ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
৬৯ দিনে ছয় দেশ সফর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা খানকে ঘিরে প্রশ্ন রাজপথের লড়াকু সৈনিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের গল্প ৫৩টি বাড়ি-ফ্ল্যাটের সন্ধান দুবাইয়ে বাংলাদেশি আ’লীগ নেতাদের সাম্রাজ্য ১৭ বছরে আপনাদের ব্যর্থতার কি কোনো দায় নেই: পার্থকে তাজনূভা জাবীন ১৩৩ দেশের অংশগ্রহণে মক্কায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা শুরু নদীদূষণ রোধে অবহেলার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করছে সউদী-তুরস্ক-পাকিস্তান শত্রুরাষ্ট্র আচরণে ভারত সমালোচনার মুখেও ফিফা সভাপতির পাশে দাঁড়াল আর্জেন্টিনা সাতসকালে সড়কে ঝরল ১৫ প্রাণ

স্বাধীনতাকামি মুক্তি পাগল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
  • ৪৩৬ বার

এক সময় পক হানাদার বাহিনীর গল্প শুনে আমি খুব ভয় পেতাম,

বোকা ছেলের মত, মায়ের আচলে মুখ লুকাবার চেষ্টা করতাম।

বাবার মুখ থেকে শুনে ছিলাম-
সকাল বেলায় ঘুম ভাঙ্গত পাক হানাদার বাহিনির প্রচন্ড গোলাগুলির শব্দে,

ভোরের হাওয়া গায়ে না লাগতেই পালানোর চেষ্টা করতো।

মনেপড়ে, সেই নৃশংস এক করুন দৃশ্যের কথা।

চোখ বেধেঁ বুকের উপর দাঁড়িয়ে ডুবার পাড়ে দাঁড় করিয়ে,

একেরপর এক গুলি ছুঁড়ে লাশের স্তুপ করে দিত।

রঙ তামাশায় মক্ত হয়ে, লাশের স্তুপের উপড় দাঁড়িয়ে,

হানাদার বাহিনি অট্রহাসি হাসত।

প্রতিশোধের নেশায় মক্ত হয়ে
টগবগিয়ে ফুটে উঠত আমার রক্ত।

স্পিত হয়ে দ্রুত গতিতে প্রতিটি শিরা-উপশিরায় প্রবাহিত হত,

পাক হানাদার বাহিনি তাড়ানোর এক প্রচন্ড বাসনায়।

বাংলা মায়ের মুখ থেকে হায়না মুক্ত করার এক প্রবল ইচ্ছায়,
মনে হচ্ছিল তখনি স্কুল ব্যাগ ছুড়ে ফেলে,

ছুটে চলে যায় রনাংঙ্গনে ,অংশগ্রহন করি মুক্তি বাহিনিতে।

সকল প্রকার জড়তা,ভীরুতার বৃও ভেঙ্গে।
আর তখন থেকেই আমি হয়ে যায়

স্বাধীনতাকামি হায়না মুক্তি পাগল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৬৯ দিনে ছয় দেশ সফর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা খানকে ঘিরে প্রশ্ন

স্বাধীনতাকামি মুক্তি পাগল

আপডেট টাইম : ১২:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

এক সময় পক হানাদার বাহিনীর গল্প শুনে আমি খুব ভয় পেতাম,

বোকা ছেলের মত, মায়ের আচলে মুখ লুকাবার চেষ্টা করতাম।

বাবার মুখ থেকে শুনে ছিলাম-
সকাল বেলায় ঘুম ভাঙ্গত পাক হানাদার বাহিনির প্রচন্ড গোলাগুলির শব্দে,

ভোরের হাওয়া গায়ে না লাগতেই পালানোর চেষ্টা করতো।

মনেপড়ে, সেই নৃশংস এক করুন দৃশ্যের কথা।

চোখ বেধেঁ বুকের উপর দাঁড়িয়ে ডুবার পাড়ে দাঁড় করিয়ে,

একেরপর এক গুলি ছুঁড়ে লাশের স্তুপ করে দিত।

রঙ তামাশায় মক্ত হয়ে, লাশের স্তুপের উপড় দাঁড়িয়ে,

হানাদার বাহিনি অট্রহাসি হাসত।

প্রতিশোধের নেশায় মক্ত হয়ে
টগবগিয়ে ফুটে উঠত আমার রক্ত।

স্পিত হয়ে দ্রুত গতিতে প্রতিটি শিরা-উপশিরায় প্রবাহিত হত,

পাক হানাদার বাহিনি তাড়ানোর এক প্রচন্ড বাসনায়।

বাংলা মায়ের মুখ থেকে হায়না মুক্ত করার এক প্রবল ইচ্ছায়,
মনে হচ্ছিল তখনি স্কুল ব্যাগ ছুড়ে ফেলে,

ছুটে চলে যায় রনাংঙ্গনে ,অংশগ্রহন করি মুক্তি বাহিনিতে।

সকল প্রকার জড়তা,ভীরুতার বৃও ভেঙ্গে।
আর তখন থেকেই আমি হয়ে যায়

স্বাধীনতাকামি হায়না মুক্তি পাগল।