ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

ইলিশ’কাঁটাবিহীন’ চান মন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০১৬
  • ৩১৮ বার

‘কাঁটাবিহীন’ ইলিশের জাত আবিষ্কার করতে মৎস্য বিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হক। গতকাল রাজধানীর মৎস্য ভবনে ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে গবেষণা অগ্রগতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় মৎস্য বিজ্ঞানীদের প্রতি এ আহ্বান জানান মন্ত্রী। মন্ত্রীর এমন আহ্বানে অনুষ্ঠানস্থলে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট আয়োজিত কর্মশালায় বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে ছায়েদুল হক বলেন, স্বাদের কারণে বহির্বিশ্বে ইলিশের খুব চাহিদা রয়েছে। বিদেশিরা এটা দিয়ে স্যুপ খেতে চায়। কিন্তু ইলিশে খুব বেশি কাঁটা থাকায় তারা এটা ব্যবহার করতে পারে না। তাই ‘কাঁটামুক্ত’ ইলিশ মাছের প্রক্রিয়াটা আপনারা আবিষ্কার করুন এবং আমাদের নলেজে দিন। ‘কাঁটামুক্ত’ ইলিশ বহির্বিশ্বে আরও বেশি জনপ্রিয় হবে।’

এসময় কর্মশালায় ব্যাপক হাস্যরস পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তখন মন্ত্রী বলেন, ‘কাঁটাছাড়া ইলিশের জনপ্রিয়তার কথা আমাকে নেত্রী নিজে বলেছেন। প্রক্রিয়াটা আপনারা আমাদেরকে দেন।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশের প্রতি মানুষ যদি প্রত্যেক দিন মাছ খায় তাহলে গড় হিসেবে বার্ষিক মাছের চাহিদা হবে ২৪-৪৩ লাখ টন। ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত আমাদের দেশে বার্ষিক মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩৭ লাখ টন।’

বিগত বছরগুলোতে প্রতিবছর ১০-১২ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে। আর সংশ্লিষ্টদের গবেষণা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে ইলিশ উৎপাদন ক্রমেই বাড়বে বলে জানান মন্ত্রী। কর্মশালয় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আনিছুর রহমান।

কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আনিসুর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, ওয়ার্ল্ড ফিস বাংলাদেশের পরিচালক ড. ক্রেইগ মাইজনার, ইলিশ বিশেষজ্ঞ গোবিন্দ চন্দ্র হালদার প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

ইলিশ’কাঁটাবিহীন’ চান মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০১৬

‘কাঁটাবিহীন’ ইলিশের জাত আবিষ্কার করতে মৎস্য বিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হক। গতকাল রাজধানীর মৎস্য ভবনে ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে গবেষণা অগ্রগতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় মৎস্য বিজ্ঞানীদের প্রতি এ আহ্বান জানান মন্ত্রী। মন্ত্রীর এমন আহ্বানে অনুষ্ঠানস্থলে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট আয়োজিত কর্মশালায় বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে ছায়েদুল হক বলেন, স্বাদের কারণে বহির্বিশ্বে ইলিশের খুব চাহিদা রয়েছে। বিদেশিরা এটা দিয়ে স্যুপ খেতে চায়। কিন্তু ইলিশে খুব বেশি কাঁটা থাকায় তারা এটা ব্যবহার করতে পারে না। তাই ‘কাঁটামুক্ত’ ইলিশ মাছের প্রক্রিয়াটা আপনারা আবিষ্কার করুন এবং আমাদের নলেজে দিন। ‘কাঁটামুক্ত’ ইলিশ বহির্বিশ্বে আরও বেশি জনপ্রিয় হবে।’

এসময় কর্মশালায় ব্যাপক হাস্যরস পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তখন মন্ত্রী বলেন, ‘কাঁটাছাড়া ইলিশের জনপ্রিয়তার কথা আমাকে নেত্রী নিজে বলেছেন। প্রক্রিয়াটা আপনারা আমাদেরকে দেন।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশের প্রতি মানুষ যদি প্রত্যেক দিন মাছ খায় তাহলে গড় হিসেবে বার্ষিক মাছের চাহিদা হবে ২৪-৪৩ লাখ টন। ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত আমাদের দেশে বার্ষিক মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩৭ লাখ টন।’

বিগত বছরগুলোতে প্রতিবছর ১০-১২ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে। আর সংশ্লিষ্টদের গবেষণা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে ইলিশ উৎপাদন ক্রমেই বাড়বে বলে জানান মন্ত্রী। কর্মশালয় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আনিছুর রহমান।

কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আনিসুর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, ওয়ার্ল্ড ফিস বাংলাদেশের পরিচালক ড. ক্রেইগ মাইজনার, ইলিশ বিশেষজ্ঞ গোবিন্দ চন্দ্র হালদার প্রমুখ।