ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

পুতিনকে ইরানের প্রেসিডেন্টের ফোন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০১৬
  • ৩৭১ বার

সিরিয়া ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়াতে রাশিয়া এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট একমত হয়েছেন। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার-আল আসাদের মিত্র এই দুই দেশের প্রেসিডেন্ট সোমবার টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় সিরিয়া সংকট সমাধানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে আলাপ করেন তারা।

সম্প্রতি সিরীয় সরকার এবং পশ্চিমা বিশ্ব সমর্থিত দেশটির বিদ্রোহীরা জাতিসংঘের উদ্যোগে শান্তি আলোচনায় অংশ নেয়। রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সিরিয়ার পাঁচবছরের গৃহযুদ্ধের অবসানে ওই আলোচনা শুরু হয়। সিরিয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত আড়াই লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

ক্রেমলিন বলছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন টেলিফোনে হাসান রুহানির সঙ্গে সিরিয়া সংঘাত নিয়ে নিজেদের মতামত বিনিময় করেছেন। এছাড়া অন্যান্য সাময়িক সমস্যা নিয়েও কথা বলেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি মস্কো।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার শান্তির জন্য তেহরান এবং মস্কোর মধ্যে সহযোগিতা এবং সমন্বয় জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন রুহানি।

ইরানের প্রেসিডেন্টের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ বলছে, যুদ্ধবিরতির সময় রাজনৈতিক আলোচনায় (সিরীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে) গতিবৃদ্ধি করা উচিত, তবে সিরিয়ায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ রাখা উচিত হবে না।

ক্রেমলিন এবং ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল ইসলামিক স্টেটের নিয়ন্ত্রণ থেকে ঐতিহাসিক পালমিরা শহর পুনর্দখলে নেওয়ায় প্রেসিডেন্ট আসাদকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

পুতিনকে ইরানের প্রেসিডেন্টের ফোন

আপডেট টাইম : ১১:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০১৬

সিরিয়া ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়াতে রাশিয়া এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট একমত হয়েছেন। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার-আল আসাদের মিত্র এই দুই দেশের প্রেসিডেন্ট সোমবার টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় সিরিয়া সংকট সমাধানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে আলাপ করেন তারা।

সম্প্রতি সিরীয় সরকার এবং পশ্চিমা বিশ্ব সমর্থিত দেশটির বিদ্রোহীরা জাতিসংঘের উদ্যোগে শান্তি আলোচনায় অংশ নেয়। রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সিরিয়ার পাঁচবছরের গৃহযুদ্ধের অবসানে ওই আলোচনা শুরু হয়। সিরিয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত আড়াই লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

ক্রেমলিন বলছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন টেলিফোনে হাসান রুহানির সঙ্গে সিরিয়া সংঘাত নিয়ে নিজেদের মতামত বিনিময় করেছেন। এছাড়া অন্যান্য সাময়িক সমস্যা নিয়েও কথা বলেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি মস্কো।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার শান্তির জন্য তেহরান এবং মস্কোর মধ্যে সহযোগিতা এবং সমন্বয় জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন রুহানি।

ইরানের প্রেসিডেন্টের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ বলছে, যুদ্ধবিরতির সময় রাজনৈতিক আলোচনায় (সিরীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে) গতিবৃদ্ধি করা উচিত, তবে সিরিয়ায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ রাখা উচিত হবে না।

ক্রেমলিন এবং ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল ইসলামিক স্টেটের নিয়ন্ত্রণ থেকে ঐতিহাসিক পালমিরা শহর পুনর্দখলে নেওয়ায় প্রেসিডেন্ট আসাদকে অভিনন্দন জানিয়েছে।