ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

জিকে শামীমসহ ৮ জনের বিচার শুরু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর ২০২০
  • ২৯৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অর্থপাচার আইনে করা মামলায় টেন্ডারবাজ এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীমসহ (জিকে শামীম) আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, জামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর আদালতের জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এ বদলি করেন।

গত ৪ আগস্ট সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড) আবু সাঈদ আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়।

২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর র‍্যাব ১-এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গুলশান থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত বডিগার্ডসহ গ্রেফতার হন জিকে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা করা হয়। মামলাগুলোর এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।

২১ সেপ্টেম্বর শামীমের অস্ত্র ও মাদক মামলায় পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। একই সঙ্গে সাত বডিগার্ডের অস্ত্র আইনের মামলায় চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয়। সাত বডিগার্ডের চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর মঙ্গলবার অর্থপাচার আইনের মামলায় তাদের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর পর আরও কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিকে শামীমকে জিজ্ঞাসা করা হয়।

মামলায় বলা হয়, আসামির বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনের মামলা ছাড়াও অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা রয়েছে। র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে অভিযানে জিকে শামীমের অফিসের লোহার সিন্দুক থেকে নগদ অর্থ, চেকবই, এফডিআর ও বিদেশি মুদ্রা পাওয়া যায়। সেখানে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও ৯ হাজার ইউএস ডলার পাওয়া যায়।

এছাড়া আসামির মায়ের নামে ১০টি এফডিআরে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকাসহ ৩৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও চেকবইয়ের পাতা জব্দ করা হয়। র‌্যাবের নায়েব সুবেদার মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অর্থপাচার আইনে মামলাটি করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

জিকে শামীমসহ ৮ জনের বিচার শুরু

আপডেট টাইম : ০৩:০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অর্থপাচার আইনে করা মামলায় টেন্ডারবাজ এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীমসহ (জিকে শামীম) আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, জামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর আদালতের জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এ বদলি করেন।

গত ৪ আগস্ট সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড) আবু সাঈদ আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়।

২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর র‍্যাব ১-এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গুলশান থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত বডিগার্ডসহ গ্রেফতার হন জিকে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা করা হয়। মামলাগুলোর এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।

২১ সেপ্টেম্বর শামীমের অস্ত্র ও মাদক মামলায় পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। একই সঙ্গে সাত বডিগার্ডের অস্ত্র আইনের মামলায় চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয়। সাত বডিগার্ডের চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর মঙ্গলবার অর্থপাচার আইনের মামলায় তাদের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর পর আরও কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিকে শামীমকে জিজ্ঞাসা করা হয়।

মামলায় বলা হয়, আসামির বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনের মামলা ছাড়াও অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা রয়েছে। র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে অভিযানে জিকে শামীমের অফিসের লোহার সিন্দুক থেকে নগদ অর্থ, চেকবই, এফডিআর ও বিদেশি মুদ্রা পাওয়া যায়। সেখানে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও ৯ হাজার ইউএস ডলার পাওয়া যায়।

এছাড়া আসামির মায়ের নামে ১০টি এফডিআরে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকাসহ ৩৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও চেকবইয়ের পাতা জব্দ করা হয়। র‌্যাবের নায়েব সুবেদার মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অর্থপাচার আইনে মামলাটি করেন।