ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও অস্থির পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা বাজারে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ এক সপ্তাহ স্থির থেকে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার। দুই দিনের ব্যবধানে নানা অজুহাতে ইতোমধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও কাঁঠালবাগান বাজার ঘুরে পেঁয়াজের দামের এই চিত্র দেখা গেছে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বলছেন: মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের বড় একটি অংশ পঁচে যাচ্ছে। এর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দাম বাড়িয়েছে আমদানিকারকরা। এছাড়া ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এই দুই কারণে আবারও দাম বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১শ’ টাকা থেকে ১০৫ টাকায়। পাইকারি পর্যায়ে এই দাম ১শ’ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা, যা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

অথচ বৃহস্পতিবারও দেশি পেঁয়াজ ৮৫ আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সম্প্রতি ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পর কিছুদিন আগেই দফায় দফায় বাড়ে পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে বিক্রি হয় ১শ’ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে। এরপর মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকে কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি এবং বাজার মনিটরিং করায় দাম ছিল কিছুটা নিম্নমুখী। কিন্তু হঠাৎ করে পাইকারি বাজারে আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজের আড়ৎদার হেলাল আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: ভারত আর কোনো পেঁয়াজ দিবে না। মিয়ানমারেরগুলো পঁচে যায়। এ কারণে দাম বাড়ছে।

তবে দামের এই গতিবেগ আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

এই ব্যবসায়ী বলেন: দাম নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি আমদানিকারকদের হাতে। তারা বেশি দামে বিক্রি করলে আমরাও বেশি রাখি।

তিনি আরো বলেন: সংকট মেটাতে মিয়ানমার থেকে যে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে খুচরা বাজারে পৌঁছানো পর্যন্ত তার ৭৫ শতাংশই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দাম বাড়ছে।

মিয়ানমারের পেঁয়াজ কেন পঁচে যাচ্ছে এর ব্যাখ্যা দিয়ে এই আমদানিকারক বলেন: জাহাজে করে পেঁয়াজ আসে। বন্দর থেকে খালাসে জটিলতার কারণে সময় বেশি লাগে। বন্দর থেকে মোকামে তারপর খুচরা বাজারে পৌঁছানো অবধি গরমে অনেক পেঁয়াজ পঁচে যায়। তাই বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।

দাম আরও বাড়বে নাকি কমবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন: এই বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাবে না। কারণ দামের উঠানামা নির্ভর করে সরবরাহের উপর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আবারও অস্থির পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা বাজারে

আপডেট টাইম : ০৯:৪১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ এক সপ্তাহ স্থির থেকে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার। দুই দিনের ব্যবধানে নানা অজুহাতে ইতোমধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও কাঁঠালবাগান বাজার ঘুরে পেঁয়াজের দামের এই চিত্র দেখা গেছে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বলছেন: মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের বড় একটি অংশ পঁচে যাচ্ছে। এর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দাম বাড়িয়েছে আমদানিকারকরা। এছাড়া ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এই দুই কারণে আবারও দাম বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১শ’ টাকা থেকে ১০৫ টাকায়। পাইকারি পর্যায়ে এই দাম ১শ’ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা, যা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

অথচ বৃহস্পতিবারও দেশি পেঁয়াজ ৮৫ আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সম্প্রতি ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পর কিছুদিন আগেই দফায় দফায় বাড়ে পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে বিক্রি হয় ১শ’ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে। এরপর মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকে কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি এবং বাজার মনিটরিং করায় দাম ছিল কিছুটা নিম্নমুখী। কিন্তু হঠাৎ করে পাইকারি বাজারে আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজের আড়ৎদার হেলাল আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: ভারত আর কোনো পেঁয়াজ দিবে না। মিয়ানমারেরগুলো পঁচে যায়। এ কারণে দাম বাড়ছে।

তবে দামের এই গতিবেগ আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

এই ব্যবসায়ী বলেন: দাম নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি আমদানিকারকদের হাতে। তারা বেশি দামে বিক্রি করলে আমরাও বেশি রাখি।

তিনি আরো বলেন: সংকট মেটাতে মিয়ানমার থেকে যে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে খুচরা বাজারে পৌঁছানো পর্যন্ত তার ৭৫ শতাংশই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দাম বাড়ছে।

মিয়ানমারের পেঁয়াজ কেন পঁচে যাচ্ছে এর ব্যাখ্যা দিয়ে এই আমদানিকারক বলেন: জাহাজে করে পেঁয়াজ আসে। বন্দর থেকে খালাসে জটিলতার কারণে সময় বেশি লাগে। বন্দর থেকে মোকামে তারপর খুচরা বাজারে পৌঁছানো অবধি গরমে অনেক পেঁয়াজ পঁচে যায়। তাই বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।

দাম আরও বাড়বে নাকি কমবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন: এই বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাবে না। কারণ দামের উঠানামা নির্ভর করে সরবরাহের উপর।