ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

এএসপি আনিসুল হত্যা: আসামি ফাতেমা ও ডা. মামুন কারাগারে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০
  • ৩০২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম শিপন হত্যা মামলায় রাজধানীর মাইন্ড এইড হাসপাতালের পরিচালক ফাতেমা খাতুন ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ফারুক মোল্লা ফাতেমা খাতুনের চার দিনের এবং ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৫ নভেম্বর ফাতেমা খাতুনের চারদিন এবং ১৭ নভেম্বর ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

৯ নভেম্বর দুপুর পৌনে ১২টায় মানসিক সমস্যার কারণে হাসপাতালে আসেন এএসপি আনিসুল করিম। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালটিতে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই মারা যান তিনি। হাসপাতালের অ্যাগ্রেসিভ ম্যানেজমেন্ট রুমে তাকে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন মাধ্যমে।

দীর্ঘক্ষণ অচেতন থাকার পরেও তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি। কিছুক্ষণ পর ১২টার দিকে মাইন্ড এইড হাসপাতালের লোকজন তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই মৃত্যু (ব্রট ডেথ) হয় আনিসুলের।

এ ঘটনায় আনিসুল করিম শিপনের বাবা বাদী হয়ে আদাবর থানায় ১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

৩১তম বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান আনিসুল করিম। সর্বশেষ তিনি বরিশাল মহানগর পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়। তিনি এক সন্তানের জনক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী

এএসপি আনিসুল হত্যা: আসামি ফাতেমা ও ডা. মামুন কারাগারে

আপডেট টাইম : ০৫:৫০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম শিপন হত্যা মামলায় রাজধানীর মাইন্ড এইড হাসপাতালের পরিচালক ফাতেমা খাতুন ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ফারুক মোল্লা ফাতেমা খাতুনের চার দিনের এবং ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৫ নভেম্বর ফাতেমা খাতুনের চারদিন এবং ১৭ নভেম্বর ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

৯ নভেম্বর দুপুর পৌনে ১২টায় মানসিক সমস্যার কারণে হাসপাতালে আসেন এএসপি আনিসুল করিম। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালটিতে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই মারা যান তিনি। হাসপাতালের অ্যাগ্রেসিভ ম্যানেজমেন্ট রুমে তাকে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন মাধ্যমে।

দীর্ঘক্ষণ অচেতন থাকার পরেও তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি। কিছুক্ষণ পর ১২টার দিকে মাইন্ড এইড হাসপাতালের লোকজন তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই মৃত্যু (ব্রট ডেথ) হয় আনিসুলের।

এ ঘটনায় আনিসুল করিম শিপনের বাবা বাদী হয়ে আদাবর থানায় ১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

৩১তম বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান আনিসুল করিম। সর্বশেষ তিনি বরিশাল মহানগর পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়। তিনি এক সন্তানের জনক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।