ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে ফিরেই ব্যস্ত তারিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:০১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০১৯
  • ২৬১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতিসংঘের ৭৪তম সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী হিসেবে অন্য অনেকের সঙ্গে গিয়েছিলেন নাট্যাভিনেত্রী তারিন জাহানও। সফর শেষে দেশে ফিরেই আবারো ব্যস্ত হয়ে উঠছেন তিনি। আগামী ৯ই অক্টোবর তারিন কক্সবাজারে একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে অংশ নিবেন। এটি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৈত্রী শিল্পের বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করবেন আফতাব বিন তমিজ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা। বিজ্ঞাপনটিতে কাজ করা প্রসঙ্গে তারিন জাহান বলেন, মৈত্রী শিল্পের নানা পণ্য বিক্রয়ের পর যা আয় হয় তা এই শিল্পের পণ্য উৎপাদনে সম্পৃক্ত বিশেষ শিশুদের জন্য ব্যয় করা হয়। এই শিল্প থেকে উৎপাদিত মুক্তা পানি খুব ভালো।

এই শিল্পেরই পণ্যের বিজ্ঞাপনে আমি মডেল হিসেবে কাজ করতে যাচ্ছি। আমি আন্তরিক ধন্যবাদ দিতে চাই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে এমন একটি কাজের সঙ্গে আমাকে সম্পৃক্ত রাখার জন্য। কারণ আমি মনে করি বিশেষ শিশুদের উৎসাহ দিতে, অনুপ্রেরণা দিতে এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতারই অংশ। আমি দারুণ ভালোলাগা নিয়েই কাজটি করতে যাচ্ছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে ফিরেই ব্যস্ত তারিন

আপডেট টাইম : ০৮:০১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতিসংঘের ৭৪তম সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী হিসেবে অন্য অনেকের সঙ্গে গিয়েছিলেন নাট্যাভিনেত্রী তারিন জাহানও। সফর শেষে দেশে ফিরেই আবারো ব্যস্ত হয়ে উঠছেন তিনি। আগামী ৯ই অক্টোবর তারিন কক্সবাজারে একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে অংশ নিবেন। এটি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৈত্রী শিল্পের বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করবেন আফতাব বিন তমিজ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা। বিজ্ঞাপনটিতে কাজ করা প্রসঙ্গে তারিন জাহান বলেন, মৈত্রী শিল্পের নানা পণ্য বিক্রয়ের পর যা আয় হয় তা এই শিল্পের পণ্য উৎপাদনে সম্পৃক্ত বিশেষ শিশুদের জন্য ব্যয় করা হয়। এই শিল্প থেকে উৎপাদিত মুক্তা পানি খুব ভালো।

এই শিল্পেরই পণ্যের বিজ্ঞাপনে আমি মডেল হিসেবে কাজ করতে যাচ্ছি। আমি আন্তরিক ধন্যবাদ দিতে চাই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে এমন একটি কাজের সঙ্গে আমাকে সম্পৃক্ত রাখার জন্য। কারণ আমি মনে করি বিশেষ শিশুদের উৎসাহ দিতে, অনুপ্রেরণা দিতে এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতারই অংশ। আমি দারুণ ভালোলাগা নিয়েই কাজটি করতে যাচ্ছি।