ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাবেক এমপি ও শিল্পপতি সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন জিম লুকে গ্ল্যামার ও ফিটনেসে দুর্দান্ত কোয়েল মল্লিক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও একটি ‘জটিল অধ্যায়ের’ সূচনা : ইরান প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হান্নান মাসউদের বক্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ওষুধ ব্যবসায়ী হত্যায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৩৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ৪০০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ওষুধ ব্যবসায়ী মাজহারুল ইসলাম পল্টন হত্যা মামলায় ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার এক নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এই রায় দেন। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় সাতজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- একলাছ উদ্দিন ওরফে জুয়েল, আবুল কাশেম ফকির ওরফে বাচ্চু মেম্বার, আবুল কালাম আজাদ ওরফে পিনু ডাক্তার, চন্দন, শুক্কুর আলী ওরফে আশ্রাফ আলী, কবির মিয়া, আবুল কাশেম, বাদল মিয়া, ফারুক মিয়া ও রুমা আক্তার।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত থেকে ১ মার্চ সকাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পল্টনকে তার ওষুধের দোকানে মাথা ও কপালে আঘাত করে খুন করা হয়। দোকানের ভিতরে বাঁশের খুটির সঙ্গে গামছা দিয়ে লাশ বেঁধে রেখে দোকানে তালা দিয়ে চলে যায় খুনিরা।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা জানান, আসামিদের মধ্যে রুমা আক্তার ও ফারুক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ‘ওই জবানবন্দিতে তারা বলেন, রুমা আক্তার একজন যৌনকর্মী। মাজহারুল ইসলাম পল্টনের ওষুধের দোকানে আসামিদের কয়েকজন রুমার সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হন। পরে ওই ব্যক্তিরা তাকে যৌনকর্মী হিসেবে পারিশ্রমিক না দেওয়ায় পল্টনকে সেই টাকা দিতে চাপ দেন রুমা। কিন্তু পল্টন তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আসামিরা পল্টনকে মারপিট করে হত্যা করে।’

এ ঘটনায় পল্টনের বোন বিউটি আক্তার ১ মার্চ নান্দাইল থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০০৮ সালের ৩১ জানুয়ারি ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ওষুধ ব্যবসায়ী হত্যায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৩:৩৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ওষুধ ব্যবসায়ী মাজহারুল ইসলাম পল্টন হত্যা মামলায় ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার এক নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এই রায় দেন। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় সাতজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- একলাছ উদ্দিন ওরফে জুয়েল, আবুল কাশেম ফকির ওরফে বাচ্চু মেম্বার, আবুল কালাম আজাদ ওরফে পিনু ডাক্তার, চন্দন, শুক্কুর আলী ওরফে আশ্রাফ আলী, কবির মিয়া, আবুল কাশেম, বাদল মিয়া, ফারুক মিয়া ও রুমা আক্তার।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত থেকে ১ মার্চ সকাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পল্টনকে তার ওষুধের দোকানে মাথা ও কপালে আঘাত করে খুন করা হয়। দোকানের ভিতরে বাঁশের খুটির সঙ্গে গামছা দিয়ে লাশ বেঁধে রেখে দোকানে তালা দিয়ে চলে যায় খুনিরা।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা জানান, আসামিদের মধ্যে রুমা আক্তার ও ফারুক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ‘ওই জবানবন্দিতে তারা বলেন, রুমা আক্তার একজন যৌনকর্মী। মাজহারুল ইসলাম পল্টনের ওষুধের দোকানে আসামিদের কয়েকজন রুমার সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হন। পরে ওই ব্যক্তিরা তাকে যৌনকর্মী হিসেবে পারিশ্রমিক না দেওয়ায় পল্টনকে সেই টাকা দিতে চাপ দেন রুমা। কিন্তু পল্টন তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আসামিরা পল্টনকে মারপিট করে হত্যা করে।’

এ ঘটনায় পল্টনের বোন বিউটি আক্তার ১ মার্চ নান্দাইল থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০০৮ সালের ৩১ জানুয়ারি ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন।