ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অধিনায়ক হলে গোল উদযাপন করার সময় পাবেন না হালান্ড সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিয়োগ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কাছাকাছি—দাবি পাকিস্তানের পানিতে তলিয়ে আছে কমিউনিটি ক্লিনিক, নেই স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ‘প্রায় চূড়ান্ত’, নতুন মহাসচিব কে?

চড়া সবজি বাজার, খুচরায় বাড়তি চালের দাম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০
  • ২৬৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গত এক মাসের বেশি সময় ধরে চড়া রয়েছে শাক-সবজি ও নিত্যপণ্যের বাজার। বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনো ধরনের সবজিই যেন মিলছিল না।

চালের খুচরা বাজারেও কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। এছাড়া দাম বেড়েছে ভোজ্যতেল, চাল, চিনি ও রসুনের।

তবে নতুন করে আবারও দাম বেড়েছে সবজির বাজারে। সবজিভেদে পাঁচ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। সবজির পাশাপাশি বাড়তি রয়েছে শাকের বাজারও। আর বাজারে খাসির মাংসের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংস, মাছ, মুরগি, ডাল ও গরম মসলার বাজার। তবে কিছুটা কমেছে ডিমের দাম।

এদিকে শাক-সবজির নতুন করে দাম বাড়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে ক্রেতা ও বিক্রেতার।

বিক্রেতারা বলছেন, সবজির সিজন না হওয়ায় প্রতি বছর এ সময়ে শাক-সবজির দাম বাড়তি থাকে। এবার বন্যায় ফসলের ক্ষতি হওয়ায় দাম আরও বেড়েছে।

আর ক্রেতার অভিযোগ, বাজারে একটি জিনিসের দাম বাড়লে অপরটির দাম বাড়িয়ে দেন বিক্রেতা। দাম বাড়ার পেছনে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কাজ করছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর রামপুরা, মগবাজার, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, ফকিরাপুল, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি কলোনি বাজার ও খিলগাঁও বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বিশ্বের কোন দেশে পেঁয়াজের মূল্য কত?

এসব বাজারে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতিকেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, সিম ১৮০ টাকা, গাজর ৯০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন আকারভেদে ৭০ থেকে ১১০ টাকা, ধনিয়াপাতা ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা।

কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতিকেজি দেশি শসা বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, উস্তা ৮০ থেকে ৯০ টাকা, মানভেদে ঝিঙা-ধন্দুল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কাঁকরোল আকারভেদে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পেঁপে ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, কচুর ছড়া ৬০ টাকা, আলু ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। দাম অপরিবর্তিত আছে টমেটো, লাউ, জালি কুমড়া ও কাঁচাকলার।

এসব বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, প্রতিহালি কাঁচাকলা ৪০ টাকা, প্রতি পিস জালি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম বেড়েছে শাকের বাজারে। প্রতি আঁটিতে (মোড়া) তিন থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে এসব বাজারে লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা, মুলা ও কলমি শাক ১৫ টাকা, পুঁই শাক ২০ টাকা, ডাটা শাক ২০ টাকা, লাউ ও কুমড়ার শাক ৪০ টাকা।

মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজারের সবজি বিক্রেতা মন্টু শেখ বলেন, বর্তমান সবজির সিজন না হওয়ায় প্রতি বছর এসময়ে দাম চড়া থাকে। এছাড়া সম্প্রতি বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে বাজারে সবজির সরবরাহ কমেছে। পাইকারি বাজারে সবজির ঘাটতি থাকায় দাম বেশি। তাই খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে।

তবে এ বাজারের ক্রেতা আলমগীর হোসেন বিক্রেতা মন্টুর সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, বাজারে একটা জিনিসের দাম বেড়ে গেলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে অন্যগুলোর দাম বাড়িয়ে দেন।

ভৈরব মাছ বাজার | 668165 | কালের কণ্ঠ | kalerkantho
আগের দাম রয়েছে ডাল, চিনি ও ভোজ্যতেলের বাজারে। বাজারে বর্তমানে প্রতিকেজি ডাবলী ডাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, অ্যাঙ্কার ৫০ থেকে ৫২ টাকা, দেশি মসুর ডাল ৯০ থেকে ১২০ টাকা। বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০২ টাকায় চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজিদরে।

আগের চড়া দামেই বাজারে চাল বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে খুচরায় প্রতিকেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পায়জাম ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৫৮ টাকা, জিরা মিনিকেট ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা, নাজিরশাইল ৫৫ টাকা, পোলাও চাল (খোলা) ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজিদরে।

এসব বাজারে খাসির মাংসের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত (আগের দাম) রয়েছে গরুর মাংস, মাছ, মুরগির দাম। তবে ডজনে কিছুটা দাম কমেছে ডিমের। এদিকে কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮২০ টাকা।

আগের দামে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস ও মুরগি। এসব বাজারে প্রতিকেজি গরু মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। বর্তমানে এসব বাজারে প্রতিকেজি ব্রয়ালার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা, দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা কেজিদরে। তবে অপরিবর্তিত আছে মাছের বাজার।

বাজারে প্রতিকেজি রুই (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, মৃগেল ১৬০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাস ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কৈ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, পাবদা ২৭০ থেকে ৩০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, মলা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, শিং (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিদরে।

বর্তমানে প্রতি সোয়াকেজি থেকে দেড়কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা, প্রতি এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা, প্রতি ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশে ৫৫০ টাকা কেজিদরে, প্রতি ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি।

পেঁয়াজ ও আদার বাজার অপরিবর্তিত থাকলেও দাম বেড়েছে রসুনের। এসব বাজারে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা।

আর বর্তমানে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজিদরে, চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা ও কেরালার আদা ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চড়া সবজি বাজার, খুচরায় বাড়তি চালের দাম

আপডেট টাইম : ১০:২৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গত এক মাসের বেশি সময় ধরে চড়া রয়েছে শাক-সবজি ও নিত্যপণ্যের বাজার। বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনো ধরনের সবজিই যেন মিলছিল না।

চালের খুচরা বাজারেও কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। এছাড়া দাম বেড়েছে ভোজ্যতেল, চাল, চিনি ও রসুনের।

তবে নতুন করে আবারও দাম বেড়েছে সবজির বাজারে। সবজিভেদে পাঁচ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। সবজির পাশাপাশি বাড়তি রয়েছে শাকের বাজারও। আর বাজারে খাসির মাংসের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংস, মাছ, মুরগি, ডাল ও গরম মসলার বাজার। তবে কিছুটা কমেছে ডিমের দাম।

এদিকে শাক-সবজির নতুন করে দাম বাড়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে ক্রেতা ও বিক্রেতার।

বিক্রেতারা বলছেন, সবজির সিজন না হওয়ায় প্রতি বছর এ সময়ে শাক-সবজির দাম বাড়তি থাকে। এবার বন্যায় ফসলের ক্ষতি হওয়ায় দাম আরও বেড়েছে।

আর ক্রেতার অভিযোগ, বাজারে একটি জিনিসের দাম বাড়লে অপরটির দাম বাড়িয়ে দেন বিক্রেতা। দাম বাড়ার পেছনে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কাজ করছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর রামপুরা, মগবাজার, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, ফকিরাপুল, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি কলোনি বাজার ও খিলগাঁও বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বিশ্বের কোন দেশে পেঁয়াজের মূল্য কত?

এসব বাজারে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতিকেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, সিম ১৮০ টাকা, গাজর ৯০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন আকারভেদে ৭০ থেকে ১১০ টাকা, ধনিয়াপাতা ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা।

কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতিকেজি দেশি শসা বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, উস্তা ৮০ থেকে ৯০ টাকা, মানভেদে ঝিঙা-ধন্দুল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কাঁকরোল আকারভেদে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পেঁপে ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, কচুর ছড়া ৬০ টাকা, আলু ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। দাম অপরিবর্তিত আছে টমেটো, লাউ, জালি কুমড়া ও কাঁচাকলার।

এসব বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, প্রতিহালি কাঁচাকলা ৪০ টাকা, প্রতি পিস জালি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম বেড়েছে শাকের বাজারে। প্রতি আঁটিতে (মোড়া) তিন থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে এসব বাজারে লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা, মুলা ও কলমি শাক ১৫ টাকা, পুঁই শাক ২০ টাকা, ডাটা শাক ২০ টাকা, লাউ ও কুমড়ার শাক ৪০ টাকা।

মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজারের সবজি বিক্রেতা মন্টু শেখ বলেন, বর্তমান সবজির সিজন না হওয়ায় প্রতি বছর এসময়ে দাম চড়া থাকে। এছাড়া সম্প্রতি বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে বাজারে সবজির সরবরাহ কমেছে। পাইকারি বাজারে সবজির ঘাটতি থাকায় দাম বেশি। তাই খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে।

তবে এ বাজারের ক্রেতা আলমগীর হোসেন বিক্রেতা মন্টুর সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, বাজারে একটা জিনিসের দাম বেড়ে গেলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে অন্যগুলোর দাম বাড়িয়ে দেন।

ভৈরব মাছ বাজার | 668165 | কালের কণ্ঠ | kalerkantho
আগের দাম রয়েছে ডাল, চিনি ও ভোজ্যতেলের বাজারে। বাজারে বর্তমানে প্রতিকেজি ডাবলী ডাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, অ্যাঙ্কার ৫০ থেকে ৫২ টাকা, দেশি মসুর ডাল ৯০ থেকে ১২০ টাকা। বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০২ টাকায় চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজিদরে।

আগের চড়া দামেই বাজারে চাল বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে খুচরায় প্রতিকেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পায়জাম ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৫৮ টাকা, জিরা মিনিকেট ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা, নাজিরশাইল ৫৫ টাকা, পোলাও চাল (খোলা) ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজিদরে।

এসব বাজারে খাসির মাংসের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত (আগের দাম) রয়েছে গরুর মাংস, মাছ, মুরগির দাম। তবে ডজনে কিছুটা দাম কমেছে ডিমের। এদিকে কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮২০ টাকা।

আগের দামে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস ও মুরগি। এসব বাজারে প্রতিকেজি গরু মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। বর্তমানে এসব বাজারে প্রতিকেজি ব্রয়ালার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা, দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা কেজিদরে। তবে অপরিবর্তিত আছে মাছের বাজার।

বাজারে প্রতিকেজি রুই (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, মৃগেল ১৬০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাস ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কৈ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, পাবদা ২৭০ থেকে ৩০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, মলা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, শিং (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিদরে।

বর্তমানে প্রতি সোয়াকেজি থেকে দেড়কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা, প্রতি এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা, প্রতি ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশে ৫৫০ টাকা কেজিদরে, প্রতি ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি।

পেঁয়াজ ও আদার বাজার অপরিবর্তিত থাকলেও দাম বেড়েছে রসুনের। এসব বাজারে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা।

আর বর্তমানে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজিদরে, চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা ও কেরালার আদা ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।