ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে সব ধরনের পেঁয়াজ রপ্তানিতে প্রতি মেট্রিক টন ৭০৫ মার্কিন ডলার থেকে ৩০০ মার্কিন ডলার কমিয়ে দিয়ে ৪০৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে ভারত সরকার। এর আগে দুই দফায় ২৫৫ ও ৪৩০ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭০৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এ-সংক্রান্ত একটি পত্র ফ্যাক্সযোগে ভারতের হিলি কাস্টমসে পাঠানো হয়। নতুন মূল্য শনিবার থেকে কার্যকর হবে।
ভারত অংশের হিলির সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট দিবাকর বিশ্বাস জানান, ভারতে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সে দেশের বাজারেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে গিয়েছিল । পেঁয়াজের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রুখতে ও পেঁয়াজের রপ্তানিকে নিরুৎসাহিত করতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছিল সরকার। বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ার ফলে পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য ৭০৫ মার্কিন ডলার থেকে আবারও কমিয়ে ৪০৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন এ রপ্তানিমূল্য শনিবার সকাল থেকেই কার্যকর হবে। তবে সে ক্ষেত্রে পুরোনো এলসিগুলো সংশোধন করতে হবে।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন জানান, শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে নতুন মূল্যে এলসি খোলা যাবে না, যার ফলে আজ বন্দর দিয়ে পুরোনো মূল্যেই পেঁয়াজ আমদানি হবে। তবে রোববার ব্যাংক খুললে নতুন এলসি খোলার পর বন্দর দিয়ে নতুন মূল্যে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হবে। পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য কমার ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম আরো কমবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
Reporter Name 

























