ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা ‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’, আলোচিত বিআরটিএ কর্মকর্তা এবার ঢাকায় বদলি

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার তিনটি বিষয় জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ৩২০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের (উন্নত চিকিৎসা) জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সম্মতি দিয়েছেন কি  না, সম্মতি দিলে চিকিৎসা শুরু হয়েছে কি না এবং শুরু হলে তার কী অবস্থা তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানিতে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্যের কাছে এসব বিষয় জানতে চান। বুধবারের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে পাঠাতে নির্দেশ দিয়ে আদালত আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
বিএসএমএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দি খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানি করেন। এর আগে সকালে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট দুপুর ২টায় জামিন শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।
তখন আদালতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন (বাপ্পী) বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল এ মামলায় শুনানি করবেন। তিনি এখন অন্য মামলায় ব্যস্ত আছেন। এ জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত সময় প্রয়োজন।
বুধবার আবেদনটি উপস্থাপনের পর আদালত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন। ওইদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। ১৮ মঙ্গলবার আবেদনটি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন।
এর আগে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর এ মামলায় তার জামিন আবেদন পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করে দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
তবে আবেদনকারী (খালেদা জিয়া) যদি সম্মতি দেন তাহলে বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী তার অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার তিনটি বিষয় জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

আপডেট টাইম : ১০:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের (উন্নত চিকিৎসা) জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সম্মতি দিয়েছেন কি  না, সম্মতি দিলে চিকিৎসা শুরু হয়েছে কি না এবং শুরু হলে তার কী অবস্থা তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানিতে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্যের কাছে এসব বিষয় জানতে চান। বুধবারের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে পাঠাতে নির্দেশ দিয়ে আদালত আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
বিএসএমএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দি খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানি করেন। এর আগে সকালে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট দুপুর ২টায় জামিন শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।
তখন আদালতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন (বাপ্পী) বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল এ মামলায় শুনানি করবেন। তিনি এখন অন্য মামলায় ব্যস্ত আছেন। এ জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত সময় প্রয়োজন।
বুধবার আবেদনটি উপস্থাপনের পর আদালত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন। ওইদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। ১৮ মঙ্গলবার আবেদনটি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন।
এর আগে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর এ মামলায় তার জামিন আবেদন পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করে দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
তবে আবেদনকারী (খালেদা জিয়া) যদি সম্মতি দেন তাহলে বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী তার অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।