ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমানত ও ঋণের সুদ হারের পার্থক্য কমেছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০১৯
  • ৩৫৬ বার

ব্যাংকিং খাতে কমেছে আমানত ও ঋণের সুদ হারের পার্থক্য (স্প্রেড)। বাংলাদেশ ব্যাংকের হাল নাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। আগস্টে স্প্রেড চার শতাংশে নেমে আসে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী রাষ্ট্রায়্ত্ব ব্যাংকের আমানত-ঋণের সুদহারের পার্থক্য ২ দশমিক ১৯ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংকের ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ, বিদেশি ব্যাংকের ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকের ৪ দশমিক ১২ শতাংশ।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গড় স্প্রেড হার কমলেও অধিক সুদে আমানত সংগ্রহ করছে ব্যাংকগুলো। ঋণ বিতরণ করছে তুলনামূলক আগের চেয়ে বেশি সুদে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং খাতে ডিপোজিট বা আমানতের সংকট এখনো বিদ্যমান। তাই আমানত সংগ্রহে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। এ কারণে স্বাভাবিকভাবেই বেশি সুদে ঋণ বিতরণ করতে হচ্ছে।

এ মুহূর্তে আমানতের বিপরীতে সরকারি ব্যাংকেগুলো গড়ে ৪.৩১ টাকা রাখছে। অন্যদিকে ঋণের বিপরীতে সুদ নিচ্ছে গড়ে ৬.৬৮ টাকা। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়ীত ব্যাংকগুলোর আমানত সংগ্রহের সুদ হার ৫.৭১ টাকা এবং ঋণের বিপরীতে সুদ হার ৭.৫৬ টাকা। বিদেশি ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে আমানত ও ঋণের সুদ হার যথাক্রমে ২.৪৫ ও ৯.৪৮ টাকা।

৪০টি বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ৪ শতাংশীয় সীমানার বাইরে রয়েছে ২২টি ব্যাংক। সার্বিকভাবে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর স্প্রেড হার ৪.১৬ শতাংশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমানত ও ঋণের সুদ হারের পার্থক্য কমেছে

আপডেট টাইম : ০৮:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০১৯

ব্যাংকিং খাতে কমেছে আমানত ও ঋণের সুদ হারের পার্থক্য (স্প্রেড)। বাংলাদেশ ব্যাংকের হাল নাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। আগস্টে স্প্রেড চার শতাংশে নেমে আসে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী রাষ্ট্রায়্ত্ব ব্যাংকের আমানত-ঋণের সুদহারের পার্থক্য ২ দশমিক ১৯ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংকের ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ, বিদেশি ব্যাংকের ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকের ৪ দশমিক ১২ শতাংশ।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গড় স্প্রেড হার কমলেও অধিক সুদে আমানত সংগ্রহ করছে ব্যাংকগুলো। ঋণ বিতরণ করছে তুলনামূলক আগের চেয়ে বেশি সুদে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং খাতে ডিপোজিট বা আমানতের সংকট এখনো বিদ্যমান। তাই আমানত সংগ্রহে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। এ কারণে স্বাভাবিকভাবেই বেশি সুদে ঋণ বিতরণ করতে হচ্ছে।

এ মুহূর্তে আমানতের বিপরীতে সরকারি ব্যাংকেগুলো গড়ে ৪.৩১ টাকা রাখছে। অন্যদিকে ঋণের বিপরীতে সুদ নিচ্ছে গড়ে ৬.৬৮ টাকা। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়ীত ব্যাংকগুলোর আমানত সংগ্রহের সুদ হার ৫.৭১ টাকা এবং ঋণের বিপরীতে সুদ হার ৭.৫৬ টাকা। বিদেশি ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে আমানত ও ঋণের সুদ হার যথাক্রমে ২.৪৫ ও ৯.৪৮ টাকা।

৪০টি বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ৪ শতাংশীয় সীমানার বাইরে রয়েছে ২২টি ব্যাংক। সার্বিকভাবে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর স্প্রেড হার ৪.১৬ শতাংশ।