ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

দেশের শিল্প কারখানাগুলো এখন নিরাপদ ও কর্মবান্ধব: বাণিজ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:০০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২
  • ৩৮৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশের শিল্প কলকারখানাগুলোকে নিরাপদ ও কর্মবান্ধব করা হয়েছে। শ্রমিকরা এখন নিরাপদ পরিবেশে কাজ করছে। দেশের শ্রম আইন সংশোধন করে সময়োপযোগী করা হয়েছে। শ্রমিকদের উপযুক্ত মজুরি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘নিশ্চিত করি শোভন কর্মপরিবেশ, সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বলা হয়— শহীদের রক্ত এবং শ্রমিকের ঘামের মর্যাদা সমান। বাংলাদেশে শ্রমিক এবং মালিক মিলে মিশে কাজ করছে। আমাদের অনেক দূর যেতে হলে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান এবং উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০৩০ সালের আগেই আমরা এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা) অর্জন করে ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবো।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ২০১৩ সালে নীতিমালা তৈরি করে কারখানার শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে কোভিড-১৯ এর কারণে কারখানার শ্রমিকদের তেমন কোনো ক্ষতি হননি। শ্রমিকদের ভ্যাকসিন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। শ্রমিকদের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে। এতে শ্রমিকদের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য আমাদের তৈরি হতে হবে এবং শ্রমিকদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্য আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘রূপকল্প-২০৪১’ বাস্তবায়নে আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি আরদাশীর কবীর, বাংলাদেশ নিট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নুর কুতুব আলম মান্নান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

দেশের শিল্প কারখানাগুলো এখন নিরাপদ ও কর্মবান্ধব: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৭:০০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশের শিল্প কলকারখানাগুলোকে নিরাপদ ও কর্মবান্ধব করা হয়েছে। শ্রমিকরা এখন নিরাপদ পরিবেশে কাজ করছে। দেশের শ্রম আইন সংশোধন করে সময়োপযোগী করা হয়েছে। শ্রমিকদের উপযুক্ত মজুরি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘নিশ্চিত করি শোভন কর্মপরিবেশ, সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বলা হয়— শহীদের রক্ত এবং শ্রমিকের ঘামের মর্যাদা সমান। বাংলাদেশে শ্রমিক এবং মালিক মিলে মিশে কাজ করছে। আমাদের অনেক দূর যেতে হলে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান এবং উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০৩০ সালের আগেই আমরা এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা) অর্জন করে ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবো।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ২০১৩ সালে নীতিমালা তৈরি করে কারখানার শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে কোভিড-১৯ এর কারণে কারখানার শ্রমিকদের তেমন কোনো ক্ষতি হননি। শ্রমিকদের ভ্যাকসিন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। শ্রমিকদের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে। এতে শ্রমিকদের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য আমাদের তৈরি হতে হবে এবং শ্রমিকদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্য আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘রূপকল্প-২০৪১’ বাস্তবায়নে আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি আরদাশীর কবীর, বাংলাদেশ নিট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নুর কুতুব আলম মান্নান।