ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

গবেষণা ক’রতে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন কানাডিয়ান নারী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মার্চ ২০২১
  • ৩১১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কানাডা বংশোদ্ভূত ইংরেজি শিক্ষিকা জেনি মোলেন্ডিক ডিভলিলি অনলাইনে শি’শুদের জন্য ইসলাম শিক্ষা প্রসারে ব্যা’পক ভূমিকা পা’লন করছেন। পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শি’শুদের জন্য শিক্ষা প্রদান করছেন।
সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ জা’নিয়েছেন, ভাষাতত্ত্ব ও সাংকেতিক ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজে ইসলামের স’ঙ্গে পরিচয় হয় তার। পরে ২০০৬ সালে মোলেন্ডিক ডিভলিলি দীর্ঘ পড়াশোনা শেষে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে এক দশক ধ’রে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে বসবাস করছেন এবং ইংরেজি ভাষা শেখাচ্ছেন।
মোলেন্ডিক কানাডার একটি খ্রিস্টান পরিবারে জ’ন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন একজন পু’লিশ অফিসার আর মা ছিলেন একজন নার্স। ভাষাতত্ত্বে স্নাতককালে ও আমেরিকার সাংকেতিক ভাষার অনুবাদের সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন। জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে তিনি মুসলিমদের স’ঙ্গে নানা বিষয়ে বিত’র্ক শুরু করেন।
এ নিয়ে মোলেন্ডিক বলেন, ‘আমি মুসলিমদের স’স্পর্কে কিছুই জানতাম না। ইসলাম নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করি। সপ্তাহে একদিন আমাকে মসজিদে সাংকেতিক বা ইশারা ভাষা অনুবাদের কাজ ক’রতে হত। তখন থেকে আমি ইসলাম স’স্পর্কে পড়াশোনা শুরু করি।

দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আমা’র সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি। অবশেষে ২০০৬ সালের ১৪ মে আমি ইসলাম গ্রহণ করি। তা ছিল আমা’র জীবনের সর্বোত্তম সিদ্ধা’ন্ত। আমা’র জন্য নতুন এক জগত উম্মু’ক্ত হয় এবং নতুন জীবন শুরু করি। আমি উপলব্ধি করি যে ইসলামই সর্বোত্তম জীবন ব্যব’স্থা।’

ইসলাম নিয়ে পড়তে গিয়ে মোলেন্ডিকের মনে হয়েছে, তার নিজস্ব জীবনাচার ও সংস্কৃতি পুরোপুরি ত্যা’গ ক’রতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অনেক দু’শ্চিন্তায় প’ড়েন তিনি। কিন্তু একজন মুসলিম ব্য’ক্তিত্বের একটি আলোচনা শুনে তার ভীতি কে’টে যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

গবেষণা ক’রতে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন কানাডিয়ান নারী

আপডেট টাইম : ০৮:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মার্চ ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কানাডা বংশোদ্ভূত ইংরেজি শিক্ষিকা জেনি মোলেন্ডিক ডিভলিলি অনলাইনে শি’শুদের জন্য ইসলাম শিক্ষা প্রসারে ব্যা’পক ভূমিকা পা’লন করছেন। পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শি’শুদের জন্য শিক্ষা প্রদান করছেন।
সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ জা’নিয়েছেন, ভাষাতত্ত্ব ও সাংকেতিক ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজে ইসলামের স’ঙ্গে পরিচয় হয় তার। পরে ২০০৬ সালে মোলেন্ডিক ডিভলিলি দীর্ঘ পড়াশোনা শেষে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে এক দশক ধ’রে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে বসবাস করছেন এবং ইংরেজি ভাষা শেখাচ্ছেন।
মোলেন্ডিক কানাডার একটি খ্রিস্টান পরিবারে জ’ন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন একজন পু’লিশ অফিসার আর মা ছিলেন একজন নার্স। ভাষাতত্ত্বে স্নাতককালে ও আমেরিকার সাংকেতিক ভাষার অনুবাদের সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন। জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে তিনি মুসলিমদের স’ঙ্গে নানা বিষয়ে বিত’র্ক শুরু করেন।
এ নিয়ে মোলেন্ডিক বলেন, ‘আমি মুসলিমদের স’স্পর্কে কিছুই জানতাম না। ইসলাম নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করি। সপ্তাহে একদিন আমাকে মসজিদে সাংকেতিক বা ইশারা ভাষা অনুবাদের কাজ ক’রতে হত। তখন থেকে আমি ইসলাম স’স্পর্কে পড়াশোনা শুরু করি।

দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আমা’র সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি। অবশেষে ২০০৬ সালের ১৪ মে আমি ইসলাম গ্রহণ করি। তা ছিল আমা’র জীবনের সর্বোত্তম সিদ্ধা’ন্ত। আমা’র জন্য নতুন এক জগত উম্মু’ক্ত হয় এবং নতুন জীবন শুরু করি। আমি উপলব্ধি করি যে ইসলামই সর্বোত্তম জীবন ব্যব’স্থা।’

ইসলাম নিয়ে পড়তে গিয়ে মোলেন্ডিকের মনে হয়েছে, তার নিজস্ব জীবনাচার ও সংস্কৃতি পুরোপুরি ত্যা’গ ক’রতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অনেক দু’শ্চিন্তায় প’ড়েন তিনি। কিন্তু একজন মুসলিম ব্য’ক্তিত্বের একটি আলোচনা শুনে তার ভীতি কে’টে যায়।