেন।