ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বিষমুক্ত ফসল চাষে পিছিয়ে নেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নারীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১
  • ২৬৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ঘোড়াঘাটে বিষমুক্ত ফসল চাষে পিছিয়ে নেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নারীরা। পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে বছরব্যাপী উচ্চ মূল্যের সবজি ও বারোমাসি তরমুজ করছেন তারা। তাদের উৎপাদিত ফসল দিনের দিন জনপ্রিয় হচ্ছে স্থানীয়দের মধ্যে। চলতি বছরে উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৪টি ইউনিয়নে একশ জন আদিবাসী নারী কৃষক ১ হেক্টর জমিতে তৃপ্তি ও মধুমালা জাতের বারোমাসি তরমুজ ও ৩ হেক্টর জমিতে বিষমুক্ত সবজি চাষ করেছেন।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ঘোড়াঘাট এপির বাস্তবায়নে ইনোভেশন প্রকল্পের আওয়তায় উপজেলা কৃষি অফিসের প্রযুক্তিগত কারিগরি সহযোগিতায় আদিবাসী নারীরা এসব ফসল ও তরমুজ চাষ করেছেন।

বিষমুক্ত সবজি চাষে তাক লাগানো সাফল্য

প্রদশনী গুলোতে মাটিতে মালচিং পেপারের নিচে রোপন করা বীজ থেকে চারা উঠে দুই পাশে দেওয়া বাঁশের তৈরি মাচার উপরে বড় হয়েছে গাছ। গাছে ঝুলছে তৃপ্তি ও মধুমালা জাতের তরমুজ। তরমুজগুলো যাতে ছিড়ে না পড়ে এজন্য ব্যবহার করা হয়েছে এক প্রকার নেটের ব্যাগ। মধুমালা জাতের তরমুজ ওজনে হয় এক থেকে দেড় কেজি আর তৃপ্তি জাতের তরমুজের ওজন দুই থেকে তিন কেজি। প্রতি কেজি তরমুজ ৬০ টাকা দরে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে।

 

পরিবেশ বান্ধব বিভিন্ন কৌশল যেমন- ফাঁদ পদ্ধতি ও জৈব বালাই নাশক ব্যবহার করে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার ছাড়াই প্রদর্শনী গুলোতে উৎপাদন করছে বারোমাসি তরমুজ ও বিভিন্ন জাতের বেগুন, পটল, লাউ, ঝিঙা, শসাসহ নানা রকমের সবজি। কৃষকরা নিরাপদ সবজি উৎপাদনে ব্যবহার করছেন ফেরোমন ফাঁদ, নিম পাতা ও বিষ কাটালের রস।

উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের শীধলগ্রামের কৃষাণী সুচিত্রা মাহাতো বলেন, ‌‘ওয়ার্ল্ড ভিশন এবং কৃষি অফিসের সহযোগিতায় আমরা সবজি ও তরমুজের চাষ করছি। বিষমুক্ত হওয়ায় স্থানীয় ভাবে চাহিদা থাকায় এই তরমুজ চাষ করে আমরা খুবই লাভবান হচ্ছি। ওয়াল্ড ভিশন আমাদের বীজ, কাগজ ও সার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।’

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. এখলাছ হোসেন সরকার বলেন, ‘প্রান্তিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নারী কৃষকরা তাদের বসতভিটার ছোট জায়গায় বিষমুক্ত নিরাপদ ফসল ও বারোমাসি তরমুজ চাষ করে আর্থিক ভাবে বাড়তি আয় করতে পারে। সেজন্য তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি ও তাদেরকে সব ধরনের কারিগরি সহযোগিতা দিয়েছি।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

বিষমুক্ত ফসল চাষে পিছিয়ে নেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নারীরা

আপডেট টাইম : ০৫:০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ঘোড়াঘাটে বিষমুক্ত ফসল চাষে পিছিয়ে নেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নারীরা। পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে বছরব্যাপী উচ্চ মূল্যের সবজি ও বারোমাসি তরমুজ করছেন তারা। তাদের উৎপাদিত ফসল দিনের দিন জনপ্রিয় হচ্ছে স্থানীয়দের মধ্যে। চলতি বছরে উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৪টি ইউনিয়নে একশ জন আদিবাসী নারী কৃষক ১ হেক্টর জমিতে তৃপ্তি ও মধুমালা জাতের বারোমাসি তরমুজ ও ৩ হেক্টর জমিতে বিষমুক্ত সবজি চাষ করেছেন।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ঘোড়াঘাট এপির বাস্তবায়নে ইনোভেশন প্রকল্পের আওয়তায় উপজেলা কৃষি অফিসের প্রযুক্তিগত কারিগরি সহযোগিতায় আদিবাসী নারীরা এসব ফসল ও তরমুজ চাষ করেছেন।

বিষমুক্ত সবজি চাষে তাক লাগানো সাফল্য

প্রদশনী গুলোতে মাটিতে মালচিং পেপারের নিচে রোপন করা বীজ থেকে চারা উঠে দুই পাশে দেওয়া বাঁশের তৈরি মাচার উপরে বড় হয়েছে গাছ। গাছে ঝুলছে তৃপ্তি ও মধুমালা জাতের তরমুজ। তরমুজগুলো যাতে ছিড়ে না পড়ে এজন্য ব্যবহার করা হয়েছে এক প্রকার নেটের ব্যাগ। মধুমালা জাতের তরমুজ ওজনে হয় এক থেকে দেড় কেজি আর তৃপ্তি জাতের তরমুজের ওজন দুই থেকে তিন কেজি। প্রতি কেজি তরমুজ ৬০ টাকা দরে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে।

 

পরিবেশ বান্ধব বিভিন্ন কৌশল যেমন- ফাঁদ পদ্ধতি ও জৈব বালাই নাশক ব্যবহার করে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার ছাড়াই প্রদর্শনী গুলোতে উৎপাদন করছে বারোমাসি তরমুজ ও বিভিন্ন জাতের বেগুন, পটল, লাউ, ঝিঙা, শসাসহ নানা রকমের সবজি। কৃষকরা নিরাপদ সবজি উৎপাদনে ব্যবহার করছেন ফেরোমন ফাঁদ, নিম পাতা ও বিষ কাটালের রস।

উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের শীধলগ্রামের কৃষাণী সুচিত্রা মাহাতো বলেন, ‌‘ওয়ার্ল্ড ভিশন এবং কৃষি অফিসের সহযোগিতায় আমরা সবজি ও তরমুজের চাষ করছি। বিষমুক্ত হওয়ায় স্থানীয় ভাবে চাহিদা থাকায় এই তরমুজ চাষ করে আমরা খুবই লাভবান হচ্ছি। ওয়াল্ড ভিশন আমাদের বীজ, কাগজ ও সার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।’

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. এখলাছ হোসেন সরকার বলেন, ‘প্রান্তিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নারী কৃষকরা তাদের বসতভিটার ছোট জায়গায় বিষমুক্ত নিরাপদ ফসল ও বারোমাসি তরমুজ চাষ করে আর্থিক ভাবে বাড়তি আয় করতে পারে। সেজন্য তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি ও তাদেরকে সব ধরনের কারিগরি সহযোগিতা দিয়েছি।’