ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমার থেকে আমদানি সাড়ে ১৬ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯
  • ২৮৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমার থেকে এ পর্যন্ত ১৬৪৯১.৪২০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আগস্ট মাস থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত এসব পেঁয়াজ আমদানি করা হয়।

বুধবার টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ৭৯৫.৬২০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসেই মিয়ানমার থেকে ১২ হাজার ৮৩৪.১৪৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হল।

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন এ সব তথ্য জানান।

এ দিকে ব্যবসায়ীরা জানান, এতদিন খালাসের দীর্ঘসূত্রিতার জন্য আমদানিকৃত পেঁয়াজের একটা অংশ বন্দরেই পচে নষ্ট হচ্ছিল। তবে দিনে-রাতে খালাসের কাজ চলায় বর্তমানে সে সমস্যা আর নেই। এখন আর পেঁয়াজ নষ্ট হচ্ছে না বলে জানান তারা।

সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও আমদানিকারক এহতেশামুল হক জানান, সংবাদমাধ্যম, বন্দর কর্তৃপক্ষ, শুল্ক বিভাগ, প্রশাসনসহ সবাই সময় মতো তৎপর হওয়ায় পেঁয়াজ আমদানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কিছুদিন আগে যেভাবে পেঁয়াজ পচে নষ্ট হচ্ছিল এখন আর সে সমস্যা নেই।

টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, বন্দরে এখন শুধু পেঁয়াজ খালাসে দিনে-রাতে ৬০০ জনের মতো শ্রমিক কাজ করছে। যত দ্রুত সম্ভব পেঁয়াজ খালাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ তৎপর রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমার থেকে আমদানি সাড়ে ১৬ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ

আপডেট টাইম : ১০:৩০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমার থেকে এ পর্যন্ত ১৬৪৯১.৪২০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আগস্ট মাস থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত এসব পেঁয়াজ আমদানি করা হয়।

বুধবার টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ৭৯৫.৬২০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসেই মিয়ানমার থেকে ১২ হাজার ৮৩৪.১৪৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হল।

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন এ সব তথ্য জানান।

এ দিকে ব্যবসায়ীরা জানান, এতদিন খালাসের দীর্ঘসূত্রিতার জন্য আমদানিকৃত পেঁয়াজের একটা অংশ বন্দরেই পচে নষ্ট হচ্ছিল। তবে দিনে-রাতে খালাসের কাজ চলায় বর্তমানে সে সমস্যা আর নেই। এখন আর পেঁয়াজ নষ্ট হচ্ছে না বলে জানান তারা।

সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও আমদানিকারক এহতেশামুল হক জানান, সংবাদমাধ্যম, বন্দর কর্তৃপক্ষ, শুল্ক বিভাগ, প্রশাসনসহ সবাই সময় মতো তৎপর হওয়ায় পেঁয়াজ আমদানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কিছুদিন আগে যেভাবে পেঁয়াজ পচে নষ্ট হচ্ছিল এখন আর সে সমস্যা নেই।

টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, বন্দরে এখন শুধু পেঁয়াজ খালাসে দিনে-রাতে ৬০০ জনের মতো শ্রমিক কাজ করছে। যত দ্রুত সম্ভব পেঁয়াজ খালাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ তৎপর রয়েছে।