ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

মৃত্যুর আগেরদিন সুশান্তের মোবাইল ব্যবহারে ছিল অস্বাভাবিকতা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৮১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যুর ঘটনা ক্রমশ জটিল হচ্ছে। প্রথম থেকে জানা যাচ্ছিল অভিনেতা আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে এই দাবি মানতে রাজি হননি অনেকেই। এই মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি খুন তা নিয়ে চলছে বিতর্ক। তদন্তকারী সংস্থাগুলো সম্প্রতি এমন কিছু তথ্যের সম্মুখীন হয়েছে যা থেকে খুনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে তারা জানিয়েছেন।

সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে যে মৃত্যুর আগের দিন সুশান্তের মোবাইল ফোন যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তা বেশ সন্দেহজনক। কিছু অস্বাভাবিকতা তার মধ্যে দেখা গিয়েছে। সর্ব ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও এর প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই, এনসিবি এবং ইডি। রিয়া চক্রবর্তী ছাড়াও দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সুশান্ত সিং রাজপুতের অন্যান্য বাড়ির কর্মীদের। প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা একটি বিষয়ের ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছে। সুশান্তের রাঁধুনি নীরজ জানিয়েছেন যে মৃত্যুর দিন সকালে এক গ্লাস জুস খেয়ে ছিলেন অভিনেতা। কিন্তু কেন, এই নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

ময়না তদন্ত রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, তাঁর ব্লাডার খালি ছিল। দীপেশ সাওয়ান্ট জানিয়েছেন সকাল ১০.৩০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি দরজায় নক করছিলেন। এছাড়াও আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। জানা যাচ্ছে সুশান্তের একটি দামি ঘড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। ঘড়িটির দাম ছিল ১৪ লক্ষ টাকা। সেটি তাঁর ঘরের ড্রয়ারে ছিল। প্রশ্ন উঠছে মৃত্যুর দিন সুশান্তের বাড়িতে পৌঁছলে কেন পরিবারের সদস্যদের হাতে বাড়ির চাবি দেওয়া হয়নি।

জানা যাচ্ছে যে সুশান্তের বাড়ির লোকজন যখন এই দুর্ঘটনার খবর শুনে অভিনেতার বাড়িতে পৌঁছেছিলেন তখন তাঁরা দেখেন যে সুশান্তের বাড়ির অন্যান্যরা কেউ রান্না করছে, আবার কেউ খেতে বসার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে তাঁরা নাকি বেশ অবাক হয়েছিলেন।

গেছে, যে সেই রাতে সুশান্তের ঘরের আলো নিভে গিয়েছিল ১০.৩০ টায়। কিন্তু অন্যান্য দিন সাধারণত তার ঘুমাতে ঘুমাতে ভোর ৪ টা বেজে যেত। তাই সন্দেহ দানা বেঁধেছে। বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থাগুলো অপেক্ষা করে আছে এইমসের প্রতিবেদনের ওপর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

মৃত্যুর আগেরদিন সুশান্তের মোবাইল ব্যবহারে ছিল অস্বাভাবিকতা

আপডেট টাইম : ০৩:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যুর ঘটনা ক্রমশ জটিল হচ্ছে। প্রথম থেকে জানা যাচ্ছিল অভিনেতা আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে এই দাবি মানতে রাজি হননি অনেকেই। এই মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি খুন তা নিয়ে চলছে বিতর্ক। তদন্তকারী সংস্থাগুলো সম্প্রতি এমন কিছু তথ্যের সম্মুখীন হয়েছে যা থেকে খুনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে তারা জানিয়েছেন।

সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে যে মৃত্যুর আগের দিন সুশান্তের মোবাইল ফোন যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তা বেশ সন্দেহজনক। কিছু অস্বাভাবিকতা তার মধ্যে দেখা গিয়েছে। সর্ব ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও এর প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই, এনসিবি এবং ইডি। রিয়া চক্রবর্তী ছাড়াও দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সুশান্ত সিং রাজপুতের অন্যান্য বাড়ির কর্মীদের। প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা একটি বিষয়ের ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছে। সুশান্তের রাঁধুনি নীরজ জানিয়েছেন যে মৃত্যুর দিন সকালে এক গ্লাস জুস খেয়ে ছিলেন অভিনেতা। কিন্তু কেন, এই নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

ময়না তদন্ত রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, তাঁর ব্লাডার খালি ছিল। দীপেশ সাওয়ান্ট জানিয়েছেন সকাল ১০.৩০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি দরজায় নক করছিলেন। এছাড়াও আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। জানা যাচ্ছে সুশান্তের একটি দামি ঘড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। ঘড়িটির দাম ছিল ১৪ লক্ষ টাকা। সেটি তাঁর ঘরের ড্রয়ারে ছিল। প্রশ্ন উঠছে মৃত্যুর দিন সুশান্তের বাড়িতে পৌঁছলে কেন পরিবারের সদস্যদের হাতে বাড়ির চাবি দেওয়া হয়নি।

জানা যাচ্ছে যে সুশান্তের বাড়ির লোকজন যখন এই দুর্ঘটনার খবর শুনে অভিনেতার বাড়িতে পৌঁছেছিলেন তখন তাঁরা দেখেন যে সুশান্তের বাড়ির অন্যান্যরা কেউ রান্না করছে, আবার কেউ খেতে বসার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে তাঁরা নাকি বেশ অবাক হয়েছিলেন।

গেছে, যে সেই রাতে সুশান্তের ঘরের আলো নিভে গিয়েছিল ১০.৩০ টায়। কিন্তু অন্যান্য দিন সাধারণত তার ঘুমাতে ঘুমাতে ভোর ৪ টা বেজে যেত। তাই সন্দেহ দানা বেঁধেছে। বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থাগুলো অপেক্ষা করে আছে এইমসের প্রতিবেদনের ওপর।