ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

দিনের এই সময় পানি খেলেই রোগ মুক্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯
  • ৩৪৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনে অন্তত চার লিটার পানি খাওয়ার কথা সবারই জানা। জীবন বাঁচাতে পানির বিকল্প নেই। জানেন কি, নিয়ম মেনে পানি খেলে শরীর থাকে সুস্থ। আর তবেই তো মুক্তি মেলে রোগ থেকে তাইনা? এজন্য পানি খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নিন-

সকালে ঘুম থেকে উঠে

দিন শুরু হোক সকালে এক গ্লাস পানি খেয়ে। এতে সারা শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর হয়ে যায়। ফলে দিনভর বেশ চনমনে লাগে। ঠাণ্ডা পানি খাবেন না এই সময়। সামান্য উষ্ণ অথবা ঘরের তাপমাত্রার পানি পান করুন।

মূল খাবার খাওয়ার আগে

দিনের অথবা রাতের মূল খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খান। এতে পেট ভর্তি থাকবে। তাই খুব বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন আপনি। তাছাড়া খাবার খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক গ্লাস পানি খেলে স্বাদ কোরক সতেজ হয় এবং খাবারের স্বাদ বেশি পাবেন আপনি।

যখন খিদে পাবে

অনেক সময় কাজের ফাঁকে বা নিতান্ত অসময়ে খিদে পেয়ে যায় আপনার। আসলে খিদে নয়, তেষ্টা পায়। তাই কিছু না খেলেও চলবে, শুধু এক গ্লাস পানি খেতে হবে এমন সময়।

ওয়র্ক আউটের আগে পরে

ওয়র্ক আউটেও আমাদের শরীর ডিহাইড্রেটেড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভারী শরীরচর্চার আগে ২ থেকে ৩ গ্লাস পানি পান করুন। শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় থাকবে। তবে একবারে বেশি পানি খাবেন না, পেটে ব্যথা হতে পারে।

অসুস্থ লাগলে

জ্বর, সর্দি-কাশি হলে বা ছোট বড় অসুস্থতায় পর্যাপ্ত জল খান। দেহের টক্সিক দূর করতে সাহায্য করবে। খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন আপনি।

ক্লান্ত লাগলে

শরীর যদি ভীষণ ক্লান্ত লাগে, আর বিশ্রাম নেয়ার সময় না থাকে আপনার কাছে, তবে পানি খান। ক্লান্তির একটা বড় কারণ শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাওয়া। বিছানায় শোয়ার ফুরসত পেলেন না যখন, এক গ্লাস পানিতে কাজ চালান। মস্তিষ্ক সচল রাখতে সাহায্য করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

দিনের এই সময় পানি খেলেই রোগ মুক্তি

আপডেট টাইম : ০৭:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনে অন্তত চার লিটার পানি খাওয়ার কথা সবারই জানা। জীবন বাঁচাতে পানির বিকল্প নেই। জানেন কি, নিয়ম মেনে পানি খেলে শরীর থাকে সুস্থ। আর তবেই তো মুক্তি মেলে রোগ থেকে তাইনা? এজন্য পানি খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নিন-

সকালে ঘুম থেকে উঠে

দিন শুরু হোক সকালে এক গ্লাস পানি খেয়ে। এতে সারা শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর হয়ে যায়। ফলে দিনভর বেশ চনমনে লাগে। ঠাণ্ডা পানি খাবেন না এই সময়। সামান্য উষ্ণ অথবা ঘরের তাপমাত্রার পানি পান করুন।

মূল খাবার খাওয়ার আগে

দিনের অথবা রাতের মূল খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খান। এতে পেট ভর্তি থাকবে। তাই খুব বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন আপনি। তাছাড়া খাবার খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক গ্লাস পানি খেলে স্বাদ কোরক সতেজ হয় এবং খাবারের স্বাদ বেশি পাবেন আপনি।

যখন খিদে পাবে

অনেক সময় কাজের ফাঁকে বা নিতান্ত অসময়ে খিদে পেয়ে যায় আপনার। আসলে খিদে নয়, তেষ্টা পায়। তাই কিছু না খেলেও চলবে, শুধু এক গ্লাস পানি খেতে হবে এমন সময়।

ওয়র্ক আউটের আগে পরে

ওয়র্ক আউটেও আমাদের শরীর ডিহাইড্রেটেড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভারী শরীরচর্চার আগে ২ থেকে ৩ গ্লাস পানি পান করুন। শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় থাকবে। তবে একবারে বেশি পানি খাবেন না, পেটে ব্যথা হতে পারে।

অসুস্থ লাগলে

জ্বর, সর্দি-কাশি হলে বা ছোট বড় অসুস্থতায় পর্যাপ্ত জল খান। দেহের টক্সিক দূর করতে সাহায্য করবে। খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন আপনি।

ক্লান্ত লাগলে

শরীর যদি ভীষণ ক্লান্ত লাগে, আর বিশ্রাম নেয়ার সময় না থাকে আপনার কাছে, তবে পানি খান। ক্লান্তির একটা বড় কারণ শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাওয়া। বিছানায় শোয়ার ফুরসত পেলেন না যখন, এক গ্লাস পানিতে কাজ চালান। মস্তিষ্ক সচল রাখতে সাহায্য করে।