ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মশলায় অস্বস্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০
  • ৩৩১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির বাজার কিছুটা নিম্নমুখী। বাজারে সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমলেও মাছ, মশলা ও চালের বাজার চড়া। শুক্রবার রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, খিলগাঁও, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজার, ফকিরাপুল কাঁচা বাজার, কমলাপুর ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে প্রতিকেজি পেঁপে ১৫ থেকে ২৫ টাকা, সাদা শিম ২৫ টাকা, নতুন আলু ৩০ টাকা, গাজর ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কালো শিম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৭০ টাকা, শসা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙা-ধুন্দল-চিচিংগা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তা ৫০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া আকারভেদে প্রতি পিস ফুলকপি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা ও লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর শাকের বাজারে প্রতি আঁটি কচুশাক ৫ থেকে ৭ টাকা, লালশাক ৮ টাকা, মুলাশাক ১০ টাকা, পালংশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা ও লাউশাক ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কমেছে কাঁচা মরিচেরও। বর্তমানে ২০ টাকা কমে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ দিকে সপ্তাহের ব্যবধানে গাছসহ দেশি পেঁয়াজ ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকা, দেশি রসুন ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, আদা ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, পাকিস্তানি পেঁয়াজ ৮০, চায়না পেঁয়াজ ৬০ টাকা ও বার্মা পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে আগুন লেগেছে মাছের বাজারে। এসব বাজারে প্রতিকেজি পাঙাস ১২০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, কাতল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কাঁচকি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি, মলা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, তাজা ছোট পুঁটি ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, শিং ৩৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, বাগদা চিংড়ি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

আগের থেকে বাড়তি দামে ভোজ্যতেলও বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে লাল খোলা সয়াবিন তেল ৯৫ টাকা ও সাদা সয়াবিন তেল ৯০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ার দলে নাম আছে চাল ও মশলারও। এসব বাজারে বস্তাপ্রতি ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতিবস্তা চিনিগুড়া চাল ৫ হাজার থেকে ৫ হাজার ২৫০ টাকা, নতুন মিনিকেট ২৪৫০ টাকা, পুরনো মিনিকেট ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫৫০ টাকা ও বিভিন্ন প্রকার নাজির শাইল চাল প্রতিবস্তা ২ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতিকেজি এলাচ ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, জয়ত্রী ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং জায়ফলের দাম দ্বিগুণ বেড়ে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে মাংসের বাজারে বয়লার মুরগি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, লেয়ার ১৯০ থেকে ২২০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, গরুর মাংস ৫৫০ টাকা, খাসি ৭৮০ টাকা, বকরি ৭২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে অপরিবর্তিত আছে ডিম, ডাল, আদা, রসুন, সরিষার তেলের দাম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মশলায় অস্বস্তি

আপডেট টাইম : ০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির বাজার কিছুটা নিম্নমুখী। বাজারে সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমলেও মাছ, মশলা ও চালের বাজার চড়া। শুক্রবার রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, খিলগাঁও, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজার, ফকিরাপুল কাঁচা বাজার, কমলাপুর ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে প্রতিকেজি পেঁপে ১৫ থেকে ২৫ টাকা, সাদা শিম ২৫ টাকা, নতুন আলু ৩০ টাকা, গাজর ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কালো শিম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৭০ টাকা, শসা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙা-ধুন্দল-চিচিংগা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তা ৫০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া আকারভেদে প্রতি পিস ফুলকপি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা ও লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর শাকের বাজারে প্রতি আঁটি কচুশাক ৫ থেকে ৭ টাকা, লালশাক ৮ টাকা, মুলাশাক ১০ টাকা, পালংশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা ও লাউশাক ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কমেছে কাঁচা মরিচেরও। বর্তমানে ২০ টাকা কমে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ দিকে সপ্তাহের ব্যবধানে গাছসহ দেশি পেঁয়াজ ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকা, দেশি রসুন ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, আদা ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, পাকিস্তানি পেঁয়াজ ৮০, চায়না পেঁয়াজ ৬০ টাকা ও বার্মা পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে আগুন লেগেছে মাছের বাজারে। এসব বাজারে প্রতিকেজি পাঙাস ১২০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, কাতল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কাঁচকি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি, মলা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, তাজা ছোট পুঁটি ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, শিং ৩৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, বাগদা চিংড়ি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

আগের থেকে বাড়তি দামে ভোজ্যতেলও বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে লাল খোলা সয়াবিন তেল ৯৫ টাকা ও সাদা সয়াবিন তেল ৯০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ার দলে নাম আছে চাল ও মশলারও। এসব বাজারে বস্তাপ্রতি ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতিবস্তা চিনিগুড়া চাল ৫ হাজার থেকে ৫ হাজার ২৫০ টাকা, নতুন মিনিকেট ২৪৫০ টাকা, পুরনো মিনিকেট ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫৫০ টাকা ও বিভিন্ন প্রকার নাজির শাইল চাল প্রতিবস্তা ২ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতিকেজি এলাচ ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, জয়ত্রী ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং জায়ফলের দাম দ্বিগুণ বেড়ে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে মাংসের বাজারে বয়লার মুরগি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, লেয়ার ১৯০ থেকে ২২০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, গরুর মাংস ৫৫০ টাকা, খাসি ৭৮০ টাকা, বকরি ৭২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে অপরিবর্তিত আছে ডিম, ডাল, আদা, রসুন, সরিষার তেলের দাম।