ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

হাসান-হুসাইন (রা.)-এর প্রতি হজরত আলির নির্দেশনা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ইসলামে চতুর্থ খলিফা হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু। মৃত্যুর আগে তিনি তার দুই সন্তান হজরত হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমাকে দ্বীন ও দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কিছু অসিয়ত করেছেন। যা দুনিয়ার সব মানুষের জন্যও একান্ত পালনীয়।

ইমাম তাবারি ও ইমাম আবুল ফরাজ আল-ইস্পাহানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহিম নিজ নিজ গ্রন্থে অসিয়ত সম্পর্কিত ঘটনা ও বিবরণ তুলে ধরেন।

মৃত্যুর সময় হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর দুই সন্তানকে অসিয়ত করার জন্য খাতা-কলম চাইলেন। আর একজন লেখককে বললেন, লিখ-
‘বিসমিল্লাহির রাহমানুরি রাহিম’ : ‘এটি আলির পক্ষ থেকে অসিয়তনামা’ তিনি ওসিয়ত করলেন-
– ‘আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক ও একক। তাঁর কোনো শরিক নেই। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসুল।
– ‘তিনি তাঁকে হেদায়াত ও সত্য ধর্মসহ পাঠিয়েছেন। যেন তিনি সব ধর্মের ওপর বিজয়ী হতে পারেন। যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৩৩)
– নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কুরবানি, আমার জীবন, আমার মৃত্যু; শুধু বিশ্ব জাহানের প্রভু আল্লাহ তাআলার জন্য নিবেদিত। তাঁর কোনো শরিক নেই। আর এ ব্যাপারে আমি আদিষ্ট হয়েছি এবং আমিই সর্ব প্রথম আত্মসমর্পণকারী।’ (সুরা আনআম : আয়াত ১৬২)

হে হাসান! আমি তোমাকে আমার সন্তান-সন্তুতি; পরিবার এবং যার কাছে এই কিতাব (কুরআন) পৌঁছেছে তাকে আমার প্রভু আল্লাহকে ভয় করার ব্যাপারে অসিয়ত করছি। আর কখনোই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।

‘তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রশিকে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরো এবং বিভক্ত হয়ে পড়ো না।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১০৫)
কেননা আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘পরস্পরের মাঝে আপোষ করিয়ে দেয়া নফল নামাজ, নফল রোজা এবং সাদকার চেয়েও উত্তম। আর পরস্পরের মাঝে ফাসাদ তৈরি করা দ্বীনকে ধ্বংস করার নামান্তর।’ (আবু দাউদ)

লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম অর্থাৎ আল্লাহ তাআলাই সব ক্ষমতা ও শক্তির উৎস। তিনি সুমহান সমুন্নত।

তোমরা তোমাদের আত্মীয়-স্বজনের প্রতি যত্নবান হবে। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখবে। আল্লাহ তাআলা তোমাদের হিসাব সহজ করে দেবেন।

ইয়াতিমের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। কখনও অন্যায়ভাবে তোমরা তাদের সম্পদ ভোগ করবে না।

তোমাদের প্রতিবেশির অধিকার বিষয়ে সতর্ক থাকবে। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনভাবে তাদের ব্যাপারে অসিয়ত করেছেন, আমার মনে হলো- তিনি যেন তাদের ওয়ারিশ বানিয়ে দিলেন।

আল-কুরআনুল কারিমের হুকুম মানার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। এর ওপর আমল করতে গিয়ে কেউ যেন তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী না হয়।

নামাজ পড়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকবে। কেননা নামাজ তোমাদের দ্বীনের ভিত্তি।

তোমাদের রবের ঘরে (বাইতুল্লাহর) ইবাদত করার ব্যাপারে সাবধান থাকবে। তোমরা বেঁচে থাকতে কখনও যেন এটি ইবাদত শূন্য না হয়ে পড়ে। ইবাদত শূন্য হলেও তোমাদের তোষামোদ করা হবে না আর তোমাদের অপেক্ষায় খালিও পড়ে থাকবে না।

রমজানের রোজা পালনের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। কেননা এটি জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য ঢালস্বরূপ।

আল্লাহর পথে জান-মাল দিয়ে জিহাদ করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।

তোমাদের সম্পদের জাকাত আদায় করার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকবে। কেননা জাকাত তোমাদের প্রভুর রাগকে প্রশমিত করে।

আল্লাহর নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। তোমাদের জিম্মায় তাদের ওপর যেন কোনো জুলুম করা না হয়।

তোমাদের নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবিদের ব্যাপারে সর্তকতা অবলম্বন করবে। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের জন্য সতর্কতা অবলম্বনের অসিয়ত করে গেছেন।

অসহায় মিসকিনদের ব্যাপারে সাবধান থাকবে। অসহায়দের তোমাদের সম্পত্তির ভাগ দেবে।

তোমাদের দাস-দাসীদের (কাজের লোকদের) ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। কারণ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বশেষ ভাষণে তাদের ব্যাপারে অসিয়ত করেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বাণী ছিল-
‘নামাজ! নামাজ! তোমরা তোমাদের অধিনস্ত দাস-দাসীদের (কাজের লোক) ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো।’ (আবু দাউদ)

আল্লাহর ব্যাপারে কোনো তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে তোমরা ভয় পেয়ো না। যে তোমাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। আর তোমাদের অকল্যাণ কামনা করে। তার মোকাবেলায় আল্লাহ-ই তোমাদের জন্য যথেষ্ট।’

মানুষের সঙ্গে উত্তমভাবে কথা বলবে। যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে কথা বলতে আদেশ করেছেন।

কল্যাণের (ভালো কাজে) আদেশ (উৎসাহিত) করবে আর অকল্যাণে বাধা দেবে। যদি তা না কর; তবে তোমাদের থেকে কল্যাণ উঠে যাবে এবং তোমাদের ডাকে সাড়া দেয়া হবে না।

বিনয়, নম্রতা এবং পারস্পরিক সদ্ভাব বজায় রাখবে। পারস্পরিক বিচ্ছেদ, বিভক্তি এবং শত্রুতার সব পথ পরিহার করবে।

তাকওয়া ও কল্যাণের পথে পরস্পর সহযোগিতা করবে। অন্যায় এবং সীমালঙ্ঘনের পথে চলবে না। আল্লাহ তাআলাকে ভয় করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কঠিন শাস্তিদাতা।’ (সুরা মায়েদা : আয়াত ২)

হে আহলে বাইত! আল্লাহ তাআলা তোমাদের হেফাজত করুন। যেভাবে তিনি তোমাদের মাঝে তাঁর নবিকে হেফাজত করেছেন। (তারিখুল উমাম ওয়াল মুলুক, মাক্বাতিল আত-তালিবিয়্যিন)

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

হাসান-হুসাইন (রা.)-এর প্রতি হজরত আলির নির্দেশনা

আপডেট টাইম : ০২:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ইসলামে চতুর্থ খলিফা হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু। মৃত্যুর আগে তিনি তার দুই সন্তান হজরত হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমাকে দ্বীন ও দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কিছু অসিয়ত করেছেন। যা দুনিয়ার সব মানুষের জন্যও একান্ত পালনীয়।

ইমাম তাবারি ও ইমাম আবুল ফরাজ আল-ইস্পাহানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহিম নিজ নিজ গ্রন্থে অসিয়ত সম্পর্কিত ঘটনা ও বিবরণ তুলে ধরেন।

মৃত্যুর সময় হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর দুই সন্তানকে অসিয়ত করার জন্য খাতা-কলম চাইলেন। আর একজন লেখককে বললেন, লিখ-
‘বিসমিল্লাহির রাহমানুরি রাহিম’ : ‘এটি আলির পক্ষ থেকে অসিয়তনামা’ তিনি ওসিয়ত করলেন-
– ‘আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক ও একক। তাঁর কোনো শরিক নেই। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসুল।
– ‘তিনি তাঁকে হেদায়াত ও সত্য ধর্মসহ পাঠিয়েছেন। যেন তিনি সব ধর্মের ওপর বিজয়ী হতে পারেন। যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৩৩)
– নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কুরবানি, আমার জীবন, আমার মৃত্যু; শুধু বিশ্ব জাহানের প্রভু আল্লাহ তাআলার জন্য নিবেদিত। তাঁর কোনো শরিক নেই। আর এ ব্যাপারে আমি আদিষ্ট হয়েছি এবং আমিই সর্ব প্রথম আত্মসমর্পণকারী।’ (সুরা আনআম : আয়াত ১৬২)

হে হাসান! আমি তোমাকে আমার সন্তান-সন্তুতি; পরিবার এবং যার কাছে এই কিতাব (কুরআন) পৌঁছেছে তাকে আমার প্রভু আল্লাহকে ভয় করার ব্যাপারে অসিয়ত করছি। আর কখনোই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।

‘তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রশিকে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরো এবং বিভক্ত হয়ে পড়ো না।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১০৫)
কেননা আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘পরস্পরের মাঝে আপোষ করিয়ে দেয়া নফল নামাজ, নফল রোজা এবং সাদকার চেয়েও উত্তম। আর পরস্পরের মাঝে ফাসাদ তৈরি করা দ্বীনকে ধ্বংস করার নামান্তর।’ (আবু দাউদ)

লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম অর্থাৎ আল্লাহ তাআলাই সব ক্ষমতা ও শক্তির উৎস। তিনি সুমহান সমুন্নত।

তোমরা তোমাদের আত্মীয়-স্বজনের প্রতি যত্নবান হবে। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখবে। আল্লাহ তাআলা তোমাদের হিসাব সহজ করে দেবেন।

ইয়াতিমের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। কখনও অন্যায়ভাবে তোমরা তাদের সম্পদ ভোগ করবে না।

তোমাদের প্রতিবেশির অধিকার বিষয়ে সতর্ক থাকবে। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনভাবে তাদের ব্যাপারে অসিয়ত করেছেন, আমার মনে হলো- তিনি যেন তাদের ওয়ারিশ বানিয়ে দিলেন।

আল-কুরআনুল কারিমের হুকুম মানার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। এর ওপর আমল করতে গিয়ে কেউ যেন তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী না হয়।

নামাজ পড়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকবে। কেননা নামাজ তোমাদের দ্বীনের ভিত্তি।

তোমাদের রবের ঘরে (বাইতুল্লাহর) ইবাদত করার ব্যাপারে সাবধান থাকবে। তোমরা বেঁচে থাকতে কখনও যেন এটি ইবাদত শূন্য না হয়ে পড়ে। ইবাদত শূন্য হলেও তোমাদের তোষামোদ করা হবে না আর তোমাদের অপেক্ষায় খালিও পড়ে থাকবে না।

রমজানের রোজা পালনের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। কেননা এটি জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য ঢালস্বরূপ।

আল্লাহর পথে জান-মাল দিয়ে জিহাদ করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।

তোমাদের সম্পদের জাকাত আদায় করার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকবে। কেননা জাকাত তোমাদের প্রভুর রাগকে প্রশমিত করে।

আল্লাহর নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। তোমাদের জিম্মায় তাদের ওপর যেন কোনো জুলুম করা না হয়।

তোমাদের নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবিদের ব্যাপারে সর্তকতা অবলম্বন করবে। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের জন্য সতর্কতা অবলম্বনের অসিয়ত করে গেছেন।

অসহায় মিসকিনদের ব্যাপারে সাবধান থাকবে। অসহায়দের তোমাদের সম্পত্তির ভাগ দেবে।

তোমাদের দাস-দাসীদের (কাজের লোকদের) ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। কারণ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বশেষ ভাষণে তাদের ব্যাপারে অসিয়ত করেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বাণী ছিল-
‘নামাজ! নামাজ! তোমরা তোমাদের অধিনস্ত দাস-দাসীদের (কাজের লোক) ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো।’ (আবু দাউদ)

আল্লাহর ব্যাপারে কোনো তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে তোমরা ভয় পেয়ো না। যে তোমাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। আর তোমাদের অকল্যাণ কামনা করে। তার মোকাবেলায় আল্লাহ-ই তোমাদের জন্য যথেষ্ট।’

মানুষের সঙ্গে উত্তমভাবে কথা বলবে। যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে কথা বলতে আদেশ করেছেন।

কল্যাণের (ভালো কাজে) আদেশ (উৎসাহিত) করবে আর অকল্যাণে বাধা দেবে। যদি তা না কর; তবে তোমাদের থেকে কল্যাণ উঠে যাবে এবং তোমাদের ডাকে সাড়া দেয়া হবে না।

বিনয়, নম্রতা এবং পারস্পরিক সদ্ভাব বজায় রাখবে। পারস্পরিক বিচ্ছেদ, বিভক্তি এবং শত্রুতার সব পথ পরিহার করবে।

তাকওয়া ও কল্যাণের পথে পরস্পর সহযোগিতা করবে। অন্যায় এবং সীমালঙ্ঘনের পথে চলবে না। আল্লাহ তাআলাকে ভয় করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কঠিন শাস্তিদাতা।’ (সুরা মায়েদা : আয়াত ২)

হে আহলে বাইত! আল্লাহ তাআলা তোমাদের হেফাজত করুন। যেভাবে তিনি তোমাদের মাঝে তাঁর নবিকে হেফাজত করেছেন। (তারিখুল উমাম ওয়াল মুলুক, মাক্বাতিল আত-তালিবিয়্যিন)