ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাবেক এমপি ও শিল্পপতি সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন জিম লুকে গ্ল্যামার ও ফিটনেসে দুর্দান্ত কোয়েল মল্লিক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও একটি ‘জটিল অধ্যায়ের’ সূচনা : ইরান প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হান্নান মাসউদের বক্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন বিএনপিপন্থী নারী আইনজীবীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ৪৮১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে করা আপিল আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়েছে।

আদালতের এমন সিদ্ধান্তের পর সেখানে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে বিএনপিপন্থী অনেক নারী আইনজীবীকে।

এ ধরনের রায় নজিরবিহীন আখ্যা দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, আমরা মনে করি, আপিল বিভাগের এ ধরনের রায় নজিরবিহীন। আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় সামনে এগিয়ে যাব।

বৃহস্পতিবার রায়ের পর এজলাস থেকে বেরিয়ে আসেন আইনজীবীরা। এ সময় অঝোরে কেঁদে ফেলেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া, অ্যাডভোকেট শাহাজাদী কহিনুর পাপড়িসহ কয়েকজন নারী আইনজীবী।

কাঁদতে কাঁদতে তারা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

আর তাদের সেই কান্নারত দৃশ্য ও ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

আদালতের রায়ে নাখোশ হয়ে কান্নারত কণ্ঠে শাহাজাদী কহিনুর পাপড়ি বলেন, ‘অনেক আশা করেছিলাম দেশমাতা আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন; কিন্তু এই সরকার তাকে মুক্ত হতে দিল না। তাই মনকে বুঝাতে পারছি না।’

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৮ মিনিটে আপিল বিভাগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে করা আপিল আবেদনের শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়।

আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নিতাই রায় চৌধুরী, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন বিএনপিপন্থী নারী আইনজীবীরা

আপডেট টাইম : ০২:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে করা আপিল আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়েছে।

আদালতের এমন সিদ্ধান্তের পর সেখানে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে বিএনপিপন্থী অনেক নারী আইনজীবীকে।

এ ধরনের রায় নজিরবিহীন আখ্যা দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, আমরা মনে করি, আপিল বিভাগের এ ধরনের রায় নজিরবিহীন। আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় সামনে এগিয়ে যাব।

বৃহস্পতিবার রায়ের পর এজলাস থেকে বেরিয়ে আসেন আইনজীবীরা। এ সময় অঝোরে কেঁদে ফেলেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া, অ্যাডভোকেট শাহাজাদী কহিনুর পাপড়িসহ কয়েকজন নারী আইনজীবী।

কাঁদতে কাঁদতে তারা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

আর তাদের সেই কান্নারত দৃশ্য ও ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

আদালতের রায়ে নাখোশ হয়ে কান্নারত কণ্ঠে শাহাজাদী কহিনুর পাপড়ি বলেন, ‘অনেক আশা করেছিলাম দেশমাতা আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন; কিন্তু এই সরকার তাকে মুক্ত হতে দিল না। তাই মনকে বুঝাতে পারছি না।’

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৮ মিনিটে আপিল বিভাগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে করা আপিল আবেদনের শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়।

আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নিতাই রায় চৌধুরী, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।