ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

নারীদের যেসব ভুল বাড়িয়ে দেয় হৃদরোগের ঝুঁকি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২০৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সারাবিশ্বে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। মূলত আমাদের জীবনযাপনের কিছু অনিয়ম হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হলে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যা দেখে এই রোগ শনাক্ত করা সহজ হয়। তবে অনেকেই জানেন না যে, পুরুষ আর নারীদের মধ্যে হৃদরোগের উপসর্গগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পৃথক হয়।

পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৬৪ শতাংশ নারীর ক্ষেত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে বুকে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যায় না। নারীদের ক্ষেত্রে মূলত দেখা যায় ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, কাঁধ ও ঘাড়ে ব্যথার মতো উপসর্গ। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কোন কোন ভুল নারীদের শরীরে ডেকে আনতে পারে এই ধরনের সমস্যা-

 একই সঙ্গে গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়া ও ধূমপান বাড়িয়ে দেয় হৃদরোগের আশঙ্কা। বিশেষত যাদের বয়স ৩৫ বছরের উপরে, তাদের ক্ষেত্রে অনেকটাই বেশি এই ঝুঁকি। ধূমপান বন্ধ করে দিলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে শতকরা আশি ভাগ।

নিয়মিত মদ্যপান অনেকটাই বাড়িয়ে দেয় হৃদরোগের ঝুঁকি। অতিরিক্ত মদ্যপান উচ্চরক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, অতিরিক্ত ওজনের মতো সমস্যা ডেকে আনে, যা সংবহনতন্ত্রের জন্য একেবারেই ভালো নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে দৈনিক ১২ আউন্স বিয়ার, ৫ আউন্স ওয়াইন ও ১.৫ আউন্স শটের বেশি মদ্যপান করা একেবারেই উচিত নয়।

পর্যাপ্ত শরীরচর্চার অভাবও সংবহনতন্ত্রের সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীদের সপ্তাহে অন্তত আড়াই ঘণ্টা শরীরচর্চা করা উচিত। যারা শরীরচর্চা করতে পারেন না, তাদের প্রতিদিন অন্তত তিরিশ মিনিট হাঁটতে হবে।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ও উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে নিয়মিত করতে হবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। বাহ্যিক উপসর্গ না থাকলেও এই বিষয়গুলো নজরে না রাখলে ঘটতে পারে বিপদ। যাদের এই ধরনের সমস্যা আছে, তাদের নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

নারীদের যেসব ভুল বাড়িয়ে দেয় হৃদরোগের ঝুঁকি

আপডেট টাইম : ১০:৩৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সারাবিশ্বে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। মূলত আমাদের জীবনযাপনের কিছু অনিয়ম হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হলে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যা দেখে এই রোগ শনাক্ত করা সহজ হয়। তবে অনেকেই জানেন না যে, পুরুষ আর নারীদের মধ্যে হৃদরোগের উপসর্গগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পৃথক হয়।

পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৬৪ শতাংশ নারীর ক্ষেত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে বুকে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যায় না। নারীদের ক্ষেত্রে মূলত দেখা যায় ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, কাঁধ ও ঘাড়ে ব্যথার মতো উপসর্গ। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কোন কোন ভুল নারীদের শরীরে ডেকে আনতে পারে এই ধরনের সমস্যা-

 একই সঙ্গে গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়া ও ধূমপান বাড়িয়ে দেয় হৃদরোগের আশঙ্কা। বিশেষত যাদের বয়স ৩৫ বছরের উপরে, তাদের ক্ষেত্রে অনেকটাই বেশি এই ঝুঁকি। ধূমপান বন্ধ করে দিলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে শতকরা আশি ভাগ।

নিয়মিত মদ্যপান অনেকটাই বাড়িয়ে দেয় হৃদরোগের ঝুঁকি। অতিরিক্ত মদ্যপান উচ্চরক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, অতিরিক্ত ওজনের মতো সমস্যা ডেকে আনে, যা সংবহনতন্ত্রের জন্য একেবারেই ভালো নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে দৈনিক ১২ আউন্স বিয়ার, ৫ আউন্স ওয়াইন ও ১.৫ আউন্স শটের বেশি মদ্যপান করা একেবারেই উচিত নয়।

পর্যাপ্ত শরীরচর্চার অভাবও সংবহনতন্ত্রের সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীদের সপ্তাহে অন্তত আড়াই ঘণ্টা শরীরচর্চা করা উচিত। যারা শরীরচর্চা করতে পারেন না, তাদের প্রতিদিন অন্তত তিরিশ মিনিট হাঁটতে হবে।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ও উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে নিয়মিত করতে হবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। বাহ্যিক উপসর্গ না থাকলেও এই বিষয়গুলো নজরে না রাখলে ঘটতে পারে বিপদ। যাদের এই ধরনের সমস্যা আছে, তাদের নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।