ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

হামীম গ্রুপের জুট মিল আপিলে অবৈধ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তুরাগ নদের জমি দখল করে হামীম গ্রুপের নিশাত জুট মিলস লিমিটেড ও আনোয়ার গ্রুপের হোসাইন ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলস লিমিটেড স্থাপনা নির্মাণকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে, আভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) তুরাগ নদের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা দুটি উচ্ছেদ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এক রিটের বিষয়ে করা দুটি পৃথক আপিল নিষ্পত্তি করে মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালতে আজ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

তিনি বলেন, ‘নিশাত জুট মিলস ও হোসাইন ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলস লিমিটেড অবৈধভাবে তুরাগ নদের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছিল। আজ সুপ্রিম কোর্টের চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ তুরাগ নদের জমিতে এ দুটি স্থাপনা নির্মাণকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

একইসঙ্গে এ দুটি কোম্পানির স্থাপনা ভেঙে দিতে বিআইডব্লিউটিএকে নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তুরাগ নদের জমি দখল করে নির্মাণ করা স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলতে বিআইডব্লিউটিএর আর কোনো বাধা রইল না।

এর আগে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে ৩ ফেব্রুয়ারি তুরাগ নদীকে ব্যক্তি-আইনি সত্তা বা জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করে রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

পরে নিশাত জুট মিলস লিমিটেড ও আনোয়ার গ্রুপের হোসাইন ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলস লিমিটেড এ রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চতর আদালতে পৃথক দুটি আবেদন করেছিল। আপিল বিভাগ আবেদন দুটি নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

হামীম গ্রুপের জুট মিল আপিলে অবৈধ

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তুরাগ নদের জমি দখল করে হামীম গ্রুপের নিশাত জুট মিলস লিমিটেড ও আনোয়ার গ্রুপের হোসাইন ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলস লিমিটেড স্থাপনা নির্মাণকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে, আভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) তুরাগ নদের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা দুটি উচ্ছেদ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এক রিটের বিষয়ে করা দুটি পৃথক আপিল নিষ্পত্তি করে মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালতে আজ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

তিনি বলেন, ‘নিশাত জুট মিলস ও হোসাইন ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলস লিমিটেড অবৈধভাবে তুরাগ নদের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছিল। আজ সুপ্রিম কোর্টের চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ তুরাগ নদের জমিতে এ দুটি স্থাপনা নির্মাণকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

একইসঙ্গে এ দুটি কোম্পানির স্থাপনা ভেঙে দিতে বিআইডব্লিউটিএকে নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তুরাগ নদের জমি দখল করে নির্মাণ করা স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলতে বিআইডব্লিউটিএর আর কোনো বাধা রইল না।

এর আগে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে ৩ ফেব্রুয়ারি তুরাগ নদীকে ব্যক্তি-আইনি সত্তা বা জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করে রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

পরে নিশাত জুট মিলস লিমিটেড ও আনোয়ার গ্রুপের হোসাইন ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলস লিমিটেড এ রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চতর আদালতে পৃথক দুটি আবেদন করেছিল। আপিল বিভাগ আবেদন দুটি নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।