ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

খালেদা জিয়া বিদেশে গেলে স্লো পয়জনিং ধরা পড়বে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২০৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ প্রতিবারই ষড়যন্ত্র করে এদেশে ক্ষমতায় এসেছে, অন্যদিকে বিএনপি বিপুল ভোটের জনপ্রিয়তা নিয়ে ক্ষমতায় এসে জনকল্যাণে গণতন্ত্র সুরক্ষায় কাজ করেছে। তাদের মত দিনের ভোট রাতে করে ক্ষমতায় আসে নাই। অবৈধ খুনি আর লুটেরা সরকার নির্বাচনকে ভয় পায়। দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার সুযোগসহ মুক্তির দাবিতে গতকাল শুক্রবার বিকেলে মহানগরীর জেলা স্কুল মাঠে বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিলে তাকে যে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে তা প্রকাশ পেয়ে যাবে বলেই সরকার অনুমতি দিচ্ছেন না। তিনি বলেন, এই শেখ হাসিনা সরকারের কাছে কোন কিছু দাবি করে লাভ নেই। শেখ হাসিনা নিজেই কানে শোনে না বলে দেশের মানুষের কথা তিনি শুনতে পান না বলেও উল্লেখ করেন মির্জা আব্বাস।

তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পুলিশি ক্ষমতা দিয়ে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। এতই জনপ্রিয়তা থাকলে ভোটের মাঠের লড়াইয়ে আসারও আহবান জানান মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, এদেশে আওয়ামী লীগ ছিল না, ছিল বাকশালের একদলীয় শাসন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার অধিকার তৈরি করে দিয়েছিলের বলেও উল্লেখ করেন মির্জা আব্বাস।
বরিশাল মহানগর বিএনপির আহবায়ক মুুনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদের সঞ্চলনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (বীরউত্তম), কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুজিবুর রহমান সারোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরীন, নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারেফ হোসেন, সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ, সহ সম্পাদক মনির হোসেন।

দুপুর ২টায় সমাবেশের সময় নির্ধারিত থাকলেও সকাল থেকেই নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। দুপুর দেড়টায় জুমা নামাজ শেষ হবার সাথে সাথে নগরী ছাড়াও আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকেও দলে দলে মানুষ সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন। দুইটার পরেই নগরীর জেলা স্কুল মাঠ ছাড়াও পাশের সদর রোড, শহীদ নজরুল সড়ক ও ক্লাব রোড লোকে লোকারন্য হয়ে যায়। ৩টার পরে ঈদগাহ ছাড়িয়ে সংলগ্ন বাঁধ রোডের বড় অংশজুড়ে জনতায় সয়লাব হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পরে বরিশাল মহানগরীতে প্রধান বিরোধী দলের এ সমাবেশ সাধারণ মানুষের মধ্যেও যথেষ্ট আগ্রহের সৃষ্টি করে।

সমাবেশ উপলক্ষে সকাল থেকেই বিভাগের ৬ জেলা ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা রওনোকুল ইসলাম টিপু, বরিশাল মহানগর বিএনপি প্রথম যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট আলি হায়দার, আলমগীর হোসেন, দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ, মিজানুর রহমান মুকুল, আ. হালিম, স্বেহাং সরকার কুট্টি প্রমুখ।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

খালেদা জিয়া বিদেশে গেলে স্লো পয়জনিং ধরা পড়বে

আপডেট টাইম : ১০:৩৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ প্রতিবারই ষড়যন্ত্র করে এদেশে ক্ষমতায় এসেছে, অন্যদিকে বিএনপি বিপুল ভোটের জনপ্রিয়তা নিয়ে ক্ষমতায় এসে জনকল্যাণে গণতন্ত্র সুরক্ষায় কাজ করেছে। তাদের মত দিনের ভোট রাতে করে ক্ষমতায় আসে নাই। অবৈধ খুনি আর লুটেরা সরকার নির্বাচনকে ভয় পায়। দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার সুযোগসহ মুক্তির দাবিতে গতকাল শুক্রবার বিকেলে মহানগরীর জেলা স্কুল মাঠে বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিলে তাকে যে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে তা প্রকাশ পেয়ে যাবে বলেই সরকার অনুমতি দিচ্ছেন না। তিনি বলেন, এই শেখ হাসিনা সরকারের কাছে কোন কিছু দাবি করে লাভ নেই। শেখ হাসিনা নিজেই কানে শোনে না বলে দেশের মানুষের কথা তিনি শুনতে পান না বলেও উল্লেখ করেন মির্জা আব্বাস।

তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পুলিশি ক্ষমতা দিয়ে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। এতই জনপ্রিয়তা থাকলে ভোটের মাঠের লড়াইয়ে আসারও আহবান জানান মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, এদেশে আওয়ামী লীগ ছিল না, ছিল বাকশালের একদলীয় শাসন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার অধিকার তৈরি করে দিয়েছিলের বলেও উল্লেখ করেন মির্জা আব্বাস।
বরিশাল মহানগর বিএনপির আহবায়ক মুুনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদের সঞ্চলনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (বীরউত্তম), কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুজিবুর রহমান সারোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরীন, নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারেফ হোসেন, সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ, সহ সম্পাদক মনির হোসেন।

দুপুর ২টায় সমাবেশের সময় নির্ধারিত থাকলেও সকাল থেকেই নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। দুপুর দেড়টায় জুমা নামাজ শেষ হবার সাথে সাথে নগরী ছাড়াও আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকেও দলে দলে মানুষ সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন। দুইটার পরেই নগরীর জেলা স্কুল মাঠ ছাড়াও পাশের সদর রোড, শহীদ নজরুল সড়ক ও ক্লাব রোড লোকে লোকারন্য হয়ে যায়। ৩টার পরে ঈদগাহ ছাড়িয়ে সংলগ্ন বাঁধ রোডের বড় অংশজুড়ে জনতায় সয়লাব হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পরে বরিশাল মহানগরীতে প্রধান বিরোধী দলের এ সমাবেশ সাধারণ মানুষের মধ্যেও যথেষ্ট আগ্রহের সৃষ্টি করে।

সমাবেশ উপলক্ষে সকাল থেকেই বিভাগের ৬ জেলা ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা রওনোকুল ইসলাম টিপু, বরিশাল মহানগর বিএনপি প্রথম যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট আলি হায়দার, আলমগীর হোসেন, দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ, মিজানুর রহমান মুকুল, আ. হালিম, স্বেহাং সরকার কুট্টি প্রমুখ।