ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার আহবান কৃষক সমিতির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৬
  • ৮০১ বার

সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু করে কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষক সমিতির সভাপতি মোর্শেদ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দন।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে সমিতির এই দুই নেতা অবিলম্বে এ দাবি বাস্তবায়নের আহবান জানান।
বোরো মৌসুমে ধান-চাল ক্রয় সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত চলমান কৃষক আন্দোলনের আংশিক বিজয় বলেও তারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন।

নেতৃবৃন্দ জানান, দীর্ঘদিন যাবত কৃষক সমিতি ফসলের লাভজনক দাম, সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু ও খোদ কৃষকের কাছ থেকে ফসল ক্রয়, পল্লীবিদ্যুত ও ভূমি অফিসের দুর্নীতি রোধ, শস্যবীমা চালুসহ ১২ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন করছে।

বিবৃতিতে তারা জানান, দীর্ঘ আন্দোলনের পর সরকার সমিতির একটি দাবি বিবেচনায় নিয়েছে। আগামী ৫ মে থেকে ৭ লক্ষ টন ধান ও ৬ লক্ষ টন চাল সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার কেজি প্রতি ধানের মূল্য ২৩ টাকা ও চালের মূল্য ৩২ টাকা নির্ধারণ করেছে।

নেতৃবৃন্দ জানান, কৃষক সমিতি প্রতিকেজি ধানের মূল্য ২৫ টাকা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ টাকা নির্ধারণও সমিতির আন্দোলনের আংশিক বিজয় বলেই মনে করেন। তবে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র না থাকায় কৃষকের পক্ষে সরকারের কাছে ধান বা চাল বিক্রি করা সহজ হবে না। এক্ষেত্রে দলীয়করণও বড় বাধা হিসাবে কাজ করবে বলে নেতৃবৃন্দ মনে করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার আহবান কৃষক সমিতির

আপডেট টাইম : ১২:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৬

সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু করে কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষক সমিতির সভাপতি মোর্শেদ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দন।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে সমিতির এই দুই নেতা অবিলম্বে এ দাবি বাস্তবায়নের আহবান জানান।
বোরো মৌসুমে ধান-চাল ক্রয় সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত চলমান কৃষক আন্দোলনের আংশিক বিজয় বলেও তারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন।

নেতৃবৃন্দ জানান, দীর্ঘদিন যাবত কৃষক সমিতি ফসলের লাভজনক দাম, সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু ও খোদ কৃষকের কাছ থেকে ফসল ক্রয়, পল্লীবিদ্যুত ও ভূমি অফিসের দুর্নীতি রোধ, শস্যবীমা চালুসহ ১২ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন করছে।

বিবৃতিতে তারা জানান, দীর্ঘ আন্দোলনের পর সরকার সমিতির একটি দাবি বিবেচনায় নিয়েছে। আগামী ৫ মে থেকে ৭ লক্ষ টন ধান ও ৬ লক্ষ টন চাল সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার কেজি প্রতি ধানের মূল্য ২৩ টাকা ও চালের মূল্য ৩২ টাকা নির্ধারণ করেছে।

নেতৃবৃন্দ জানান, কৃষক সমিতি প্রতিকেজি ধানের মূল্য ২৫ টাকা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ টাকা নির্ধারণও সমিতির আন্দোলনের আংশিক বিজয় বলেই মনে করেন। তবে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র না থাকায় কৃষকের পক্ষে সরকারের কাছে ধান বা চাল বিক্রি করা সহজ হবে না। এক্ষেত্রে দলীয়করণও বড় বাধা হিসাবে কাজ করবে বলে নেতৃবৃন্দ মনে করেন।