ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা ‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’, আলোচিত বিআরটিএ কর্মকর্তা এবার ঢাকায় বদলি ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কিনা, জানে না ভারত আওয়ামী লীগ বিদ্যুতের নামে শুধু প্লান্ট করেছে, পরিচালনার পরিকল্পনা করেনি: বিমানমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতিই বাংলাদেশের শক্তি, বিভেদ সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবুল বারীকে উন্নত চিকিৎসায় ঢাকা নেওয়া হচ্ছে

সাহেদ ১০ দিনের রিমান্ডে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০
  • ২৫৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় তাকে ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

এছাড়া, একই মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজের ১০ দিন ও সাহেদের সহযোগী তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

১৫ জুলাই সাহেদ করিম গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সাহেদকে বুধবার ভোরে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়। র‌্যাবের সদর দপ্তরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে নিয়ে রাজধানীর উত্তরায় তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পাওয়ার প্রমাণ পায়। একদিন পর গত ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে সাহেদ পলাতক ছিলেন। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত সাহেদসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না

সাহেদ ১০ দিনের রিমান্ডে

আপডেট টাইম : ১১:১৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় তাকে ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

এছাড়া, একই মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজের ১০ দিন ও সাহেদের সহযোগী তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

১৫ জুলাই সাহেদ করিম গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সাহেদকে বুধবার ভোরে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়। র‌্যাবের সদর দপ্তরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে নিয়ে রাজধানীর উত্তরায় তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পাওয়ার প্রমাণ পায়। একদিন পর গত ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে সাহেদ পলাতক ছিলেন। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত সাহেদসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।