ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

স্বপ্ন পুরণের প্রস্তুতি চলছে পোশাক খাতে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০১৬
  • ৩২৯ বার

আগামী পাঁচ বছরে পোশাক খাতের রপ্তানি ৫ হাজার কোটি ডলারে নিতে হলে চলমান প্রবৃদ্ধির আকার হতে হবে প্রায় দ্বিগুণ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এজন্য নতুন বাজার দখলের পাশাপাশি জোর দিতে হবে পণ্যের গুণগত মান আর উৎপাদন বাড়ানোর দিকে। তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ বলছে, বড় এই স্বপ্ন পুরণ চ্যালেঞ্জ হলেও প্রস্তুতি চলছে।

যার সুফল মিলবে আসছে বছরগুলোতে। ইতিহাসে প্রথমবারের মত দেশজ আয়ের প্রবৃদ্ধিতে ৭ শতাংশের ঘরে পা রাখলো বাংলাদেশ। বলা হচ্ছে এর প্রধান চালক হচ্ছে রফতানি ও উৎপাদনশীল খাত। যাতে সবচেয়ে বড় অবদান রফতানির শীর্ষ খাত তৈরি পোশাকের।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সবশেষ প্রতিবেদন বলছে চলতি অর্থবছরের নয়মাসে তৈরি পোশাক থেকে রফতানি আয় হয়েছে বিশ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যা ছাড়িয়ে গেছে লক্ষ্যমাত্রাকেও। তবে ২০২১ সালের মধ্যে তৈরি পোশাকের রফতানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাবার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে হলে চলমান এই প্রবৃদ্ধিকে করত হবে প্রায় দ্বিগুণ। তাই এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নতুন বাজার খোজার পরামর্শ এই অর্থনীতিবিদের।

রফতানিতে উৎপাদনমুখী শিল্পখাতগুলোর অন্যতম চামড়া, প্লাস্টিক, পাট ও পাটজাত পণ্য। যেখানে খুব বেশি সুখবর নেই। অর্থবছরের নয়মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে রফতানি প্রবৃদ্ধি মাত্র পৌনে তিন ভাগ। প্লাস্টিক পণ্যের রফতানি আয় কমেছে সাড়ে বার ভাগ।

আর পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয় কমেছে প্রায় তের ভাগ। সিপিডির এই নির্বাহী পরিচালকের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে যার বড় সুযোগ নিতে পারে বাংলাদেশ। তবে কেবল তৈরি পোশাকে নয়, বিশ্ব প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে উৎপাদশীল সব পণ্যেই মূল্য সংযোজন প্রয়োজন। এজন্য সরকারি পদক্ষেপও জরুরী বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

স্বপ্ন পুরণের প্রস্তুতি চলছে পোশাক খাতে

আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০১৬

আগামী পাঁচ বছরে পোশাক খাতের রপ্তানি ৫ হাজার কোটি ডলারে নিতে হলে চলমান প্রবৃদ্ধির আকার হতে হবে প্রায় দ্বিগুণ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এজন্য নতুন বাজার দখলের পাশাপাশি জোর দিতে হবে পণ্যের গুণগত মান আর উৎপাদন বাড়ানোর দিকে। তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ বলছে, বড় এই স্বপ্ন পুরণ চ্যালেঞ্জ হলেও প্রস্তুতি চলছে।

যার সুফল মিলবে আসছে বছরগুলোতে। ইতিহাসে প্রথমবারের মত দেশজ আয়ের প্রবৃদ্ধিতে ৭ শতাংশের ঘরে পা রাখলো বাংলাদেশ। বলা হচ্ছে এর প্রধান চালক হচ্ছে রফতানি ও উৎপাদনশীল খাত। যাতে সবচেয়ে বড় অবদান রফতানির শীর্ষ খাত তৈরি পোশাকের।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সবশেষ প্রতিবেদন বলছে চলতি অর্থবছরের নয়মাসে তৈরি পোশাক থেকে রফতানি আয় হয়েছে বিশ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যা ছাড়িয়ে গেছে লক্ষ্যমাত্রাকেও। তবে ২০২১ সালের মধ্যে তৈরি পোশাকের রফতানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাবার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে হলে চলমান এই প্রবৃদ্ধিকে করত হবে প্রায় দ্বিগুণ। তাই এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নতুন বাজার খোজার পরামর্শ এই অর্থনীতিবিদের।

রফতানিতে উৎপাদনমুখী শিল্পখাতগুলোর অন্যতম চামড়া, প্লাস্টিক, পাট ও পাটজাত পণ্য। যেখানে খুব বেশি সুখবর নেই। অর্থবছরের নয়মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে রফতানি প্রবৃদ্ধি মাত্র পৌনে তিন ভাগ। প্লাস্টিক পণ্যের রফতানি আয় কমেছে সাড়ে বার ভাগ।

আর পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয় কমেছে প্রায় তের ভাগ। সিপিডির এই নির্বাহী পরিচালকের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে যার বড় সুযোগ নিতে পারে বাংলাদেশ। তবে কেবল তৈরি পোশাকে নয়, বিশ্ব প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে উৎপাদশীল সব পণ্যেই মূল্য সংযোজন প্রয়োজন। এজন্য সরকারি পদক্ষেপও জরুরী বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।