ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

৮০০ কোটি টাকার আংশিক উদ্ধার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০১৬
  • ৪৩৪ বার

বৈদেশিক মজুদ থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে উধাও হওয়া ৮০০ কোটি টাকার আংশিক উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। তবে চুরি যাওয়া টাকার অংক এবং উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমান জানায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গভর্নর সচিবালয়ের (প্রটোকল) মহাব্যবস্থাপক এএফএম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হ্যাকড হওয়া টাকার একাংশ আদায় করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট টাকার গন্তব্য শনাক্ত করে আদায়ের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট ফিলিপাইনের একটি মানিলন্ডারিং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ইতিমধ্যে ফিলিপাইনের ওই কর্তৃপক্ষ তাদের দেশের আদালতে মামলা দায়ের করেছে। আদালত সন্দেহভাজন সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবগুলোর লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের সাইবার বিশেষজ্ঞ ও পরামর্শক এবং তার একটি টিম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করছে। ফিলিপাইনের ওই কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাকি টাকা আদায়ের বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সাইবার অপরাধীরা।

প্রাথমিক তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, প্রায় ৮০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রথমে ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকিং চ্যানেলে স্থানান্তর করে হ্যাকাররা।

পরবর্তীতে সেখান থেকে এই অর্থ অন্য কোথাও পাচার করা হয়েছে। এর জন্য চীনার হ্যাকারদেরই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থ চুরির বিষয়টি জানার পর তা উদ্ধারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই অর্থ ফিলিপাইনে স্থানান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই সেখানে দুই জন কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়। গত ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং দেশটির অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেছেন তারা।

এদিকে ফিলিপাইনের দৈনিক দ্য ইনকোয়েরার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ থেকে ১০ কোটি ডলার মানি লন্ডারিং হয়েছে।

চীনা হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা সেখানকার কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

এতে আরো জানানো হয়েছিল, দেশটির মাকাতি শহরে রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের একটি শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ ফিলিপাইনে নেওয়া হয়। অর্থ পাচারের এই ঘটনা তদন্ত করছে ফিলিপাইনের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল।

প্রসঙ্গত, রিজার্ভের অর্থ কোন দেশে, কোথায় বিনিয়োগ বা সংরক্ষণ করা আছে তা সুইফট কোডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু বিশ্বব্যাপী সুরক্ষিত হিসেবে বিবেচিত এ নেটওয়ার্ক হ্যাক করে রিজার্ভ থেকে টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

৮০০ কোটি টাকার আংশিক উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৮:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০১৬

বৈদেশিক মজুদ থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে উধাও হওয়া ৮০০ কোটি টাকার আংশিক উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। তবে চুরি যাওয়া টাকার অংক এবং উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমান জানায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গভর্নর সচিবালয়ের (প্রটোকল) মহাব্যবস্থাপক এএফএম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হ্যাকড হওয়া টাকার একাংশ আদায় করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট টাকার গন্তব্য শনাক্ত করে আদায়ের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট ফিলিপাইনের একটি মানিলন্ডারিং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ইতিমধ্যে ফিলিপাইনের ওই কর্তৃপক্ষ তাদের দেশের আদালতে মামলা দায়ের করেছে। আদালত সন্দেহভাজন সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবগুলোর লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের সাইবার বিশেষজ্ঞ ও পরামর্শক এবং তার একটি টিম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করছে। ফিলিপাইনের ওই কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাকি টাকা আদায়ের বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সাইবার অপরাধীরা।

প্রাথমিক তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, প্রায় ৮০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রথমে ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকিং চ্যানেলে স্থানান্তর করে হ্যাকাররা।

পরবর্তীতে সেখান থেকে এই অর্থ অন্য কোথাও পাচার করা হয়েছে। এর জন্য চীনার হ্যাকারদেরই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থ চুরির বিষয়টি জানার পর তা উদ্ধারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই অর্থ ফিলিপাইনে স্থানান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই সেখানে দুই জন কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়। গত ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং দেশটির অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেছেন তারা।

এদিকে ফিলিপাইনের দৈনিক দ্য ইনকোয়েরার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ থেকে ১০ কোটি ডলার মানি লন্ডারিং হয়েছে।

চীনা হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা সেখানকার কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

এতে আরো জানানো হয়েছিল, দেশটির মাকাতি শহরে রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের একটি শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ ফিলিপাইনে নেওয়া হয়। অর্থ পাচারের এই ঘটনা তদন্ত করছে ফিলিপাইনের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল।

প্রসঙ্গত, রিজার্ভের অর্থ কোন দেশে, কোথায় বিনিয়োগ বা সংরক্ষণ করা আছে তা সুইফট কোডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু বিশ্বব্যাপী সুরক্ষিত হিসেবে বিবেচিত এ নেটওয়ার্ক হ্যাক করে রিজার্ভ থেকে টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে।