ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

লাল শাকে লাভের স্বপ্ন দেখছেন আতাউর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২
  • ১৯৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মাত্র ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা ব্যয় করে আধুনিক পদ্ধতিতে প্রায় ৪৮ শতক জমিতে লাল শাক লাগিয়েছেন মো. আতাউর রহমান সরকার। আর এ থেকে ৪৩ হাজার টাকা লাভ হবে বলে আশা করছেন তিনি।

আতাউরের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌরসভার ওঠারচর গ্রামে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার মতলব উত্তরে ১৩০ হেক্টর জমিতে উচ্চফলনশীল জাতের লাল শাকের আবাদ করেছেন কৃষকরা। পরে এসব শাক থেকেই বীজ উৎপাদন করবেন তারা।

কৃষক আতাউর রহমান বলেন, ‘আগে শুধুমাত্র ধান চাষ করতাম। তবে এবার লাল শাকের চাষ শুরু করেছি। শুরুতে ২৪ শতক জমিতে লাল শাকের চাষ করলেও এখন ৪৮ শতক জমিতে চাষ করেছি। এতে আমার খরচ হয়েছে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে ৫০ থেকে ৫২ হাজার টাকার।’

তিনি আরো বলেন, ‘লাল শাকের পাশাপাশি আমি অন্য জমিতে ধনিয়া, মুলা, ঢেঁড়স এবং ধান চাষ করেছি। লাল শাকের বীজ নিজেই উৎপাদন করি। এতে শাক উৎপাদনে যেমন সময় কম লাগে তেমন ভালটাও বেশি হয়।’

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘লাল শাক ও বীজ উৎপাদন বদলে দিয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র। গ্রামের কৃষকরা এখন এই শাক ও বীজ উৎপাদনে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। কৃষি কাজে যে কোনো পরামর্শ সহযোগিতা দিয়ে আমরা কৃষকদের পাশে রয়েছি।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন

লাল শাকে লাভের স্বপ্ন দেখছেন আতাউর

আপডেট টাইম : ১০:১৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মাত্র ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা ব্যয় করে আধুনিক পদ্ধতিতে প্রায় ৪৮ শতক জমিতে লাল শাক লাগিয়েছেন মো. আতাউর রহমান সরকার। আর এ থেকে ৪৩ হাজার টাকা লাভ হবে বলে আশা করছেন তিনি।

আতাউরের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌরসভার ওঠারচর গ্রামে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার মতলব উত্তরে ১৩০ হেক্টর জমিতে উচ্চফলনশীল জাতের লাল শাকের আবাদ করেছেন কৃষকরা। পরে এসব শাক থেকেই বীজ উৎপাদন করবেন তারা।

কৃষক আতাউর রহমান বলেন, ‘আগে শুধুমাত্র ধান চাষ করতাম। তবে এবার লাল শাকের চাষ শুরু করেছি। শুরুতে ২৪ শতক জমিতে লাল শাকের চাষ করলেও এখন ৪৮ শতক জমিতে চাষ করেছি। এতে আমার খরচ হয়েছে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে ৫০ থেকে ৫২ হাজার টাকার।’

তিনি আরো বলেন, ‘লাল শাকের পাশাপাশি আমি অন্য জমিতে ধনিয়া, মুলা, ঢেঁড়স এবং ধান চাষ করেছি। লাল শাকের বীজ নিজেই উৎপাদন করি। এতে শাক উৎপাদনে যেমন সময় কম লাগে তেমন ভালটাও বেশি হয়।’

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘লাল শাক ও বীজ উৎপাদন বদলে দিয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র। গ্রামের কৃষকরা এখন এই শাক ও বীজ উৎপাদনে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। কৃষি কাজে যে কোনো পরামর্শ সহযোগিতা দিয়ে আমরা কৃষকদের পাশে রয়েছি।’