ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেঘনা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু, ব্যয় ৭৪৬৩ কোটি টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২০
  • ২৪৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর আওতায় প্রকল্পে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা।

বুধবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় এ প্রকল্পটিসহ মোট তিনটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অর্থমন্ত্রী অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ ‘মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। পিপিপি এবং সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

ঢাকা থেকে আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ভারতের আগরতলা’র সঙ্গে দ্রুত সময়ে যোগাযোগের জন্য পিপিপি ও জি-টু-জি নীতিমালার আওতায় ‘ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে (জ-২০৩) মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পটি ‘প্রকিউরমেন্ট গাইডলাইন ফর পিপিপি প্রজেক্ট ২০১৮’ এর ধারা ১০.১ অনুযায়ী পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে বাস্তবায়নে অনুমোদনের জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভায় (সিসিইএ) উপস্থাপন করা হয় এবং তা অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

অনুমোদিত প্রকল্পটি জি-টু-জি ও পিপিপি ভিত্তিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান দাইউ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় ১.৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু, ১.০৬৪ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ ভায়াডাক্ট, ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক এবং ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীর তীর রক্ষামূলক কাজ করা হবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে নির্মাণ ব্যয় হবে ৭ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা।

সভায় বিআইডব্লিউটিএ’র বাস্তবায়নাধীন ‘৩৫টি ড্রেজার ও সহায়ক জলযানসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের প্যাকেজ-০২ (লট-১ ও লট-২) এর আওতায় ১৭টি টাগবোট সংগ্রহের লক্ষ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ সরকারি অর্থে বাস্তবায়ন করবে।

এছাড়া সভায় নীলফামারী জেলার সাবেক জুট ট্রেডিং করপোরেশন (জেটিসি) বর্তমান বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশন (বিজেসি) (বিলুপ্ত) এর মেসার্স হৃদকরণ নামীয় অঙ্গনের ০.০৯ একর সম্পত্তি ক্রেতা বরাবর রেজিস্ট্রি দলিল করার বিষয়ে নীতিগত অনুমোদনের প্রস্তাবেও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মেঘনা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু, ব্যয় ৭৪৬৩ কোটি টাকা

আপডেট টাইম : ০৫:২৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর আওতায় প্রকল্পে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা।

বুধবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় এ প্রকল্পটিসহ মোট তিনটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অর্থমন্ত্রী অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ ‘মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। পিপিপি এবং সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

ঢাকা থেকে আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ভারতের আগরতলা’র সঙ্গে দ্রুত সময়ে যোগাযোগের জন্য পিপিপি ও জি-টু-জি নীতিমালার আওতায় ‘ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে (জ-২০৩) মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পটি ‘প্রকিউরমেন্ট গাইডলাইন ফর পিপিপি প্রজেক্ট ২০১৮’ এর ধারা ১০.১ অনুযায়ী পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে বাস্তবায়নে অনুমোদনের জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভায় (সিসিইএ) উপস্থাপন করা হয় এবং তা অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

অনুমোদিত প্রকল্পটি জি-টু-জি ও পিপিপি ভিত্তিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান দাইউ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় ১.৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু, ১.০৬৪ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ ভায়াডাক্ট, ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক এবং ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীর তীর রক্ষামূলক কাজ করা হবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে নির্মাণ ব্যয় হবে ৭ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা।

সভায় বিআইডব্লিউটিএ’র বাস্তবায়নাধীন ‘৩৫টি ড্রেজার ও সহায়ক জলযানসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের প্যাকেজ-০২ (লট-১ ও লট-২) এর আওতায় ১৭টি টাগবোট সংগ্রহের লক্ষ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ সরকারি অর্থে বাস্তবায়ন করবে।

এছাড়া সভায় নীলফামারী জেলার সাবেক জুট ট্রেডিং করপোরেশন (জেটিসি) বর্তমান বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশন (বিজেসি) (বিলুপ্ত) এর মেসার্স হৃদকরণ নামীয় অঙ্গনের ০.০৯ একর সম্পত্তি ক্রেতা বরাবর রেজিস্ট্রি দলিল করার বিষয়ে নীতিগত অনুমোদনের প্রস্তাবেও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।